Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৫ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

ক্ষমতা আমাদের কাছে ভোগের বিষয় নয়

ঘর পেল ৫৩ হাজার পরিবার জমি ও গৃহ প্রদানকালে শেখ হাসিনা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ জুন, ২০২১, ১২:০২ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতা মানে ভোগ বিলাস নয়। ক্ষমতা হলো মানুষের সেবা করা। মানুষের জন্য কাজ করা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। কোনো ঘরহীন মানুষ যখন একটি ঘর পায়। তখন মানুষের ভিতরে যে আনন্দ, তার মুখে যে হাসি, এর থেকে বড় পাওয়া তো আর কিছু না।

গতকাল রোববার সকালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের (২য় পর্যায়) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের ৪৫৯টি উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব মানুষদের ঘর দেয়ার এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জমির দলিল ও ঘরের চাবি উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেন। দলিলে জমির মালিকানা স্বামী ও স্ত্রীর যৌথ নামে করে দেয়া হয়েছে। তাদের নামে স্থায়ী দলিলের পাশাপাশি নামজারি করে খাজনা দাখিলাও দেয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ সেমি পাকা ঘর প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। গত জানুয়ারিতে প্রথম পর্যায়ে ৭০ হাজার পরিবারকে ঘর প্রদানের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে এক সঙ্গে আরো প্রায় ৫৩ হাজার ৩৪০টি অসহায় পরিবারকে ঘর দিচ্ছে সরকার। এছাড়া আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে আরো ১ লাখ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যার ঘর নাই বাড়ি নাই তাকে ফুটপাথে পড়তে হয়। রাস্তার পাশে, রেললাইনের পাশে বা বিভিন্ন জায়গায় ঝড় বৃষ্টি বাদলা সবকিছু মাথায় নিয়ে তাকে জীবনযাপন করতে হয়। সে যখন একটা ঘর পায়, তার জীবনটাই বদলে যায়। আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি যে বাংলাদেশকে আমরা দারিদ্র্যমুক্ত করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে আশ্রয়ণের মাধ্যমে এবং অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে গৃহহীন মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি। যাতে মানুষ ঘর পাবে সেই সঙ্গে তাদেরকে কিছু ট্রেনিং দেয়া হয়, ঋণ দেয়া হয় এবং নগদ টাকা দেয়া হয়, তাকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়। যেন ভালোভাবে মানুষ বাঁচতে পারে, কিছু করে খেতে পারে। পরমুখাপেক্ষী না হতে হয়। সে যেন নিজের জীবনটাকে নিজেই গড়ে তুলতে পারে। বস্তিবাসিরাও তার নিজ গ্রামে ফিরে গেলে সেখানেও একটা ফান্ড এবং প্রকল্প আমরা নিয়েছিলাম, ঘরে ফেরা কর্মসূচি। নিজের গ্রামে গেলে সেখানে ঘরবাড়ি, ছয় মাসের জন্য ভিজিএফের মাধ্যমে বিনা পয়সায় খাদ্যের ব্যবস্থা করা, তার ঋণের ব্যবস্থা করা অর্থ্যাৎ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আমরা করে দেব।

মুজিববর্ষে ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে নাÑ প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তের আলোকে আজকের আশ্রয়ণের মধ্য দিয়ে গত ছয় মাসে মোট এক লাখ ২৩ হাজার ২৪৪টি পরিবারকে ভূমি ও গৃহ প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া গত বছর প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সরকারের সিনিয়র সচিব ও সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহনির্মাণ করে দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। তিনি অনুষ্ঠানে অন্তভুক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল শীর্ষক একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ৪টি উপজেলার উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন। একসঙ্গে এত মানুষকে বিনামূল্যে বাড়ি-ঘর দেয়ার ঘটনা পৃথিবীতে নজিরবিহীন।

ড.আহমদ কায়কাউস বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে আরো ১ লাখ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে। এর আগে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর ঘর প্রদান উপলক্ষে ১৭ জুন পিএমওতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুখ্য সচিব জানান, যদি দুই ডেসিমেল জায়গার মূল্য গড়ে ৫০ হাজার টাকাও ধরি তাহলে এক একটি পরিবার প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার সম্পদ পাচ্ছে। প্রতিটি বাড়ির নির্মাণ খরচ প্রায় ২ লাখ টাকা এবং ইউটিলিটি সংযোগ বাবদ আরো প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এই আশ্রয়ণ প্রকল্প শুরু করেন এবং পিএমও পরিচালিত এই প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬২টি ভূমহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর প্রদান করা হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৪৩৬টি ঘর রংপুর বিভাগে প্রদান করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রামে ১০ হাজার ৫৪৭টি ঘর, রাজধানী ঢাকায় ৭ হাজার ৬৩০টি ঘর, রাজশাহীতে ৭ হাজার ১৭২টি, ৩৭ হাজার ১৫৩টি বরিশালে, ৯১১টি খুলনায়, ২ হাজার ৫১২টি ময়মনসিংহে এবং ১ হাজার ৯৭৯টি ঘর সিলেট বিভাগে প্রদান করা হয়। আশ্রয়ণ প্রকল্পের তালিকানুযায়ী দেশে ভূমিহীন এবং গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি (ক-শ্রেণি)। আর শুধুমাত্র গৃহহীণ পরিবার হচ্ছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি (খ-শ্রেণি)।

আহমদ কায়কাউস বলেন, একসঙ্গে এত মানুষকে বিনামূল্যে বাড়ি-ঘর দেয়ার ঘটনা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। বিভিন্ন দেশে ভূমিহীন, গৃহহীনদের ঘর-বাড়ি নির্মাণের জন্য সুদবিহীন ঋণ দেয়ার নজির থাকলেও ভূমিহীন-গৃহহীনদের ডেকে তাদের বাড়ি-ঘর দেয়ার নজির আর নেই।



 

Show all comments
  • নোমান মাহমুদ ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৪ এএম says : 8
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • Mozammel Hossain ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৫ এএম says : 2
    ধন্যবাদ। এইটি সরকারের খুব ভাল একটা উদ্যোগ। কিন্তু ঘর গুলো যেন অারো টেকসই হয় সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    Total Reply(0) Reply
  • Khan Mohammad Samsul Haque ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৬ এএম says : 13
    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হউক ১৮ কোটি বাঙ্গালীর নয়ন মণি, মানবতার নেত্রী শেখ হাসিনার। আমি আশাবাদী,এবার মনে হয়,একখন্ড ভুমি ও ঘর আমার ভাগ্যে ও জুটবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Imam Uddin ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৬ এএম says : 16
    প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
    Total Reply(0) Reply
  • MD Ashik Hossain ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৬ এএম says : 0
    ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী কে গরিবদের তো ঘর দিলেন কিন্তু আমরা যে লেখাপড়া করে বেকার হয়ে ঘরে বসে আছি । কবে ঘরে ঘরে চাকরি দিবেন
    Total Reply(0) Reply
  • Masud Bin Amin Biplob ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৭ এএম says : 4
    বংগবন্ধু দিয়েছিলেন স্বাধীনতা আর শেখ হাসিনা দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি। জয় বাংলা
    Total Reply(0) Reply
  • Showkat Mithu ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৭ এএম says : 0
    ঘর গুলো মানসম্মত হলে ভালো হয়
    Total Reply(0) Reply
  • Mojir Uddin ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৮ এএম says : 4
    ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। ভূমিহীন দরিদ্র লোকদের আশ্রয় দেয়ার জন্য।
    Total Reply(0) Reply
  • Rajon Amin ২১ জুন, ২০২১, ৪:০৮ এএম says : 9
    জয়তু মানবতার মানসকন্যা শেখ হাসিনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Dadhack ২১ জুন, ২০২১, ১০:০৯ পিএম says : 0
    আমাদের দেশ যদি আল্লাহর আইন দিয়ে চলত তাহলে সরকারের ফরজ দায়িত্ব ছিল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা যেমন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা. সরকার জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য নিজের সব ধরনের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতো. যখন নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ও তার চার খলিফা কিভাবে দেশ শাসন করতো তার হাজারো প্রমান আছে কিছু উদাহরণ দেওয়া হল. নবীজির [SAW] কাছে সব থেকে প্রিয়তম ছিলেন তার মেয়ে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা. ঘরের সব কাজ করতে হতো. উনার কোনো কাজের লোক ছিল না. জাতা ঘুরাতে ঘুরাতে উনার হাতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল, তাই তিনি নবীজির [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর কাছে একটি কাজের লোক চেয়ে ছিলেন, কিন্তু নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে কাজের লোক দেন নাই কেননা নবীজি অগ্রধিকার দিয়েছিলেন দেশের মানুষকে. এর পরিবর্তে নবীজি [SAW] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আলী [RA] বললেন সুবহানাল্লাহ 33 বার বলবে আলহামদুলিল্লাহ তেত্রিশ বার আল্লাহু আকবার 34 বার বলবে. এই রকম উদাহরণ হাজারো দেওয়া যেতে পারে. মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন যে মাসের-পর-মাস আমাদের চুলাতে আগুন দেওয়া হয় নাই উনারা শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে থাকতেন, কারণ নবীজি যা পেতেন তা জনগণের মধ্যে বিলিবন্টন করে দিতেন, নবীজির ঘর এত ছোট ছিল যে তিনি যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পায়ে হাত দিতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা পা সরিয়ে নিতেন তখন নবী [SAW] সেজদা করতেন. আবু বকর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন, তখন তিনি সব জনসাধারণকে বেতন দিতেন সে সরকারি কাজ করুক বা না করুক খলিফা হয়েও মানুষের দুধ দিয়ে দিতেন, তিনি একজন বৃদ্ধ অসুস্থ মানুষের সব কাজ করে দিতেন. আবু বকর রাদিয়াল্লাহু মৃত্যুর আগে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন, যে তারা এক খন্ড জমি আছে, সেই জমিটা বিক্রি করে তিনি যে বেতন বায়তুলমাল থেকে নিয়েছিলেন তা যেন বায়তুল মালে জমা দেওয়া হয়. ওমর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন তখন তিনি সবার বেতন বাড়িয়ে দিলেন. বাচ্চা হলে বায়তুলমাল থেকে চাইল্ড বেনেফিত দেওয়া হতো. পেনশনের ব্যবস্থা করলেন আর ও জনগণের সেবার জন্য অসংখ্য কাজ করেছেন তার বিবরণ দিতে গেলে একটা বই হয়ে যাবে আমাদের শাসকগোষ্ঠী আমাদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকায় রাজা রানীর মত জীবন যাপন করেন অথচ দেশের কোটি কোটি মানুষ ভীষণ কষ্টে জীবন যাপন করে. যারা সত্যি কারের মানুষ তাদের মনে দয়া মায়া আছে অথচ এরা মানুষের মতো দেখতে কিন্তু এদের মনে কোনো দয়া মায়া নাই. এদের মন পাথরের থেকেও পাষাণ কথায় কথায় গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করার এদের স্বভাব কথায় কথায় মানুষকে গুম করে রিমান্ডে নিয়ে এমন ভাবে অত্যাচার করে যার ফলে তারা মারা যায় অথবা চির জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায় আমাদের কষ্টে অর্জিত taxpayer's বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করছে. এই টাকা যদি দেশে থাকত তাহলে কোন গরীব লোককে খুঁজে পাওয়া যেত না. মানুষ্ এদেশে তখন সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারত.
    Total Reply(0) Reply
  • Tareq Sabur ২১ জুন, ২০২১, ৭:৩৯ পিএম says : 0
    কিন্তু আপনার নেতৃত্বে লীগের লোকেরাতো ক্ষমতা এমনভাবে ভোগ করছে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ তাদেরকে এখন ডাকাত মনে করে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধানমন্ত্রী


আরও
আরও পড়ুন