Inqilab Logo

রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০১ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

ইস্তেখারা নামাজ কেন পড়া হয়? আর এই নামাজের নিয়ম কি?

শিউলি ইসলাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৬ জুন, ২০২১, ৭:৫২ পিএম

উত্তর : কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সবদিক বিবেচনা করে কোনো দিককেই প্রাধান্য দেওয়া না গেলে এবং সিদ্ধান্ত নিতে দুশ্চিন্তা বা পেরেশানীবোধ করলে বিষয়টি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে হয়। বলতে হয়, আল্লাহ আমি আপনার কাছে উত্তম সিদ্ধান্তটি কামনা করি। আপনি ভালো সিদ্ধান্তটি নিতে আমাকে সাহায্য করুন। এ ভাব নিয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সিদ্ধান্ত বা চয়েজ করে নেওয়ার নামই ইস্তেখারা। অবশ্য এর জন্য বিশেষ নফল নামাজও পড়া যায়। নামাজের মাধ্যমে আল্লাহকে বলা যে, আমার সামনের কাজটির ব্যাপারে আপনার সাহায্য চাই, যাতে আমি সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পারি। সঠিক বিষয়টি বাছাই করতে পারি। এ মনোভাব নিয়ে নামাজ পড়ার পর হয় মনে একটি বিষয় প্রবল হয়ে যাবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। এছাড়া লোকটি স্বচ্ছ বিশ্বাস ও নেক আমলওয়ালা হলে আল্লাহর তরফ থেকে স্বপ্নযোগে যে কোনো ইশারা পেতে পারে। তবে, মনে রাখতে হবে ইস্তেখারার জন্য স্বপ্ন দেখা জরুরী নয়। দোয়া ও নামাজের ফলে মনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তি চলে আসে। স্বপ্ন দেখতে হয় না।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Abu Naem ৬ জুন, ২০২১, ৮:৪৬ পিএম says : 0
    Sukriah
    Total Reply(0) Reply
  • সামিয়া সামিয়া ১৮ আগস্ট, ২০২১, ১১:০৮ পিএম says : 0
    ইসতেখারা কখন করতে হয়
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইস্তেখারা নামাজ
আরও পড়ুন

আমার বান্ধবীর ৭ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। এখনো সে তার স্বামীর সাথেই আছে। তারা এখনো কোন সন্তান নেয়নি। আমার বান্ধবীর সাথে তার স্বামীর বনিবনা হয় না। তারা অধিকাংশ সময় দূরেই থাকে। এমতাবস্থায় ওর স্বামীও ওর প্রতি সন্তুষ্ট না। মাঝে মাঝে ওদের মধ্যে যখন ঝগড়া হয় তখন ওর স্বামী ওকে তালাক দেয় কিন্তু পরবর্তীতে ওর স্বামী তালাকের কথা উচ্চারণ করার জন্য ওর কাছে মাফ চায়। কিন্তু আমার বান্ধবী ওর স্বামীর সাথে আর থাকতে চায় না। ডিভোর্স চায়। কিন্তু ওর স্বামী ডিভোর্স দেয় না। এখন আমার বান্ধবী ওর স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারবে কি?

উত্তর : আপনার বান্ধবীকে যদি তার স্বামী মৌখিকভাবে তিন তালাক দিয়ে থাকে, তাহলে তারা এখন আর স্বামী স্ত্রী নয়। এখন একসাথে বসবাস জায়েজ হচ্ছে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ