Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

কাওড়াকান্দি দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়ায় অচলাবস্থা শত শত যানবাহন আটকা : অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

প্রকাশের সময় : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : গতকাল ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকামুখী মানব¯্রােতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে কাওড়াকান্দি, দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া এলাকায়। কাওড়াকান্দিতে আটকা পড়েছে পাঁচ শতাধিক যানবাহন। ফেরিস্বল্পতায় দৌলতদিয়া সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। এদিকে পরিবহন সংকটে পাটুরিয়া ও আরিচায় ছিল যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়।
মাদারীপুর জেলা সংবাদদাতা : ঢাকামুখী যাত্রীদের ¯্রােত নেমেছে মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাটে। শনিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে হাজার হাজার মানুষ ঈদের ছুটি শেষে কাওড়াকান্দিঘাট হয়ে রাজধানীতে ছুটছেন। লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ঈদের পরে কর্মস্থলে ফেরা দরিদ্র অসহায় মানুষগুলো ঢাকায় যাওয়ার জন্য গত ২ দিন ধরে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। বেশি ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে তাদের সাথে প্রতি মুহ‚র্তে বাকবিতÐা করছে স্পিডবোটের শ্রমিকরা। স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া ও লঞ্চে বেশি যাত্রী পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে।
বিআইডবিøউটিএ-সহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকে শিমুলীয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুট হয়ে কর্মস্থলমুখী দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল কাওড়াকান্দি ঘাটে। কাওড়াকান্দি ঘাটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। আর লঞ্চে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে লোডমার্ক মানা হচ্ছে না। অতিরিক্ত যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ ছিল ফেরিতেও। অনেকদিন ধরে নাব্যতা সংকটের কারনে নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধারন ক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে ফেরি চলাচল করছে। ফলে ঘাট এলাকায় ৫ শতাধিক যানবাহন আটকে পড়ে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। কর্মস্থলমুখো যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে ঘাট এলাকায় পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। মাদারীপুর পুলিশ সুপার সরোয়ার হোসেন, ওসি জাকির হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘাট এলাকায় অবস্থান নিয়ে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ সামাল দেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডবিøউটিসি) কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাম হোসেন জানান, কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে ৮৬টি লঞ্চ, দুই শতাধিক স্পিডবোটে যাত্রী ও ১৭টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করলেও প্রতিদিন দেড় হাজারের বেশি যানবাহন ফেরিতে পারাপার করতে সক্ষম হচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের সুবিধার্থে বন্ধ রয়েছে ট্রাক পারাপার। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাত্রী হয়রানি বন্ধে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে।
মাদারীপুর পুলিশ সুপার সরোয়ার হোসেন বলেন, ঈদ শেষে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা যাতে নির্বিঘেœ কর্মস্থলে পৌঁছতে পারে তার জন্য ঘাট এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়ন রয়েছে। কেউ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
গোয়ালন্দে ১২ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট : গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, তিন দিন ধরে অব্যাহত থাকা দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় সৃষ্ট যানজট পরিস্থিতি শনিবার আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি স্বল্পতা, দৌলতদিয়া প্রান্তে ঘাট সংকট ও ঈদের ছুটি শেষে একযোগে অতিরিক্ত যানবাহন আসতে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ যানবাহনের সারি ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ছোট ব্রীজ পর্যন্ত প্রায় ১০ কি.মি. এবং গোয়ালন্দ মোড় থেকে বসন্তপুর নিমতলা পর্যন্ত আরো ২কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এ অবস্থায় যাত্রী ও যানবাহন চালকদের বিকল্প রুট ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আটকে পড়া অসংখ্য যাত্রী অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হন। দীর্ঘ সময় গাড়ীতে বসে থাকার পর বহু যাত্রীকে দেখা যায় তাদের বাস ছেড়ে দিয়ে পায়ে হেটে ঘাটের দিকে রওনা দিতে। কর্মমুখী মানুষগুলো হাতে ও মাথায় লাগেজ এবং মহিলা ও শিশুদের নিয়ে ৭-৮কি.মি. দুরের ঘাটে পৌছাতে সীমাহীন কষ্টের শিকার হন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মহাসড়কের একপাশ ফাঁকা রেখে ফেরি থেকে নামা যানবাহনগুলো নির্বিঘেœ চলে যেতে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু অসংখ্য প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস প্রায়ই সিরিয়াল ভঙ্গ করে মাঝেই মধ্যেই যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিচ্ছে। অপর পাশে আটকে পড়া যানবাহনগুলো অত্যন্ত ধীর গতিতে ঘাটের দিকে আগাতে থাকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ১৭টি ফেরির মধ্যে ৪টি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া দৌলতদিয়ার ৪টি ফেরি ঘাটের মধ্যে ভাঙনে বিলিন হয়ে আছে ২টি। শুক্রবার বিকেলে নদী ভাঙনের কারণে বন্ধ হয়ে যায় ২নং ফেরিঘাটটি। রাত ১০টার দিকে ঘাটটি সংস্কার করে চালু করা হয়। এ ঘাটের মূূল পাকা সড়কের আড়া-আড়ি অধিকাংশ নদীতে বিলীন হওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় শুধুমাত্র ছোট যানবাহনগুলো পারাপার হতে থাকলেও শনিবার বেলা ২টার দিকে ঘাটটি আবারো ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া ২নং ঘাটটি ঈদের আগে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে বিলিন হয়ে বন্ধ হয়ে আছে। তীব্র ¯্রােতের কারণে সেখানে কাজ করা যাচ্ছে না।
এদিকে ঈদের আগে ও পরে মোট ৬দিন পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ থাকার পর শনিবার থেকে চালু হয়েছে। কিন্তু মহাসড়কে তীব্র যানজট থাকায় দৌলতদিয়া ঘাটের উপর চাপ কমাতে পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে গোয়ালন্দ মোড়ে আটকে দিচ্ছে পুলিশ। সেখানেও ২-৩ কি.মি. জুড়ে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে আছে।
ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. শাহ নেওয়াজ জানান, ঘাটের বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রী ও চালকদের দূর্ভোগ কমানোর জন্য বিকল্প রুট ব্যবহার করতে জেলা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিআইডবিøউটিসি’র ম্যানেজার (মেরিন) আব্দুস সাত্তার জানান, রোরো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান তীব্র ¯্রােতের কারণে চলতে পারছে না। সংষ্কারের জন্য রোরো ফেরি শাহ জালালকে নারায়ণগঞ্জ ডক ইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ হাতে না পাওয়ায় ২ মাসের অধিক সময় ধরে বন্ধ হয়ে আছে ফেরি মাধবীলতা।

পাটুরিয়া যাত্রীর উপচেপড়া ভিড়
আরিচা সংবাদদাতা : শনিবার ছিল ঈদের ছুটির শেষ দিন। ফলে পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে ছিল ঢাকাগামী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। ঘাটে আসা হাজার হাজার কর্মমুখী মানুষ তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে গাড়ির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে থাকে। কিছু পরিবহন কোম্পানীর নির্ধারিত বাস সময়মত ঘাটে না আসায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহায়।
কর্মস্থলমুখী যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকাগামী বাসের সংকট দেখা দেয়। এ সুযোগে এক শ্রেণীর বাস মালিক-চালক যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায় করেছে। অনেকে বাস না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করে বাসের ছাদে, লেগুনা ও পিকআপভ্যানে গন্তব্যে রওয়ানা দিচ্ছে।
আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট থেকে বিআরটিসি, যাত্রীসেবা, নবীনবরণ, যোগাযোগ পরিবহণ ও পদ্মা লাইন নামের মিনিবাস নিয়মিত যাত্রী পরিবহণ করে থাকে। ঈদের আগে ও পরে উক্ত পরিবহণ ছাড়াও ঢাকার সিটি সার্ভিসের বিআরটিসি’র দোতলা বাসসহ বিভিন্ন রুটের বাস এ রুটে যাত্রী পরিবহণ করছে। গাবতলী এবং গুলিস্তানের যাত্রী ছাড়া অন্য কোনো যাত্রী বিআরটিসি বাসে তোলা হচ্ছে না। গুলিস্তানের ভাড়া ১৭০ টাকা করে আদায় করছে। অন্যান্য সময় নেয়া হয় ১২০ টাকা। নবীনগরসহ রাস্তার যেখানেই গন্তব্য হোক যাত্রী প্রতি ১৭০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিপাকে পড়ছে নিকট দূরত্বের যাত্রীরা। মানিকগঞ্জ, ধামরাই, নয়ারহাট, ইসলামপুর, নবীনগর এবং সাভারের যাত্রীরা বাধ্য হয়ে বেশী ভাড়া দিয়েই যাত্রীসেবা, পদ্মা লাইন এবং নবীন বরণ পরিবহণে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এসব বাসের যাত্রীরা পথিমধ্যে যেখানেই নেমে যাক তাদেরকে ঢাকার ভাড়াই দিতে হচ্ছে, যা পূর্বের তুলনায় দ্বিগুণরও বেশি। অন্যান্য সময়ে আরিচা থেকে গাবতলী পর্যন্ত যাত্রীসেবা, নবীনবরণ ও যোগাযোগ পরিবহণে ৫০-৬০ টাকা হাড়ে ভাড়া আদায় করা হয়ে থাকে। শনিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীরদের ভিড়ের কারণে এসব বাসে ২০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। পদ্মা লাইন নামের বিশেষ মিনিবাস সকালে যাত্রীপ্রতি ৩’শ টাকা আদায় করে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চাপে পরে তা কমিয়ে আনা হয়। অনেক যাত্রী সিট না পেয়ে বাসের ছাদে ও ভিতরে দাড়িয়ে ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁচাচ্ছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সহজ যোগাযোগের অন্যতম ঘাট পাটুরিয়া ও আরিচা। এসব অঞ্চলের বেশীরভাগ যাত্রীরা এ দুই ঘাট হয়েই যাতায়াত করে থাকে।
এদিকে শ্রমিক নাম ধারী বিভিন্ন সংগঠনের কতিপয় চিহ্নিত চাঁদাবাজ সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে পরিবহণ থেকে নির্বিচারে চাঁদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ রুটে বাস থেকে ৪০০-৫০০ টাকা হারে এবং অন্যান্য রুটের আসা বাস থেকে ১০০০/১২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে স্থানীয় ছাত্র ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা। মানিকগঞ্জ জেলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়ন, মানিকগঞ্জ জেলা ও শিবালয় উপজেলা শ্রমিক লীগ, আওয়ামী মটর শ্রমিক লীগ ব্যানারে এ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার শেখ কনক, মানিকগঞ্জ জেলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের আরিচা শাখার নেতা সাদেকুর রহমান, আওয়ামী মটর চালকলীগের শিবালয় উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি প্রমুখের নেতৃত্বে এ চাঁদায় হয় বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে। ঈদের আগের দিন যাত্রী ও পরিবহণ থেকে চাঁদা আদায়কালে আরিচা বাসস্ট্যান্ড থেকে দ্বিনেশ সরকার (৪০) নামের স্থানীয় এক প্রতারককে ডিবি পুলিশ হাতে-নাতে আটক করে। সে নিজেকে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী এবং শ্রমিক নেতা পরিচয় দিয়ে প্রতারণ করতো বলে পুলিশ জানায়। শনিবার ঘাটে পরিবহণ থেকে নির্বিচারে চাঁদা আদায়ের ব্যাপারে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হলে পুলিশের তৎপরতার কারণে বিকেলের দিকে চাঁদা আদায়ের হার কমে আসে।
এব্যাপারে শিবালয় থানার ওসি মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘাটে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেলে তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ