Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০৪ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে মামলা

সোলায়মান হত্যাকান্ড

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৩ জুন, ২০২১, ১২:০০ এএম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাছের খামার থেকে ডেকে নিয়ে সোলায়মান (৩৬) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে হত্যাকাÐের ঘটনায় মুড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ আলমাছ ও তারাব পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর মনির হোসেনসহ ২১ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে নিহতের ছোট ভাই রাজীব বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেনÑ উপজেলার গর্ন্ধবপুরের আব্দুল মান্নানের ছেলে শাহবাজ, একই এলাকার জয়নালের ছেলে ফজলুল হক ও মাছিমপুর এলাকার ছানু মিয়ার ছেলে মো. আক্তার।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সোলায়মান উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের নাশিঙ্গল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মৎস্য খামারে মাছ চাষ করছেন। গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাছের খামারের বৃষ্টির পানি বেড়ে যাওয়ায় পুকুরের চারপাশে বাঁধ দিতে যায়। এ সময় তারাব পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম ব্যবসা সংক্রান্ত কাজের জন্য সোলায়মানকে গর্ন্ধবপুরে ডেকে নিয়ে যায়। দুপুর ১২টার দিকে সোলায়মান, রাজু, বাবু, এসকে সোলমান গর্ন্ধবপুর নামাপাড়া বালুরমাঠ রাস্তায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রæতার জের ধরে মুড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ আলমাছ ও চেয়ারম্যানের ভাই রোমান মেম্বারের নির্দেশে কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম মনির, শাহবাজ, মোবারক, মামুন, আমির, আল-আমিন, শুভ, মাসুম বিল্লাহ, মোস্তফা, নুরুল ইসলাম, ফজলুল হক, তারেক, রহমান, মো. আক্তার, ইকবাল, বিল্লাল, মনোয়ার আলী, রুবেল শিকদারসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সোলায়মান ও তার সঙ্গে থাকা রাজু, বাবু, এসকে সোলমানকে এলোপাথাড়িভাবে পিটিয়ে আহত করেন।

একপর্যায়ে কাউন্সিলর রফিকুলসহ প্রতিপক্ষের লোকজন সোলায়মানকে কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়। সোলায়মানের সঙ্গে থাকা এসকে সোলমান বিষয়টি তার ছোট ভাইকে জানালে রাজীব ঘটনাস্থলে পৌঁছে সোলায়মানকে প্রথমে ইউএস বাংলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সোলায়মানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে বিকেল ৩টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সোলায়মানের সঙ্গে থাকা রাজু ও এসকে সোলেমান ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

এ ব্যাপারে যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান তুহিন বলেন, সোলায়মান যুবলীগের কেউ নয়। তবে হত্যাকাÐের ঘটনায় আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনে আওতায় এনে শাস্তি দাবি করছি। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ আলমাছকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইউপি চেয়ারম্যান

৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ