Inqilab Logo

শুক্রবার, ০৬ আগস্ট ২০২১, ২২ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৬ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছে ১০ হাজার শ্রমিক

বেনাপোল অফিস | প্রকাশের সময় : ২২ জুন, ২০২১, ৩:৪১ পিএম

করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছে হাজার হাজার শ্রমিক। কর্মরত শ্রমিক সহ বন্দর ব্যবহারকারি প্রায় ৭ হাজার সদস্যকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা না হলে হুমকির মুখে পড়বে বেনাপোল বন্দর। বন্দরের পণ্য আমদানি রফতানির সাথে বন্দরের শ্রমিক ছাড়াও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন কাষ্টমসের কর্মকর্তা কর্মচারি, বন্দরের কর্মকর্তা কর্মচারি, সিএন্ডএফ এজেন্ট মালিক কর্মচারি, ট্রান্সপোর্ট মালিক শ্রমিক, ট্রাকের চালক ও সহকারি সহ প্রায় ৭/৮ হাজার বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ।
সরকার বছরে বেনাপোল ববন্দর থেকে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকেন। গত ১৯ জুন থেকে বেনাপোলে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণার পরও করোনা ঝুঁকি মাথায় নিয়ে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের পাশে থেকে কাজ করছে শ্রমিকসহ বন্দর ব্যবহারকারি ৫টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭ হাজার বিভিন্ন পেশার কর্মজীবি মানুষ। এতে তাদের শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ফলে বেনাপোলে আক্রান্তের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। সরকারিভাবে আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা তিন শতাধিক বলে মনে করছেন ওষুধ ব্যবসায়িদের সংগঠন। বেনাপোলে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বড়আঁচড়া, নামাজগ্রাম এবং দীঘিরপাড় এলাকা। জ্যামিতিকহারে বৃদ্ধি পাওয়া সংক্রমন এড়াতে বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকসহ আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকলকে ভ্যাকসিনের আওতায় নেয়া জরুরি বলে মনে করেন বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারি সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বেনাপোল বন্দরে দুই দেশের পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকচালক ও হেলপারদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা না থাকায় বেনাপোলে সংক্রমণ বেড়ে গেছে বলে মনে করেন সিএন্ডএফ এজেন্টের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন। তিনি বলেন, ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাক চালকরা সরাসরি প্রবেশ করছেন বেনাপোল বন্দরে। এ কারনে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর করা জরুরি।
এ ব্যাপারে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খাঁন বলেন, বেনাপোল দেশের সবচেয়ে বড় স্থল বন্দর। বন্দর ব্যবহারকারকারি সকল সদস্যকে নিরাপদ রাখতে হবে। বন্দরে পণ্য খালাশ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সকল সংগঠনের সদস্য সহ কাষ্টমস এবং বন্দরের কর্মকর্তা কর্মচারিদের শতভাগ টিকা প্রদানের আওতায় আনতে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ে এটা করা সম্ভব হলে বেনাপোল বন্দর এলাকায় করোনা সংক্রমন রোধ করা সম্ভব হবে।

বন্দরের উপ পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে করোনা ভ্যারিয়েন্ট বেড়ে যাওয়ার কারনে সম্প্রতি বেনাপোল বন্দর এলাকায় সংক্রামন একটু বেড়ে গেছে। বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারি সকলকে টিকা প্রদান করার জন্য বন্দরের চেয়ারম্যান কে অবহিত করা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন