Inqilab Logo

সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মুহাররম ১৪৪৪

এডি সিরিঞ্জের বিশ্ববাজারের শীর্ষ তালিকায় জেএমআই, পূবালী ব্যাংকের শুভেচ্ছা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৩১ জুলাই, ২০২১, ৭:৩৫ পিএম

অটো ডিজেবল (এডি) সিরিঞ্জের বৈশ্বিক বাজারে আধিপত্যকারী কোম্পানির তালিকায় জেএমআই গ্রুপের নাম উঠে আসায় প্রতিষ্ঠানটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে পূবালী ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষ্যে বুধবার (২৮ জুলাই) পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিউল আলম খান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক শুভেচ্ছাপত্র জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক-এর হাতে তুলে দেন পূবালী ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক কানিজ ফারহানা ইয়াসমিন।

শুভেচ্ছাপত্রে শফিউল আলম খান চৌধুরী লিখেন, এডি সিরিঞ্জের বিশ্ববাজারের শীর্ষ তালিকায় জেএমআই সিরিঞ্জের নাম উঠে আসার বিষয়টি পূবালী ব্যাংকের জন্য আনন্দের খবর। জেএমআই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রাজ্জাকের ব্যবস্থাপনা দক্ষতায় এটি সম্ভব হয়েছে বলে মনে করে পূবালী ব্যাংক। জেএমআই গ্রুপে বিনিয়োগ থাকার কথা জানিয়ে পূবালী ব্যাংকের প্রশংসাপত্রে ভবিষ্যতে জেএমআই গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কামনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মাসে (জুনে) বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মার্কেটস অ্যান্ড রিসার্চ ডট বিজ প্রকাশিত এক গবেষণায় জানানো হয়, ২০২০ সালের গ্লোবাল অটো ডিজেবল (এডি) সিরিঞ্জ ইনজেক্টর বাজারে আধিপত্যকারী কোম্পানির তালিকায় নাম রয়েছে জেএমআই গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইসেস লিমিটেড-এর। এছাড়া চলতি বছরের মার্চে নিউ ইয়র্ক রির্পোটসের এক প্রতিবেদনেও গ্লোবাল মার্কেট লিডারদের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত এডি সিরিঞ্জ।

জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান জাবেদ ইকবাল পাঠানের উপস্থিতিতে শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক এহসানুল হক, জেএমআই গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আহমেদ ও মো. তানভীর হোসাইন এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

জেএমআই গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অটো ডিজেবেল সিরিঞ্জ বা এডি সিরিঞ্জ মূলত টিকাদানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। গত ২১ বছর ধরে দেশে সাশ্রয়ীমূল্যে এডি সিরিঞ্জ উৎপাদন করছে জেএমআই। এডি সিরিঞ্জ উৎপাদনকারী দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান এটি। জেএমআইয়ের কারখানায় উৎপাদিত এডি সিরিঞ্জ দিয়েই দেশে চলমান করোনা ও ইপিআই টিকাদান কর্মসূচি চলছে।

শিশুদের টিকাদান কর্মসূচীতে জাতীয় সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভ্যাকসিন হিরো সম্মাননায় ভূষিত করেছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি)। এ সাফল্যেরও অংশীদার জেএমআই গ্রুপ। ২০০৬ সাল থেকে জেএমআই সিরিঞ্জ দেশের টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয়। বিগত ১৫ বছর ধরে দেশে এক দিন থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদানে শতভাগ জেএমআই এডি সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হচ্ছে।

দেশে চলমান করোনাভাইরাস প্রতিরোধী গণটিকাদান কর্মসূচিতেও শতভাগ সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে জেএমআই গ্রুপ। পাশাপাশি করোনার টিকাদানের জন্য জেএমআইয়ের সিরিঞ্জ রপ্তানি হয়েছে ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, নেপালসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এছাড়াও চলতি বছরের মার্চ থেকে শুরু করে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি সময়ের মধ্যে জেএমআই গ্রুপের কাছ থেকে প্রায় ৮ কোটি পিস সিরিঞ্জ কেনার চাহিদাপত্র দিয়েছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

ব্যাংকগুলোর দ্রুত রফতানি আয় নগদায়নের নির্দেশ

খোলাবাজারে ডলারের দাম যখন সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় ঠেকেছে। তখন সংকটে লাগামহীন বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে রোববার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ব্যাংক প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে বৈঠকে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠকে চলমান সংকট নিরসনে ব্যাংক প্রধানদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দিক নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সভাশেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় শিগগিরই ডলারের বাজারে স্বস্তি ফিরবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোকে রফতানি আয়ের দ্রুত নগদ আদায়ের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।   গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কি দামে ডলার বেচাকেনা করছে, তার রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে দেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলার কথা জানান ব্যাংকাররা।   এ দিকে রোববার (১৪ আগস্ট) খোলাবাজারে ডলারের দাম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমানে কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকায়। মতিঝিলের কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে তারা ১১০ থেকে ১১১ টাকা দরে ডলার কিনছে এবং বিক্রি করছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকা দরে। তবে ডলার ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমায় বলা যাবে না বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। যতদিন না টাকার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়ছে, বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ডলারের বাজার দোদুল্যমান থাকার শঙ্কা করেছেন ব্যবসায়ীরা।  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ