Inqilab Logo

শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২ আশ্বিন ১৪২৮, ০৯ সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

ফজর, মাগরিব ও ইশার নামাজ মসজিদে জামায়াত না পেলে একাকি পড়ার সময় কেরাত আস্তে পড়বো না জোরে? তেমনিভাবে এই নামাজগুলো কাযা পড়ার সময় কেরাত কীভাবে পড়বো, আস্তে না জোরে?

ইউনুস
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ২৬ জুলাই, ২০২১, ৭:৩০ পিএম

উত্তর : জামাত ছাড়া সব নামাজই আস্তে কেরাত পড়তে হবে। একা কোনো নামাজে জোরে কেরাত নেই।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • AhMeD ShaHjaHaN ২৬ জুলাই, ২০২১, ৭:৫৬ পিএম says : 0
    ইমাম সাহেব সাথে যখন নামজ পড়ি,ইমাম সাহেব দুই রাখাত নামাজ সুরা যুরে পরে তারপর যে রাকাত গুলা পরে থাকেন, সুরা যুরে পরেন না,সুরা গুলা আমরা পরতে হবে নি
    Total Reply(2) Reply
    • Ferdous Shanchoy ২৭ জুলাই, ২০২১, ১০:৩৫ পিএম says : 0
      না ভাই। আপনি জামাতে কিছুই পড়বেন না। ইমামের জোরে সূরা পড়াকালীন যেমন কিছুই পড়বেন না, আস্তে বা নিঃশব্দে পড়াকালীনও কিছুই পড়বেন না। সূরা ফাতিহার বিষয়ে দুই রকম মতবাদ আছে। কেউ বলেন মুক্তাদি ইমামের সাথে ফাতিহা পড়বে, আবার কেউ বলেন পড়বে না। বিজ্ঞ আলেমগণ উভয়টিই সঠিক বলেছেন।
    • ২৮ জুলাই, ২০২১, ৬:৫৯ পিএম says : 0

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মসজিদ


আরও
আরও পড়ুন

আমাদের দেশে কৃষি জমিতে ফসল তোলার পরে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যখন জমিনগুলো কিছুদিনের জন্য খালি থাকে। আর ওই সময় জমিনগুলোতে কিছু আগাছা জন্মে, মাছ জন্মে এবং শামুক বা অন্যান্য জানা অজানা অনেক প্রানী জন্মে। যেগুলো সাধারণত গরু ছাগলের বা হাঁসের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা করা যায়, এই সময়ে যদি কোনো বানিজ্যিক হাঁসের খামারের মালিক ওইসব জমিনের মালিকের অনুমতি ব্যতীত তার হাঁসগুলোকে ওই জমিনে ছেড়ে দেয়, যেন হাঁসগুলো বাড়তি খাবার সংগ্রহ করতে পারে, যাতে তার খামারের খরচ কম হয়, লাভ্যাংশ বাড়ে। এটাকি ওই হাঁসের খামারের মালিকের জন্যে হালাল হবে?

উত্তর : যদি জমির মালিক এতে সম্মত না থাকে, তাহলে কারো পক্ষেই এই জমি ব্যবহার বা এর থেকে কোনোরকম উপকৃত হওয়া জায়েজ নেই। এভাবে উপকৃত

আমি গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি করি। এই আয়ের ওপর আমার পরিবারের আটজন সদস্য নির্ভরশীল। সুদী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার কোনো ইচ্ছা নেই। ছোটবেলা থেকেই ইসলামের নিয়ম কানুন মেনে চলি। আমি অনেক চেষ্টা করেও অন্য কোনো চাকরি পাইনি। এখনো আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করছি একটা হালাল আয়ের জন্য। আমার বয়স ৩৭ বছর। এম এ পাশ করেছি। ব্যবসা করার মতো পুজি নেই। আমি এখন কি করব? আমার ইবাদত কি আল্লাহর কাছে কবুল হবে? পরিবারের কথা চিন্তা করে চাকরি ছাড়তেও পারছিনা।

উত্তর : সুদনির্ভর প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ও সুদ সংশ্লিষ্ট কাজ ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ শ্রম, যেমন ড্রাইভার, মালি, ক্লিনার, ইঞ্জিনিয়ার, শ্রমিক প্রভৃতি ব্যক্তির উপার্জন হালাল হতে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ