Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৪ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

কয়লাভিত্তিক ১০ বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ জুন, ২০২১, ১২:০২ এএম

সময়মতো আসতে না পারায় কয়লাভিত্তিক ১০টি বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। গতকাল সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বাতিল করা প্রকল্পগুলো হলো- পটুয়াখালী ৬৬০*২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট, উত্তরবঙ্গ ১২০০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট, মাওয়া ৫২২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট, ঢাকা ২৮২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র, চট্টগ্রাম ২৮২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট।

খুলনা ৫৬৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহেশখালী ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট, মহেশখালী ১৩২০ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার কোল পাওয়ার প্লান্ট এবং সিপিজিসিবিএল ১২০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্ট। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সময়মতো আসতে না পারায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পাওয়ার প্লান্টগুলো বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

পাওয়ার প্লান্টগুলো বাদ দেয়ার ফলে বিদ্যুতের ঘাটতি হবে না বলে জানান নসরুল হামিদ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোনো অঞ্চলে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগবে, তার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের হাতে যে পরিমাণ পাওয়ার প্লান্ট আছে এবং আগামীতে যে পরিমাণ আমরা পাব, এতে দেখা যাচ্ছে আমাদের প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্ট আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে অতিরিক্ত থাকবে। এই পাওয়ার প্লান্টগুলো (বাদ দেয়া ১০টি পাওয়ার প্লান্ট) নিয়ে গেলে যে পরিমাণ ঘাটতি হবে, সেটা পূরণ করার জন্য আমাদের হাতে আরও ১৩ হাজার মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্ট আছে, সেটা পূরণ করে ফেলব। সুতরাং আমাদের এখানে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না।

বিদ্যুতের বিষয়ে ২০১০ সালে নেয়া মাস্টারপ্লান পর্যায়ক্রমে প্রতি ৫ বছর পর পর রিভিউ করা হয় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেড় বছর ধরে কোভিড পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন আসছে। নতুন টেকনোলজি, নতুন সম্ভাবনা এবং জ্বালানির দাম ওঠা-নামায় নতুনভাবে চিন্তা করার বিষয় চলে আসছে। সব থেকে বড় বিষয় বাংলাদেশের যে ডেভেলপমেন্ট হতে যাচ্ছে এবং যে ধারা আমরা বজায় রাখতে চায়, এ বিষয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের সর্বপ্রথম যে চালিকা শক্তিটা ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের মধ্যে কাজ করে, তা হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। একে যদি আমরা সাশ্রয়ী ও নিরবিচ্ছন্ন রাখতে চায়, তাহলে আমাদেরকে বিশ্বের জ্বালানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও টেকনোলজির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলতে হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ