Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮, ১২ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

ভারতে করোনা ‘যুদ্ধে’ নামানো হবে শিক্ষানবিশ ডাক্তারদের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৪ মে, ২০২১, ৬:১৯ পিএম

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতজুড়ে অক্সিজেনের সঙ্কট তো আছেই, তার মধ্যে চিকিৎসক-নার্স অপ্রতুল। সেই সমস্যা নিরসনে মেডিক্যাল শিক্ষার্থী এবং শিক্ষানবিশ ডাক্তারদের করোনা চিকিৎসায় কাজে লাগানো যাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও)-এর তরফে মঙ্গলবার জারি করা একটি বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

কোভিড-সঙ্কটে ভারতে টিকার ঘাটতি নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাকে আরও উস্কে দিয়ে টিকা প্রস্তুতকারক বহুজাতিক সংস্থা ফাইজ়ার জানিয়েছে, তারা প্রতিষেধক নিয়ে বসেই রয়েছে, কিন্তু ভারত সরকারের অনুমোদন মিলছে না। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত অবধি ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৪৭ জন। মোট সংক্রমণ দু’কোটি ছুঁইছুঁই। সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলিতেও বাড়ছে রোগী ভর্তির সংখ্যা।

এই যুদ্ধ-পরিস্থিতি সামাল দিতে পিএমও এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘শিক্ষানবিশ চিকিৎসক এবং মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল বর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন পড়লে করোনা চিকিৎসার কাজে লাগানো হবে। টেলিফোনে করোনা রোগীদের পরামর্শ দেয়া অথবা মৃদু উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীদের চিকিৎসার মতো কম ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব তাদের দেয়া যেতে পারে। তবে শিক্ষানবিশ চিকিৎসক এবং মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল বর্ষের শিক্ষার্থীরা কাজ করবেন সিনিয়র ডাক্তারদের অধীনে।’

একই ভাবে বিএসসি নার্সিং এবং জেনারেল নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফ (জিএনএম) ডিগ্রিপ্রাপকদেরও করোনা চিকিৎসায় কাজে লাগানো যাবে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। তারাও সিনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের অধীনেই কাজ করবেন। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, যে সকল চিকিৎসক ও নার্স করোনা চিকিৎসায় ১০০ দিন কাজ করেছেন, তাদের প্রধানমন্ত্রীর তরফে বিশেষ সম্মান দেয়া হবে। তারা সরকারি পদের জন্য আবেদন করলে তা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। স্নাতকোত্তর স্তরে ডাক্তারিতে ভর্তির পরীক্ষা দ্বিতীয় বার পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৩১ অগস্টের আগে এই পরীক্ষা হবে না। সূত্র: রয়টার্স।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারত


আরও
আরও পড়ুন