Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৬ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

লৌহজংয়ে রাতের আঁধারে গৃহবধূকে ধর্ষণ

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৭ জুন, ২০২১, ৮:৪৯ পিএম

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে রাতের আঁধারে এক গৃহবধূর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। গত শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কুমারভোগ ইউনিয়নের পূর্ব কুমারভোগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক আলমগীর (৩৮) উপজেলার পূর্ব কুমারভোগ গ্রামের মৃত সাত্তার শেখের পুত্র। ভিক্টিমের স্বামী বাদী হয়ে এ বিষয়ে লৌহজং থানায় রবিবার রাত ৮টার দিকে মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ ইউনিয়নের পূর্ব কুমারভোগ গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর। তার পাশের বাড়ির এক জেলের স্ত্রীকে গত শনিবার রাত ৯টার দিকে বাহির থেকে ডাক দেন। এবং বলে তার স্বামী কল দিয়েছে। তখন গৃহবধূ ঘরের দরজা খুললে আলমগীর গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করে। এবং তার কিছুক্ষণ পরে তার স্বামী বাসায় এসে দরজা খোলতে বললে তার স্ত্রী দরজা খোলে। তারপর তার স্বামীকে ঘটনা বলে। তখন সে ধর্ষক আলমগীর অনেক অনুরোধ করে এ বিষয় চেপে রাখার জন্য। এমনকি হুমকিও দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে ততক্ষণে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় ধর্ষক আলমগীর।

এলাকাবাসী জানান, এর আগেও আলমগীর এরকম অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে। এ আলমগীরের জন্য স্থানীয় মহিলারা ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। স্থানীয়রা আরও জানান এ আলমগীরের বিচারও হয়েছিলো। এলাকা ছেড়ে দেওয়ার কথাও ছিলো। তবে কিছুদিন পরে আরও সে গ্রামে চলে আসে এবং এভাবে স্থানীয়দের বিরক্ত করতে থাকে। সে সাথে অনেকে আরও অভিযোগ করে বলেন আলমগীর এ পর্যন্ত চারটি বিবাহ করেছে। ওর নেশাই মেয়েদের সাথে এরকম আচরণ করা।

স্থানীয় মনির মেম্বার জানান, খবর পেয়ে ভিক্টিমের বাসায় যাই। এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবগত করি। সে সাথে তিনি আরও বলেন, যদি এ আলমগীর ধর্ষণ করে থাকে তাহলে এর উপযুক্ত বিচারের দাবি করছি।

এ বিষয়ে লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযুক্ত আসামি ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে ভিক্টিমের স্বামী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: গৃহবধূ ধর্ষণ
আরও পড়ুন