Inqilab Logo

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৬ কার্তিক ১৪২৮, ১৪ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

শিমুলিয়ায় ঘাটে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ঢল

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৯ জুলাই, ২০২১, ২:১৫ পিএম

ঈদুল আজাহার বাকি মাত্র ১দিন। তাই নাড়ির টানে বাড়ি যেতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। ঘাটে শৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

সোমবার ১৯ জুলাই সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে লঞ্চ ও ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। এসব সাধারণ যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সড়কে নেমেছে অতিরিক্ত মযানবাহন। ফেরিঘাটে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। আর লঞ্চঘাটে দেখা গেছে যাত্রীদের ভিড়। তবে সকাল থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত চাপ দেখা গেছে। অন্যদিকে, লঞ্চঘাটে সকাল থেকেই ছিল যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। ঈদযাত্রায় ঘাট এলাকায় কোনও স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই দেখা যায়নি। অর্ধেক যাত্রী ধারণের কথা থাকলেও আজও অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো চলাচল করছে। লঞ্চে বাড়িতি যাত্রীর চাপে অনেক যাত্রী ফেরিতে নদী পাড়ি দিচ্ছে। এদিকে পদ্মার তীব্র স্রোত, গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বাড়ায় ফেরিতে যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় অবস্থান করছে শতশত ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাক। এছাড়া ঘাটের অভিমুখ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শতশত পণ্যবাহী ট্রাক। পন্যবাহী ট্রাক চালকরা জানান, ২/৩ দিন ধরে পারাপারে জন্য সড়কে অপেক্ষায় আটকে আছে,চালকরা আরো জানান, দুই দিন যাবত ঢাকা-মাওয়া আটকে থাকায় খাবারের কষ্ট হচ্ছে এই এলাকায় খাবারের হোটেল নেই, খাওয়ার কষ্ট ও গোছল এবং পায়খানা প্রস্রাবে সমস্যা হচ্ছে রাতে-দিতে ঘুমের সমস্যা হচ্ছে। ট্রাক ড্রাইভার রমজান আলী জানান, ঢাকা আসছি মাদারীপুর যাবো আজ ২দিন হয় সড়কে বসে আছি পুলিশ আমাদের যেতে দিচ্ছে না এখানে খাওয়ার হোটেল নেই পায়খানা প্রস্রাবের জায়গা নেই গোছল নেই ২দিন হয় ঘুমাতে পারছি না।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানান, যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে নৌরুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি ও ৮৩টি লঞ্চ সচল রয়েছে।
এবিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডাব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, বর্তমানে নৌরুটে ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য যাত্রী ও পণ্যবাহী মিলিয়ে চার শতাধিক যানবাহন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব যানবাহন পারাপার করা হবে। তবে পশুবাহী ট্রাক পারাপারে অগ্রাধিকার থাকছে বলে জানান তিনি।
লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসাইন জানান, ঘাটে ঈদ যাত্রীদের যাত্রীদের চাপ অনেক। যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে ও লঞ্চে নির্ধারিত যাত্রী তোলার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. হাফিজুল ইসলাম জানান, সড়কে ও ঘাটে চার শতাধিক ছোট বড় ও পন্যবাহী যানবাহন পারাপারে অপেক্ষায় আছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মানুষের ঢল
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ