Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

বেতাগী-বরগুনা অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি সাধারণ মানুষ

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

বেতাগী (বরগুনা) উপজেলা সংবাদদাতা

বেতাগী উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নের দেড় লাখ মানুষ জিম্মি বেতাগী-বরগুনা অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ব্যবসায়ীদের কাছে। প্রতিবছর ঈদের আগে-পরে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হয় বাসের গলাকাটা ভাড়া। পরিবহন শ্রমিক ও মালিক পক্ষ বোনাসের নামে যাত্রীদের কাছ থেকে এ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে আসছেন এমনই অভিযোগ রয়েছে। বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও সাধারণের তেমন কিছু বলার সুযোগ থাকেনা। তবে প্রভাবশালী যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে বাকবিত-া এমন কি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, এ রুটের বাসগুলোতে ঈদের আগে ভাড়া বাড়ানো হয় এবং মোটামুটিভাবে সারা বছরই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। বেতাগী উপজেলা সদর থেকে বরগুনা ৩৩ কিলোমিটার দূরত্বের সড়ক পথে সরকারি প্রতি কিলোমিটার ১ টাকা ৪৫ পয়সা হিসেবে এখানের ভাড়া ৪৭ টাকা ৮৫ পয়সা, কিন্তু তার স্থলে নেওয়া হচ্ছে ৭০ টাকা। তবে এ ঈদ উৎসবের আগে-পরে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করে বলে একাধিক কর্মজীবী যাত্রী অভিযোগ করেন। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এখানে সরকার নির্ধারিত ভাড়া মুখ্য বিষয় নয়। পরিবহন সংগঠনের পক্ষ থেকে যে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বছরের পর বছর ধরে তা আদায় করা হলেও এসব মনিটরিংয়ের দায়িত্ব কাদের তা কারো জানা নেই। এ উপজেলার হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পরিবহনের যাত্রী হয়ে ওঠে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য একশ্রেণীর সুযোগসন্ধানী পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা সিন্ডিকেট তৈরী করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। এ বিষয় বাস শ্রমিকরা মালিকদের দায়ী করলেও বরগুনা জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছগির হোসেন বলেন, মালিকরা নয়, পরিবহন শ্রমিকরা ঈদের বোনাস হিসেবে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। এ ব্যাপারে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম মাহমুদুর রহমান বলেন, পরিবহন যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারো অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন