Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, ০২ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

ফটিকছড়িতে পাহাড়কাটা বন্ধ

ইনকিলাবে সংবাদ প্রকাশের জের

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১২ মে, ২০২১, ১২:০২ এএম

গত ৯ মে দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত ফটিকছড়িতে চলছে পাহাড় কাটার উৎসব শীর্ষক সংবাদের জের ধরে তোলপাড় শুরু হলে ওই পাহাড় কাটা রাতেই বন্ধ হয়ে গেছে। সরেজমিনে জানা যায়, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউপির হেঁয়াকো বাজারের পূর্ব পার্শ্বে অলিপুর গ্রামে আবছার মেম্বার বাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. হানিফ সরকার স্কেভেটর লাগিয়ে বনবিভাগের পিএফভ‚ক্ত পাহাড় কেটে ২০টি ড্রামট্রাক যোগে প্রতিদিন ১৮০/২০০ গাড়ি মাটি ভর্তি বারইয়ারহাট-রামগড় মহাসড়ক সম্প্রসারণ কাজে সরবরাহ করছিল।

এছাড়া এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার গাড়ি মাটি সরবরাহ করা হয় বলে গোপন সূত্রে জানা যায়। বনবিভাগের পিএফভ‚ক্ত এ পাহাড় থেকে প্রায় তিন মাস ধরে এ মাটি কাটা চললেও স্থানীয় বনবিভাগ ও চট্টগ্রামের পরিবেশ অধিদফতর এবং ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন কেউই জানতো না মর্মে জানালেও সরেজমিনে গেলে ভিন্ন তথ্যও প্রকাশ পেয়েছে।

এ ব্যাপারে বনবিভাগের দাঁতমারা বিট অফিসার মোহাম্মদ ইউনুছ জানান, আমার কাছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হানিফ সরকার ফটিকছড়ির ইউএনও কর্তৃক প্রদত্ত স্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটার অনুমতিপত্র জমা দেন। যেটি তফশিল দাঁতমারা মৌজার ৭৭২ বিএস খতিয়ানের ২০৬১ ও ২০৬৩ দাগের ভ‚মির উঁচু-নিচু ভিটি-জমি সমতল করার অনুমতিপত্র এবং সময়কাল ছিল ২২ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। কিন্তু ৮ মে রাতে খবর পাই সে অনুমতিপত্র দিয়ে জঙ্গল দাঁতমারা মৌজার পিএফভ‚ক্ত পাহাড় থেকে মাটি কাটা হচ্ছে- ফলে রাতেই অভিযানে যাই। খবর পেয়ে মাটি কাটার লোকজন স্কেভেটর নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে রাতেই আমি দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে লিখিতভাবে অবহিত করি। ঘটনার সাথে জড়িত হানিফ সরকার নিজেই এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিন বলেন, আমরা অনুমতি দিয়েছি দাঁতমারা মৌজায় আর কাটা হচ্ছে জঙ্গল দাঁতমারা মৌজায়। এটা তো আমার জানা ছিল না। এখন তো পাহাড় কাটা বন্ধ আছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন