Inqilab Logo

শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ১৫ মাঘ ১৪২৮, ২৫ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কাবুল বিমানবন্দরের দায়িত্বে তুরস্ক

এরদোগানের আমন্ত্রণে তুরস্কে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১১ জুলাই, ২০২১, ১২:০২ এএম

প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের আমন্ত্রণে তুরস্ক গেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের এ সফরে তুরস্ক-ফিলিস্তিন সম্পর্কের সব পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে আলোচনা হবে। তুরস্কের যোগাযোগ দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মাহমুদ আব্বাসের সফরের সময় যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে তার মধ্যে রয়েছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, ফিলিস্তিনের মানবিক পরিস্থিতি এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সর্বশেষ অবস্থা। এছাড়া ফিলিস্তিনের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন নিয়েও আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনের বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন নিয়েও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করবেন মাহমুদ আব্বাস। অপরদিকে, আফগানিস্তান থেকে ন্যাটো বাহিনীর প্রস্থানের পর রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার ব্যাপারে তার দেশের সঙ্গে মার্কিন সরকারের সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। তিনি আরো বলেছেন, তুর্কি সেনারা কীভাবে এই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করবে তার ‘সবদিক’ সম্পর্কে বিস্তারিত চুক্তি হয়েছে। ৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার আগেই কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছে তুরস্ক। এর মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছেন, “বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার আমেরিকা ও তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে কথা হয়েছে এবং সেখানে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, আমরা কতটুকু দায়িত্ব গ্রহণ করব এবং কতটুকু করতে পারব না। ” এর আগে গত মাসে ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান তার মার্কিন সমকক্ষ জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেন। ওই সাক্ষাতে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয় তুরস্ক এবং এজন্য এরদোগানকে ধন্যবাদ জানান বাইডেন। আফগানিস্তানে কর্মরত পশ্চিমা ক‚টনীতিক ও কর্মীদেরকে নিরাপদে দেশটি থেকে বের করে নেয়ার প্রধান রুট হচ্ছে কাবুল বিমানবন্দর। ন্যাটো ও মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার করে নেয়া হলে তালেবানের হাতে বিমানবন্দরটির পতন হতে পারে ভেবে ওয়াশিংটন শঙ্কিত এবং এ কারণে এটির নিরাপত্তা রক্ষার ওপর বাইডেন প্রশাসন ব্যাপক জোর দিচ্ছে। ২০০১ সালে ইঙ্গো-মার্কিন হামলায় তালেবান সরকারের পতন হওয়ার পর ন্যাটো জোটের অধীনে আফগানিস্তানে কয়েকশ’ সেনা মোতায়েন করে তুরস্ক। তখন থেকে গত ২০ বছর আফগানিস্তানে শত শত তুর্কি সেনা মোতায়েন ছিল। আনাদোলু।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: তুরস্ক


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ