Inqilab Logo

শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৩ মুহাররম ১৪৪৪
শিরোনাম

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার : জি এম কাদের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৫ জুলাই, ২০২১, ৪:৫৮ পিএম

করোনা মহামারিতে কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। তিনি বলেছেন, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তালিকা তৈরি করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

রোববার (২৫ জুলাই) দুপুরে জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালীর পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলেন জিএম কাদের। জাপা চেয়ারম্যান বলেন, পিপিআরসি ও ব্র্যাকের সাম্প্রতিক গবেষণা জরিপ বলছে, করোনায় এক বছরে দেশের প্রায় ১৫ শতাংশ মানুষের জীবনমান নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। সংখ্যায় তা প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ। আর আগে থেকে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন আরও কয়েক কোটি মানুষ। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সে সংখ্যাও সাড়ে তিন কোটির কম নয়। এ প্রেক্ষিতে যথাযথ তালিকা করে দরিদ্রদের মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলমান বিধিনিষেধে দারিদ্র্য হার আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দারিদ্র্য হার বাড়ার প্রধান কারণ মানুষের কর্মহীনতা ও আয় কমে যাওয়া। বিধিনিষেধের কারণে এসব পরিবারের সদস্যরা কাজের জন্য বের হতে পারছে না। দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের পরিবারে মজুদ থাকে না খাবার। আবার দরিদ্র পরিবারের অনেকের প্রয়োজন জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। শিশু খাদ্য প্রয়োজন অনেক পরিবারে। এমন অবস্থায় মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে কর্মহীনদের পরিবারে।

 



 

Show all comments
  • Dadhack ২৫ জুলাই, ২০২১, ৫:৫০ পিএম says : 0
    আল্লাহ মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে বানিয়েছেন সবাইকে সম্মান দিয়েছে. আজকে আমাদের দেশ যদি আল্লাহর আইন দিয়ে চলত তাহলে সবাই সম্মানের সাথে এদেশে বসবাস করতে পারত. সবাই দিনে মাংস দুধ ডিম মাছ ফলমূল খেতে পারতো এবং বিল্ডিংয়ে বসবাস করতে পারতো. আমাদের দেশ যদি আল্লাহর আইন দিয়ে চলত তাহলে সরকারের ফরজ দায়িত্ব ছিল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা যেমন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা. সরকার জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য নিজের সব ধরনের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতো. যখন নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ও তার চার খলিফা কিভাবে দেশ শাসন করতো তার হাজারো প্রমান আছে কিছু উদাহরণ দেওয়া হল. নবীজির [SAW] কাছে সব থেকে প্রিয়তম ছিলেন তার মেয়ে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা. ঘরের সব কাজ করতে হতো. উনার কোনো কাজের লোক ছিল না. জাতা ঘুরাতে ঘুরাতে উনার হাতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল, তাই তিনি নবীজির [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর কাছে একটি কাজের লোক চেয়ে ছিলেন, কিন্তু নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে কাজের লোক দেন নাই কেননা নবীজি অগ্রধিকার দিয়েছিলেন দেশের মানুষকে. এর পরিবর্তে নবীজি [SAW] ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আলী [RA] বললেন সুবহানাল্লাহ 33 বার বলবে আলহামদুলিল্লাহ তেত্রিশ বার আল্লাহু আকবার 34 বার বলবে. এই রকম উদাহরণ হাজারো দেওয়া যেতে পারে. মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন যে মাসের-পর-মাস আমাদের চুলাতে আগুন দেওয়া হয় নাই উনারা শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে থাকতেন, কারণ নবীজি যা পেতেন তা জনগণের মধ্যে বিলিবন্টন করে দিতেন, নবীজির ঘর এত ছোট ছিল যে তিনি যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পায়ে হাত দিতেন তখন মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা পা সরিয়ে নিতেন তখন নবী [SAW] সেজদা করতেন. আবু বকর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন, তখন তিনি সব জনসাধারণকে বেতন দিতেন সে সরকারি কাজ করুক বা না করুক খলিফা হয়েও মানুষের দুধ দিয়ে দিতেন, তিনি একজন বৃদ্ধ অসুস্থ মানুষের সব কাজ করে দিতেন. আবু বকর রাদিয়াল্লাহু মৃত্যুর আগে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন, যে তারা এক খন্ড জমি আছে, সেই জমিটা বিক্রি করে তিনি যে বেতন বায়তুলমাল থেকে নিয়েছিলেন তা যেন বায়তুল মালে জমা দেওয়া হয়. ওমর রাদিয়াল্লাহু যখন খলিফা হলেন তখন তিনি সবার বেতন বাড়িয়ে দিলেন. বাচ্চা হলে বায়তুলমাল থেকে চাইল্ড বেনেফিত দেওয়া হতো. পেনশনের ব্যবস্থা করলেন আর ও জনগণের সেবার জন্য অসংখ্য কাজ করেছেন তার বিবরণ দিতে গেলে একটা বই হয়ে যাবে আমাদের শাসকগোষ্ঠী আমাদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকায় রাজা রানীর মত জীবন যাপন করেন অথচ দেশের কোটি কোটি মানুষ ভীষণ কষ্টে জীবন যাপন করে. যারা সত্যি কারের মানুষ তাদের মনে দয়া মায়া আছে অথচ এরা মানুষের মতো দেখতে কিন্তু এদের মনে কোনো দয়া মায়া নাই. এদের মন পাথরের থেকেও পাষাণ কথায় কথায় গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করার এদের স্বভাব কথায় কথায় মানুষকে গুম করে রিমান্ডে নিয়ে এমন ভাবে অত্যাচার করে যার ফলে তারা মারা যায় অথবা চির জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায় আমাদের কষ্টে অর্জিত taxpayer's বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করছে. এই টাকা যদি দেশে থাকত তাহলে কোন গরীব লোককে খুঁজে পাওয়া যেত না. মানুষ্ এদেশে তখন সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারত.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জি এম কাদের

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ