Inqilab Logo

সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ৩০ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

সিলেটে বাড়ছে প্লাজমার চাহিদা, নেই ডোনার!

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৬ জুলাই, ২০২১, ৮:১৭ পিএম | আপডেট : ৮:১৯ পিএম, ৬ জুলাই, ২০২১

করোনা রোগীদের বাঁচাতে রক্তের প্লাজমা সংগ্রহে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী তরুণ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মিলে ‘ইমার্জেন্সি প্লাজমা কালেকশন টিম’ নামে প্লাটফর্ম তৈরি করে মানবতামূলক এই কাজ করে যাচ্ছেন তারা। সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন মক্তার হুসেন মান্না নামের এক উদ্যমী তরুণ।

জানা গেছে, ‘ইমার্জেন্সি প্লাজমা কালেকশন টিম’র সদস্যরা এ পর্যন্ত ১৬০ জন করোনা রোগীকে সংগ্রহ করে দিয়েছেন প্লাজমা। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সিলেটে বেড়েছে প্লাজমার চাহিদা। প্রতিদিন ৪/৫ টি প্লাজমার তাগিদ থাকলেও ডোনার সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছে ‘ইমার্জেন্সি প্লাজমা কালেকশন টিমটি।

এ বিষয়ে টিমের সদস্যরা জানান, সচেতনতার অভাবে এবং কিছু ভুল ধারণার কারণে অনেকেই প্লাজমা দানের মতো মহৎ কাজে আসছেন না এগিয়ে। আবার কোভিড-১৯ শুরুর পর প্রথম দিকে হাসপাতাল সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদেরকে তথ্য দিলেও এখন আর তথ্য দিচ্ছে না আগের মত। ফলে মানবিক প্লাজমা সংগ্রহে বেগ পেতে হচ্ছে তাদেরকে। সদস্যরা বলেন, করোনা থেকে সুস্থ হবার ১৪ দিন পর থেকে ৩/৪ মাস পর্যন্ত কেউ চাইলে দিতে পারেন প্লাজমা। কেউ চাইলে দুর্লভ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্লাজমা দানের মতো কাজে সম্পৃক্ত হয়ে জীবন বাঁচাতে পারেন একজন মুমূর্ষু রোগীর।

‘ইমার্জেন্সি প্লাজমা কালেকশন টিম’র প্রধান সমন্বয়ক মক্তার হুসেন মান্না বলেন, মানবিক কর্মকান্ডের চিন্তাভাবনা নিয়ে প্রায় ২ শ তরুণ নিয়ে মহামারির এই সময়ে প্লাজমাসহ রক্তদান কার্যক্রম শুরু হয়। সিলেট বিভাগ জুড়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাদের। সকলের সহযোগিতা পেলে করোনা মহামারি শেষ না হওয়া অবধি তাদের কার্যক্রম চলতে থাকবে বলে আশাবাদী মক্তার হুসেন মান্না।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সিলেট


আরও
আরও পড়ুন