Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

ধাতব মুদ্রা গ্রহণে ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করার দাবি

প্রকাশের সময় : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কর্পোরেট রিপোর্ট : ধাতব মুদ্রা (কয়েন) গ্রহণে ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়ার ঘটনায় সরকার, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিনির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নেতারা। পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ এ আইন মানতে ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করারও দাবি জানান তারা। সম্প্রতি সমিতির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সাধারণ সভায় এ দাবি জানানো হয়।
সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রেজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হাজী মোশাররফ হোসেন, গোলাম ফারুক তালুকদার, আবদুল কাইয়ুম জজ, আবদুল হান্নান, হাজী দুলাল, হাজি মো. কাওসার ভাÐারি প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ধাতব মুদ্রা নিয়ে তফসিলি ব্যাংকগুলোর খামখেয়ালিপনায় হাজার হাজার বেকারি মালিক এখন পথে বসার উপক্রম। এমন অনেক বেকারি মালিক রয়েছেন যাদের পুঁজির প্রায় পুরোটাই কয়েনে আটকে আছে। তিনি বলেন, তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকায় শাখাগুলো ধাতব মুদ্রা নিচ্ছে না। এমন একটি পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগ হাজার হাজার ক্ষুদ্র বেকারিকে বন্ধের হাত থেকে রক্ষা করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বেও এমন সার্কুলার দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রেজু বলেন, বেকারি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাখ লাখ মালিক-শ্রমিকের কথা মাথায় রেখে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে শ্রমঘন এ শিল্পে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে। তবে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সার্কুলারের বিষয়টি তফসিলি ব্যাংকগুলো যাতে কৌশলে এড়িয়ে যেতে না পারে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেষ্ট থাকার আহŸান জানান তিনি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ধাতব মুদ্রা গ্রহণে ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করার দাবি
আরও পড়ুন