Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৭ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

গতি নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র আতমাকা

৪০ মিলিয়ন নাগরিককে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে : এরদোগান

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ জুন, ২০২১, ১২:০১ এএম

এবার জাহাজবিধ্বংসী আতমাকা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির মধ্য দিয়ে অভ্যন্তরীণ ও দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে তুর্কি প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অর্জিত হলো। আনাদোলু এজেন্সির তথ্য মতে, পানির উপরিভাগের যুদ্ধের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুতপূর্ণ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বিদেশি উৎপাদনের উপর তুরস্কের নির্ভরশীলতা কমাবে, নৌবাহিনী নেতৃত্বের প্রয়োজন পূরণ করবে এবং দেশীয় খরচে তৈরি একটি শক্তিশালী অস্ত্রের অভাব পূরণ করবে। কাগজে কলমে আতমাকার পাল্লা ২২০ কিলোমিটার (১৩৭ মাইল) হলেও শুটিং পরীক্ষায় এটি ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। তথ্য সংযোগের মাধ্যমে এটি লক্ষ্যবস্তু হালনাগাদ করতে পারে এবং অভিযান বাতিল করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন করানো এবং অন্য লক্ষ্যবস্তুর দিকে প্রেরণ করানো সম্ভব। আতমাকা একাধিক মিসাইলকে একই সাথে মোকাবিলা করতে সক্ষম। কারণ এর নিজস্ব গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। পানির উপরিভাগ এর বিশেষ চলনক্ষমতা রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এটি ৫ মিটার (২৬ ফুট) উচ্চতায় চলে এবং ৩ মিটার (১০ ফুট) উপরে আঘাত হানে। ইতিমধ্যে আতমাকা ২০টি হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সক্ষমতার ক্রমাগত উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তুর্কি অস্ত্র নির্মাতা ‘রকেস্তান’ আতমাকার প্রশংসা করে বলেছে, আতমাকা নির্ভুল, দীর্ঘ-পাল্লার, উপরিভাগ-থেকে-উপরিভাগ , সঠিকভাবে আঘাত হানতে সক্ষম জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এটি টহলদার জাহাজ এবং ফ্রিগেট-করভেট রণতরিতে ব্যবহৃত হতে পারে। তারা আশা করছে আতমাকা মার্কিন-নির্মিত হারপুন মিসাইলকে প্রতিস্থাপিত করবে। অপরদিকে, বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত যুবাদের ভার্চুয়াল মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করেছেন তুরস্কের জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট ও প্রভাবশালী মুসলিম ব্যক্তিত্ব রজব তাইয়েব এরদোগান। রবিবার বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে দেশটির ক্ষমতাসীন দল জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) যুব শাখা ওই যুব মিলনমেলার আয়োজন করে। ৮১ জেলার মোট ৭০০ জন তুর্কী যুবকের অনলাইন উপস্থিতিতে ‘নওজোয়ানদের চমৎকার মিলনমেলা’ শিরোনামে আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এরদোগান বলেন, এ পর্যন্ত মোট ৪০ মিলিয়ন নাগরিককে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। যুবকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, করোনা মহামারীর শুরু থেকেই স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রতিটি খাতে তুরস্ক অন্যান্য দেশ থেকে একধাপ এগিয়ে। বক্তৃতাকালে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেছিলেন, যেখানে ভ্যাকসিনের নাগাল পাওয়াই দুষ্কর সেখানে দেশজুড়ে পুরোদমে ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে। সঠিক সময়ে আমাদের যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ফলে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ভ্যাকসিন কর্মসূচির বাস্তবায়ন ঘটছে। ইনশাআল্লাহ, অতিশীঘ্র আমরা এই বিপদ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবো। দেশজ করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দেশীয় ভ্যাকসিন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। দেশের ৩০ বছর বয়সী নাগরিকদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, এখন পর্যন্ত মোট ৪০ মিলিয়ন নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পরিশেষে, ৪০ মিলিয়ন নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ করে দেশের ৩০ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করাকে তিনি নিজেদের নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেন। আনাদোলু এজেন্সি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ