Inqilab Logo

সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

পায়রা বন্দর পুনর্বাসন প্রকল্পের ৫০০টি বাড়ি

আগামীকাল অবকাঠামো ও পানিযান উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৫ মে, ২০২১, ১২:০০ এএম

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার নবসৃষ্ট ‘চারটি মেরিন একাডেমী, পায়রা বন্দর পুনর্বাসন প্রকল্পের ৫০০টি বাড়ি, বিআইডবিøউটিএ’র ২০টি ড্রেজার ও ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক পানিযান, একটি প্রশিক্ষণ ও একটি বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ এবং একটি ড্রেজার বেইজ, বিআইডবিøউটিসি’র দু’টি যাত্রিবাহী জাহাজ উদ্বোধন করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করবেন।
গতকাল মঙ্গলবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে এ সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম খান এ তথ্য জানান।
অবকাঠামো ও পানিযানগুলোর মধ্যে বিআইডবিøউটিএ’র ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক পানিযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই), বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ পরিদর্শী’, নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইজ, বিআইডবিøউটিসি’র দু’টি উপকূলীয় যাত্রিবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি। এসব অবকাঠামো এবং পানিযান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নৌ-সেক্টরের উন্নয়নে নতুন মাত্রা সংযোজন করবে। মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশে তৈরি ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ শতাধিক নৌ-যান একসাথে উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও পানিযান’ নদীর নাব্যতা রক্ষা, নৌ-পথ উন্নয়ন, উপকূলীয় এলাকার যাত্রি পরিবহন ও দক্ষ নৌ-কর্মী গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
বিআইডবিøউটিসির উপকূলীয় যাত্রিবাহী জাহাজ ও সি-ট্রাক বহরকে দক্ষ ও যুগোপযোগি করতে নবনির্মিত অত্যাধুনিক যাত্রিবাহী জাহাজ এমভি তাজউদ্দীন আহমদ ও এমভি আইভি রহমান নির্মাণ করা হয়েছে। জাহাজ দু’টি কুমিল্লা-গুপ্তছড়া এবং চট্টগ্রাম-সদ্বীপ-হাতিয়া-বরিশাল রুটে চলাচল করবে। এ জাহাজ দুু’টির মাধ্যমে বছরে ৬.৩০ লাখ যাত্রি পরিবহন সম্ভব হবে। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাত্রিবাহী জাহাজ ‘এমভি বাঙালি’ ও ‘এমভি মধুমতি’ উদ্বোধন করেছিলেন। বিআইডবিøউটিসি’র আরও ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক পানি যান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ও বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ১০ হাজার কিলোমিটার নৌ-পথ খননে সরকার বদ্ধপরিকর। এলক্ষ্যে ২০টি ড্রেজার এবং ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক পানিযান প্রস্তুত করা হয়েছে। নৌ-পথ খনন ও নাব্যতা বজায় রাখার লক্ষ্যে গত ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়। বর্তমানে ২০টি ড্রেজার বিআইডবিøউটিএ’র বহরে যুক্ত হয়ে মোট ৪৫টি ড্রেজারের শক্তিশালী ইউনিট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বর্তমান মেয়াদে ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে।
দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা বন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে অধিগ্রহণ করা জমির মালিকদের পুনর্বাসনের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ৫০০টি বাড়ি হস্তাস্তর করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ৪২৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। তাদের জন্য জীবন ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিশ্ব নৌবাণিজ্য অর্থনীতিতে অবদান রাখা ও সমুদ্রগামী জাহাজে দেশের নাবিকদের চাকরির বিশাল সুযোগকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেটে নির্মাণ করা হয়েছে নতুন চারটি মেরিন একাডেমি। যেখানে ক্রমান্বয়ে বছরে ৪০০ ক্যাডেটের পাশাপাশি সমুদ্রগামী মেরিনাররা বিভিন্ন ধাপে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।
##



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ