Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৬ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

রাজধানীতে ট্রিপল মার্ডার: ঘাতক মেহজাবিনের স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ জুন, ২০২১, ৭:৫৭ পিএম

রাজধানীর কদমতলী থানার মুরাদপুরের হাইস্কুল রোডের একটি বাসা থেকে মধ্যবয়সী এক দম্পতি ও তাদের মেয়ের লাশ উদ্ধারের মামলায় ওই দম্পতির বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

চারদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহজাবিনকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জাকির হোসাইন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২০ জুন মেহজাবিনের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২১ জুন তার স্বামী শফিকুল ইসলাম অরণ্যর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

জানা যায়, মেহজাবিনের বাবা মাসুদ রানা ২৬ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী ছিলেন। মাঝে মধ্যে তিনি দেশে আসতেন। মাসুদ রানা তার মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুনকে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেন। এরপর থেকে মেহজাবিন সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য তার মা মৌসুমী ইসলামকে বিভিন্নভাবে চাপ দিতেন। সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় মেহজাবিন ও তার স্বামী শফিকুল ছয় মাস আগে থেকে মাসুদ রানা, তার স্ত্রী মৌসুমী এবং মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম মোহনীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। মাসুদ রানা তিন মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন।

মেহজাবিন ও শফিকুল গত ১৮ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাসুদ রানার বাসায় আসেন। রাত ৯টা থেকে বিভিন্ন সময়ে চা-কফি ও পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে মাসুদ রানা, মৌসুমী ইসলাম এবং মোহনীকে তা খাওয়ানো হয়। এতে সবাই অচেতন হলে আসামিরা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে একে একে সবার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন ভাতিজি মেহজাবিন ও শফিকুলকে আসামি করে কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।



 

Show all comments
  • মোঃ+দুলাল+মিয়া ২৪ জুন, ২০২১, ৮:২৭ পিএম says : 0
    যেহেতু আসামি স্বীকার হয়ে গিয়েছে সেখানে তাদের জেলে রেখে লাভ কি,দশ পনরে বসর জেলে থাকবে পরে ফাঁসি দিবে,কি দরকার দশ পনরে বসর খাওয়া দাওয়া তাদের জন্য জেল রক্ষী দিয়ে দেখা শুনা করার,আবার তাদের বিচার দেরীতে হবে অন্য অন্য অন্যায় কারি চিন্তা করবে তিন/চার জন খুন হয়েছে তাদের কিছু হয় নাই,এই ভাবে আরো অন্যায় হতে পারে হবে,তাই দেরি না করে এদের বিচার শেষ করা উচিত। উকিল এবং বিচারকরা তাং আর তাং দিয়ে দেরি করলে অনন্যায় আরে বেড়ে যাবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: স্বীকারোক্তি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ