Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ জুন ২০২১, ০৬ আষাঢ় ১৪২৮, ০৮ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

লকডাউনের মধ্যেও গ্রামমুখী মানুষের স্রোত নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ

শাহেদ নুর | প্রকাশের সময় : ১০ মে, ২০২১, ৮:৪৬ এএম

করোনার সংক্রমণরোধে চলছে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার সকল লঞ্চ ও বাস। কিন্তু তারপরেও থামানো যাচ্ছে না ঈদকে ঘিরে গ্রামমুখী মানুষের স্রোত। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা।

দূরপাল্লার যানববাহন বন্ধের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে কর্মস্থলেই ঈদ পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঠেকাতে ফেরিঘাটে মাঠে নেমেছে বিজিবি।

সরকারি নির্দেশনা ও প্রশাসনের তৎপরতা কোনটাই যেন কোন কাজে আসছে না। অব্যহত রয়েছে গ্রামমুখী মানুষের স্রোত। বিশেষজ্ঞ মহলও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

সাংবাদিক ও গবেষক মেহেদী হাসান পলাশ তার ফেইসবুক ওয়ালে লিখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে করোনার ভারতীয় সংস্করণ আঘাত হেনেছে। চব্বিশ ঘণ্টায় ১৯ হাজার শনাক্ত মৃত্যু ১২৭। আমরা শপিং ও ঈদযাত্রার জন্য মরিয়া!’

শাহিনুর ইসলাম সোহাগ নামে এক লিখেন, ‘যেমন নাছোড়বান্দা পাবলিক তেমন সরকারের আজব সিদ্ধান্ত। এমন ঝুঁকি নিয়ে বাসায় না গেলে কি এমন ক্ষতি হবে? আর জনগন যেহেতু যাচ্ছেই তাহলে ফেরি কেন বন্ধ রেখেছে? গাড়ি চলতে দিচ্ছে আর ফেরিগুলো বন্ধ। করোনার কমানোর চেয়ে বাড়ানোর লক্ষে কাজ করছে সবাই। বুঝবে মজা যদি দেশে ইন্ডিয়ান ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পরে।’

উদ্বেগ প্রকাশ করে কানিজ ফাতেমা লিখেন, ‘এ ফেরা যেনো শেষ ফেরা না হয়!’

সামিউন ইকবাল সামুনের পরামর্শ, ‘সরকার থেকে ঘোষণা দেওয়া হোক, যারা ঈদে ঢাকা ছাড়বে ঈদের পরে এক মাস তাদেরকে ঢাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না এবং সেনাবাহিনী দিয়ে হলেও ঢাকায় প্রবেশ ঠেকানো হবে। তাহলে চাকরি হারাবার ভয়ে অন্ততঃ ৬০% মানুষ ঢাকা ছাড়বে না!’

ক্ষোভ প্রকাশ করে মাসুদ রানা লিখেন, ‘শেষ দেখা দেখার জন্য যাচ্ছে। এরপরতো সাদা কাপড় আর অক্সিজেনের জন্য এইভাবে দৌড়াবে। আগে থেকে দৌড়ানি শিখে নিচ্ছে!’



 

Show all comments
  • Reza ১০ মে, ২০২১, ১১:৫৬ এএম says : 0
    সাধারণ চিন্তা করে পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিবহনের ব‍্যবস্হা করার দরকার।
    Total Reply(0) Reply
  • M a Hamid munna ১০ মে, ২০২১, ১০:২৩ এএম says : 0
    করোণা একটি বৈশ্বিক সমস্যা, এ সমস্যা সরকার এবং জনগণকে সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করতে হবে এটার কোনো বিকল্প নেইl আমার মনে হয় সরকারের শত চেষ্টার পরেও মানুষকে আটকে রাখা অসম্ভব হচ্ছে l নাড়ির টানে মানুষ প্রিয়জনের কাছে ছুটে যাচ্ছে এটা বাংলার চিরন্তন রূপ l অতএব এই অবস্থায় তাদের বাড়ি যাওয়ার পথে অনেক বেশি সুগম করে দিলেই বরঞ্চ ভালো হয় l কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোনো ভাবেই ঈদের পর তারা ঢাকায় প্রবেশ করতে না পারে l প্রয়োজনে সেনাবাহিনী চৌকি বসিয়ে যতদিন না করনা পরিস্থিতি ঠিক হয় তারা যাতে কোনোভাবেই ঢাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এটা করোনায় আরো বেশি সহায়ক হবে, কারণ ঢাকা এমনিতেই মানুষে ঠাসা l কিছু মানুষ ঢাকা থেকে চলে গেলে বরঞ্চ ঢাকা নিরাপদ হয় l
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সোশ্যাল মিডিয়া


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ