Inqilab Logo

শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২ আশ্বিন ১৪২৮, ০৯ সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

পথশিশুদের সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে

মো. আসাদুজ্জমান | প্রকাশের সময় : ২৫ জুলাই, ২০২১, ১২:০২ এএম

দেশে দেশে দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শহর ছেড়ে গ্রামে এখন করোনার সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। সাধারণ মানুষের ভেতর সংক্রমণের ঊর্ধ্বগামী গ্রাফ আতংক তৈরি করেছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে প্রতিনিয়ত নির্দেশনা-প্রজ্ঞাপন জারি করে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে। ঈদের পর শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন। মহামারীর এই দুর্যোগকালীন সময়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ঝুঁকিও মানুষকে অস্থির করে তুলেছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সরকার সকল পর্যায়ের শ্রেণি-পেশার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বদ্ধপরিকর এবং জরুরি খাদ্য সরবরাহের জন্য হটলাইন সেবা চালু করেছে। অথচ, সমাজের ছিন্নমূল ও পথশিশুদের নিয়ে করোনাকালীন সময়ে এখন পর্যন্ত আলাদা কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।

শহরের জীবনযাত্রায় ছিন্নমূল পথশিশুরাও অংশ। করোনার সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এই পথচারী শিশুরা। স্বাভাবিক জীবনধারা চলাকালীন সময়ে তাদের রুটি-রোজগারের ব্যবস্থা হয়ে গেলেও লকডাউনে তাদের ক্ষতি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। তাদের কর্মসংস্থান হোটেল, রেস্তোরাঁ, কারখানা, কুলি, মজুরী সব বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে তারা কর্মহীন অথচ ক্ষুধার্ত জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছে।

Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS) ২০০৪ সালে পথশিশুদের উপর জরিপ পরিচালনা করে। তার রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বাংলাদেশে ১৩ লাখ পথশিশু রয়েছে। পরবর্তীতে সরকারের উদ্যোগ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও আশ্রয়কেন্দ্র বানানো হয়। তারপরও ২০১৪ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৯ লাখে। ২০২০ সাল থেকে অব্যাহত করোনা সংক্রমণ লকডাউন দেওয়ার ফলে এখন আনুমানিক ১০ লাখ পথশিশু রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বিপুলসংখ্যক পথ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে সবচেয়ে বেশি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের গবেষনায় বলা হয়েছে, দেশের শতকরা ৪১ ভাগ পথশিশুর ঘুমানোর জায়গা নেই। ৪০ ভাগ পথশিশু প্রতিদিন গোসল করতে পারে না। ৩৫ ভাগ পথশিশু খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করে। ৮০ ভাগ পথশিশুর শীতবস্ত্র নেই। অথচ করোনা প্রতিরোধে নয় বরং এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ফলে তারা করোনার বাহক হয়ে যাচ্ছে। তার উপর সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হল, ৭৫ ভাগ পথশিশু অসুস্থ্য হলে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ পায় না। ফলে তাদের কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। ২০২০ সালের করোনাকালীন পথশিশুদের নিয়ে কর্মরত ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোর নেটওয়ার্ক Speed Children Activities Network (SCAP) জরিপ চালায়। সেই জরিপে করোনাকালীন পথশিশুদের স্বাস্থ্য অধিকার নিয়ে ভয়াল চিত্র ফুটে ওঠে। জরিপে দেখা যায়, করোনা ভাইরাস বিষয়ে তাদের কোন ধারণা নেই। এছাড়া কর্মসংস্থান হারিয়ে তারা অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। তাদের অসচেতনতা সকল পর্যায়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

পথশিশুদের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর। কিন্তু এই করোনাকালীন সময়ে বিশাল সংখ্যক পথশিশুর স্বাস্থ্যসুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল সুবিধা, খাদ্যের নিশ্চয়তা, নিরাপদ আশ্রয়, সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা নিয়ে এখনো কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ১৯৮৮ সালে গঠিত শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পথশিশুদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের জন্য ২০৫টি শিশুকল্যাণ বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি মিড ডে মিলের কার্যক্রম চালু করেছিল যেখানে মাত্র ৩২১৫০ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করেছিল। অথচ পথশিশুদের একটা বৃহৎ অংশ এই লেখাপড়া কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত আছে। বর্তমান সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় মিড ডে মিল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তাই স্কুলগামী পথশিশুরা অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

সম্প্রতি করোনাকালীন সময়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় অনলাইন সভায় পথশিশুদের পুনর্বাসন করার উদ্যোগ গ্রহণে ১০টি সুপারিশ প্রদান করে, যা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। মহামারি এসময়ে পথশিশুরা মূলত বেকার হয়ে পড়েছে। তাদের চেনা জীবন ও জগৎ হঠাৎ পরিবর্তিত হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে করোনা নিয়ে পথশিশুদের সচেতন করার কোনো কার্যক্রম নেই। তাদের খাবার কেনার অর্থ নেই, সর্দি-জ্বর হলেও বুঝতে পারছে না করোনা হয়েছে কিনা, পরীক্ষা করার জন্য হাসপাতাল সুবিধা ও সেবা নিতে পারছে না। এছাড়া পথশিশুদের জন্য আলাদা কোনো চিকিৎসার উদ্যোগ নেই। তারা সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া বঞ্চিত হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর বা নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয় পথশিশুদের আক্রান্ত হওয়ার কোনো তথ্য রাখেনি। এছাড়া কোনো পথশিশু করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে কিনা এরকম তথ্যও তাদের কাছে নেই।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এই ১০ লাখ পথশিশুর মহামারিতে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে। পথশিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যরা কাজ হারিয়ে বেকার দূর্বিষহ জীবনযাপন করছে। অনেক পথশিশু পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তারা দলবদ্ধভাবে খোলা রাস্তা, বাস স্ট্যান্ড, রেলওয়ে স্টেশন, খোলা জায়গায় ঘুমাচ্ছে। কেউ করোনা আক্রান্ত হলেও বুঝতে পারছে না। ক্ষুধার্ত হয়ে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাবারের সন্ধানে বের হচ্ছে। কিন্তু করোনার ভয়ে কেউ এসব শিশুকে খাবার দিতে আগ্রহী নয়। যেসব সামাজিক সংগঠন করোনাকালীন সময়ে বিভিন্নভাবে সাহায্য প্রদান করছে তার ভাগও পথশিশুরা পাচ্ছে না।

অথচ আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালের ২২ জুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘জাতীয় শিশু আইন-১৯৭৪’ প্রণয়ন করেন। বর্তমান ২০১৮ সালে এই আইন সংশোধিত করেছে বর্তমান সরকার। এই আইনে বঙ্গবন্ধু শিশুর নিরাপত্তা অধিকার নিশ্চিত করার বিধান রেখেছিলেন।আন্তর্জাতিক দলিলপত্র অনুযায়ীও সরকার শিশুদের নিরাপত্তা বিধান করতে বাধ্য। বাংলাদেশ Universal Declaration of Human Rights (UDHR) মেনে চলে। টউঐজ এর অনুচ্ছেদ ২২-এ সমাজের প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। আবার অনুচ্ছেদ ২৫-এ সবার জন্য খাদ্য, বস্ত্র,বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। এসব সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত অধিকারের প্রতিফলন আমরা আমাদের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে দেখতে পাই।

বাংলাদেশ জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের মত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিলে স্বাক্ষরকারী দেশ। এই সনদের ১৯ ধারা মতে, শিশুদের যেকোনো ধরনের অনাচারের কবল থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তাই বাংলাদেশ সরকার পথশিশুদের কল্যাণে যথাসম্ভব উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রদানে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের নিকট দায়বদ্ধ। ইতিমধ্যে শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় শিশু উন্নয়ন ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ক Service For Children Risk( SCAR) প্রকল্প গ্রহণ করেছে। পথশিশুদের কল্যাণে এইসব প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
এই মহামারির সময়ে সরকার নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও এবং ব্যক্তি সমন্বয়ে পথশিশুদের সুরক্ষা প্রদানের কার্যকর রূপরেখা ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারে। যেহেতু শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তাই পথশিশুদের সুরক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুরু করতে হবে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পথশিশুদের সংখ্যা নিরূপণ, তাদের নিরাপদ খাদ্যের ব্যবস্থা করা, সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার সুযোগ প্রদান, আক্রান্তদের জন্য আলাদা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার নির্মান, ঔষধ ও সেবার ব্যবস্থা, টিকাদান কার্যক্রম চালানো উচিত। স্কুলগামী পথশিশুদের শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত রাখার মাধ্যমে শিশু শ্রম লাঘব করতে হবে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ে পথশিশুদের সুরক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য উৎসাহ প্রদান করা উচিত। করোনাকালীন সময়ে তারা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে, নিয়মিত গোসল, সাবান ব্যবহার, টয়লেট ব্যবহার করে সে ব্যাপারে সচেতন হয় সে ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত। যেহেতু মহামারি করোনা একটা সংক্রামক ব্যাধি তাই সবাইকে ঝুঁকিমুক্ত রাখার মাধ্যমেই আমরা করোনা প্রতিরোধে সক্ষম হব। আর পথশিশুরা যেহেতু সর্বত্র যায় তাই তাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা করি।
লেখক: লেকচারার, আইন ও ডিসিপ্লিন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা



 

Show all comments
  • Dadhack ২৫ জুলাই, ২০২১, ৫:৫২ পিএম says : 0
    আমাদের দেশ যদি আল্লাহর আইন দিয়ে শাসন করা হতো তবে একটা পথশিশু থাকত না.... আমাদের দেশ যদি আল্লাহর আইন দিয়ে চলত তাহলে সরকারের ফরজ দায়িত্ব ছিল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা যেমন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা. সরকার জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য নিজের সব ধরনের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতো. যখন নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ও তার চার খলিফা কিভাবে দেশ শাসন করতো তার হাজারো প্রমান আছে কিছু উদাহরণ দেওয়া হল. নবীজির [SAW] কাছে সব থেকে প্রিয়তম ছিলেন তার মেয়ে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা. ঘরের সব কাজ করতে হতো. উনার কোনো কাজের লোক ছিল না. জাতা ঘুরাতে ঘুরাতে উনার হাতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল, তাই তিনি নবীজির [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর কাছে একটি কাজের লোক চেয়ে ছিলেন, কিন্তু নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে কাজের লোক দেন নাই কেননা নবীজি অগ্রধিকার দিয়েছিলেন দেশের মানুষকে. এর পরিবর্তে নবীজি [SAW] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আলী [RA] বললেন সুবহানাল্লাহ 33 বার বলবে আলহামদুলিল্লাহ তেত্রিশ বার আল্লাহু আকবার 34 বার বলবে. এই রকম উদাহরণ হাজারো দেওয়া যেতে পারে. মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন যে মাসের-পর-মাস আমাদের চুলাতে আগুন দেওয়া হয় নাই উনারা শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে থাকতেন, কারণ নবীজি যা পেতেন তা জনগণের মধ্যে বিলিবন্টন করে দিতেন, নবীজির ঘর এত ছোট ছিল যে তিনি যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পায়ে হাত দিতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা পা সরিয়ে নিতেন তখন নবী [SAW] সেজদা করতেন. আবু বকর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন, তখন তিনি সব জনসাধারণকে বেতন দিতেন সে সরকারি কাজ করুক বা না করুক খলিফা হয়েও মানুষের দুধ দিয়ে দিতেন, তিনি একজন বৃদ্ধ অসুস্থ মানুষের সব কাজ করে দিতেন. আবু বকর রাদিয়াল্লাহু মৃত্যুর আগে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন, যে তারা এক খন্ড জমি আছে, সেই জমিটা বিক্রি করে তিনি যে বেতন বায়তুলমাল থেকে নিয়েছিলেন তা যেন বায়তুল মালে জমা দেওয়া হয়. ওমর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন তখন তিনি সবার বেতন বাড়িয়ে দিলেন. বাচ্চা হলে বায়তুলমাল থেকে চাইল্ড বেনেফিত দেওয়া হতো. পেনশনের ব্যবস্থা করলেন আর ও জনগণের সেবার জন্য অসংখ্য কাজ করেছেন তার বিবরণ দিতে গেলে একটা বই হয়ে যাবে আমাদের শাসকগোষ্ঠী আমাদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকায় রাজা রানীর মত জীবন যাপন করেন অথচ দেশের কোটি কোটি মানুষ ভীষণ কষ্টে জীবন যাপন করে. যারা সত্যি কারের মানুষ তাদের মনে দয়া মায়া আছে অথচ এরা মানুষের মতো দেখতে কিন্তু এদের মনে কোনো দয়া মায়া নাই. এদের মন পাথরের থেকেও পাষাণ কথায় কথায় গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করার এদের স্বভাব কথায় কথায় মানুষকে গুম করে রিমান্ডে নিয়ে এমন ভাবে অত্যাচার করে যার ফলে তারা মারা যায় অথবা চির জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায় আমাদের কষ্টে অর্জিত taxpayer's বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করছে. এই টাকা যদি দেশে থাকত তাহলে কোন গরীব লোককে খুঁজে পাওয়া যেত না. মানুষ্ এদেশে তখন সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারত.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পথশিশু

২ অক্টোবর, ২০২০
১০ অক্টোবর, ২০১৮
৩ অক্টোবর, ২০১৬
৫ জুলাই, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন