Inqilab Logo

শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৮ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাটে পশুবাহী ও পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি

পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে আটকে আছে ছোটবড় ৫শতাধিক ট্রাক

মাদারীপুর থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৬ জুলাই, ২০২১, ৭:০৯ পিএম

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শত শত কোরবানির পশুবাহী ও পণ্যবাহী ট্রাক। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে ঘাট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ট্রাকগুলো। ফেরিতে কম সংখ্যক পশুবাহী ট্রাক উঠিয়ে বেশির ভাগই ব্যক্তিগত গাড়ি পারাপার হচ্ছে ঘাটটিতে এমন অভিযোগ গরু ব্যবসায়ীদের। এদিকে ঘন্টার পর ঘন্টা তীব্র রোদ ও গরমে গরুগুলো অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে।

বাংলাবাজার ঘাটের স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পশুবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় বাংলাবাজার ঘাটে আসে। অগ্রাধিকার থাকলেও কর্তৃপক্ষ পশুবাহী ট্রাকগুলো কম পারাপার করছে। এদিকে তীব্র রোদ ও গরমে গরুগুলো অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। ট্রাকে তাম্বুরা টাঙ্গিয়ে পাখা দিয়ে বাতাস করে ও পশুর মাথায় পানি ঢেলেও কাজ হচ্ছে না।

এছাড়া ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড় রয়েছে ঘাটটিতে। ফেরিঘাটে অ্যাম্বুলেন্সসহ ঢাকাগামী ছোট যানবাহনের ভিড় রয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে বরাবরের মতোই উদাসীন ছিলো কোরবানির গরু ব্যবসায়ী সহ ঘাট পারাপারের সাধারণ যাত্রীরা।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, শুক্রবার (১৬ ই জুলাই) সকাল থেকে নৌরুটে চারটি রো রো ফেরিসহ ১২টি ফেরি চলাচল করে। লকডাউন শিথিলের ঘোষণা আসার পর থেকেই ঘাটে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের চাপ শুরু হয়। পাশাপাশি কাঁচা মালামাল সহ অন্যান্য পরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির এবং ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রী চাপও রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঘাটে পশুবাহী ট্রাক, কাঁচা মালামাল, এম্বুলেন্স ও লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্স আগে পারাপার করা হচ্ছে। তবে গত কয়েক দিন ধরে নৌরুটের পদ্মা নদীতে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। বাংলা বাজার ঘাট নিয়ন্ত্রণে সকাল থেকেই মাঠে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন । স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে পদ্মা পার হতে দেড় ঘণ্টা বেশি লাগছে। এতে করে কমেছে ফেরির ট্রিপ। তবে ঘাট কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের সামনে কোন কথা বলতে রাজি হননি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শিমুলিয়া ফেরিঘাট


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ