Inqilab Logo

সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫ আশ্বিন ১৪২৮, ১২ সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

যুদ্ধ বিরতির পর নতুন সংগ্রামে গাজাবাসী

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০২১, ১০:২৩ এএম

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উন্মুক্ত কারাগার অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের টানা ১১ দিনের বোমাবর্ষণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিন চলছে। ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কমপক্ষে ১০ কোটি ডলারের প্রয়োজন। গতকাল শনিবার ইসরাইলি বোমায় বিধ্বস্ত একটি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে গত ১১ দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছিলেন আল জাজিরার প্রতিবেদক হ্যারি ফোকেট।
তিনি বলেন, ‘অন্য সময় গাজার দিনে বিদ্যুৎ থাকতো ১২ ঘণ্টা। কিন্তু এই কয়েকদিনের ধ্বংসযজ্ঞে এখন বিদ্যুৎ থাকছে দিনে মাত্র পাঁচ ঘণ্টা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
এদিকে, সীমান্ত খুলে দেয়ায় আন্তর্জাতিক ত্রাণ বহর ঢুকতে শুরু করেছে গাজায়। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে কারিম আল সালিম সীমান্ত খুলে দেয় তেল আবিব। এসব ত্রাণ বহরের মধ্যে আছে জরুরি ওষুধ, খাবার ও জ্বালানি। জাতিসংঘ বলছে, এ পর্যন্ত ১ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের জরুরি ত্রাণ গাজায় পাঠানো হয়েছে।
আল জাজিরার হ্যারি ফোকেট বলেন, কিছু ত্রাণ আসা শুরু হয়েছে। তবে সামনের দিনগুলোতে চিকিৎসক, হাসপাতাল ও দাতব্য সংস্থাগুলোকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশ বেগ পেতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র মারগারেট হ্যারিস বলেন, ইসরাইলি হামলায় হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসায় দ্রুত চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানো প্রয়োজন। আর এর জন্য আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ আবশ্যক।
গাজা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা রেড ক্রস। সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক ফেব্রিজিও কারবনিও গাজায় দ্রুত চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলছেন, গাজায় যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে উঠতে কয়েক বছর সময় লাগবে। আর মানুষের মন থেকে ভয়াবহ স্মৃতি ভুলতে লাগবে আরও সময়।
ধংস্তুপের নিচ থেকে শুক্রবার আরও পাঁচ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে ইসরাইলি হামলায় ৬৬ শিশুসহ কমপক্ষে ২৪৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, তেল আবিবের দাবি, হামাসের হামলায় এক সেনাসহ ১২ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে দুই জন শিশু রয়েছে। সূত্র : আল জাজিরা



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: গাজায় হামলা


আরও
আরও পড়ুন