Inqilab Logo

সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯ কার্তিক ১৪২৮, ১৭ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

এই করোনাকালে বাসায়ই সব নামায আদায় করছি। প্রায় সময়ে আমি এবং আমার স্ত্রী একই কক্ষে ফরজ কিংবা অন্য নামাযও আদায় করছি, ফরজ নামাযগুলি একই রুমে ও ওর মতো আর আমি আমার মতো করে আলাদাভাবে আদায় করছি। আমার প্রশ্ন হলো আমি কোনো সুরা আরাবিতে পড়তে না জানার কারণে নামাযের ঈমামতি করি না, তাতে আমি কি কোনো গুনাহগার হবো কিনা ?

ফাহিম চৌধুরী রানা
নিউ ইয়র্ক, আমেরিকা।

প্রকাশের সময় : ৩ জুলাই, ২০২১, ৬:৪৪ পিএম

উত্তর: আপনারা আলাদাভাবেই নামাজ পড়ুন। সুযোগ থাকলে কেবল ফরজটুকু স্বামী স্ত্রী জামাতে পড়তে পারতেন। এক্ষেত্রে পাশাপাশি না দাঁড়িয়ে স্ত্রী পেছনের কাতারে দাঁড়াতে হতো। ইমাম আপনাকেই হতে হতো, কেননা পুরুষের নামাজে মহিলা ইমাম হতে পারেন না। যেহেতু কেরাত শুদ্ধ হওয়া কিংবা ইমামতের পূর্ণ যোগ্যতার বিষয়ে আপনার আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে, অতএব জামাত পড়বেন না। আলাদা আলাদা উভয়ের নামাজই যে যেরকম পারেন সেরকম পড়ায় যথেষ্ট হবে। কেরাত শুদ্ধ করার বিষয়ে আপনার চেষ্টা ও নিয়ত থাকা চায়। নতুবা আপনার নিজের নামাজ নিঁখুতভাবে আদায় হওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন উঠবে।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাকাল


আরও
আরও পড়ুন

আমার বান্ধবীর ৭ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। এখনো সে তার স্বামীর সাথেই আছে। তারা এখনো কোন সন্তান নেয়নি। আমার বান্ধবীর সাথে তার স্বামীর বনিবনা হয় না। তারা অধিকাংশ সময় দূরেই থাকে। এমতাবস্থায় ওর স্বামীও ওর প্রতি সন্তুষ্ট না। মাঝে মাঝে ওদের মধ্যে যখন ঝগড়া হয় তখন ওর স্বামী ওকে তালাক দেয় কিন্তু পরবর্তীতে ওর স্বামী তালাকের কথা উচ্চারণ করার জন্য ওর কাছে মাফ চায়। কিন্তু আমার বান্ধবী ওর স্বামীর সাথে আর থাকতে চায় না। ডিভোর্স চায়। কিন্তু ওর স্বামী ডিভোর্স দেয় না। এখন আমার বান্ধবী ওর স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারবে কি?

উত্তর : আপনার বান্ধবীকে যদি তার স্বামী মৌখিকভাবে তিন তালাক দিয়ে থাকে, তাহলে তারা এখন আর স্বামী স্ত্রী নয়। এখন একসাথে বসবাস জায়েজ হচ্ছে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ