Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮ আশ্বিন ১৪২৮, ১৫ সফর ১৪৪৩ হিজরী

ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিলো এফডিএসআর

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২ আগস্ট, ২০২১, ৯:২৯ পিএম

বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে ভাইরাল ডা. জাহাঙ্গীর কবির সামাজিক মাধ্যমে নানারকম ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন বলে দাবি করেছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিলিজ (এফডিএসআর)। ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের কর্মকাণ্ডকে অবৈজ্ঞানিক, অসত্য, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে মনে করেছে সংগঠনটি।

তারা বলছে, এসব কাজ চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতিবিরোধী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়া কিটো ডায়েটের পরামর্শ দেওয়া নিয়েও সমালোচনা করা হয়। সাত দিনের মধ্যে বিভ্রান্তিকর ও অবৈজ্ঞানিক এসব ভিডিও কনটেন্ট অনলাইন থেকে না সরালে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। এফডিএসআরের মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন সোমবার বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের এসব বিভ্রান্তিকর লেখা, ভিডিও ইন্টারনেট থেকে অপসারণ করা না হলে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি এরই মধ্যে লিখিতভাবে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে (বিএমডিসি) জানিয়েছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা আইনি নোটিসও পাঠাব।

এর আগে ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের ঠিকানায় গতকাল রবিবার কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো এক চিঠিতে সংস্থাটির পক্ষে বলা হয়, ডা. জাহাঙ্গীর কবির কিটো ডায়েট নিয়ে ভুল এবং অসত্য তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এই ডায়েটের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক কাউন্সেলিং করেন না। বরং ডায়াবেটিস, কিডনিসহ বিভিন্ন রোগীদের ব্যাপকভাবে কিটো ডায়েটের পরামর্শ দিয়ে ক্ষতি করছেন। তিনি বিভিন্ন চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশনকে হেয় করে মন্তব্য করেছেন। করোনার টিকা নিয়ে ইম্যুনোলজিবিষয়ক ভুল বক্তব্য দিয়েছেন। চিকিৎসকদের এই সংগঠন জাহাঙ্গীর কবিরের এসব কার্যক্রমকে ম্যালপ্র্যাকটিস বা অপচিকিৎসা বলে আখ্যা দিয়েছে।



 

Show all comments
  • ইসলাম ২ আগস্ট, ২০২১, ১০:৫৩ পিএম says : 0
    মুল কথা ডাঃ জাহাঙ্গীর কে ওদের হিংসে হচ্ছে। Dr. Eric Berg এর শত শত কেটো ভিডিও রয়েছে, কই কেও তো উনার ভিডিওর প্রতিবাদ করেননি, তারমানে কি আমেরিকার ডাঃ রা বোকা ? আসলে বাঙালিরা হচ্ছে পৃথিবীর সব চাইতে হারামি জাতি, এদের পেট ভরা হিংসা।
    Total Reply(0) Reply
  • Badrul Alam ২ আগস্ট, ২০২১, ১০:৩৪ পিএম says : 0
    Hi Son of ..., Foundation for Doctor's safety, if Dr Jahangir Kabir is not right, then how so many Diabetes patients were cured following his video? It happened not only in Bangladesh, also in your master India and other countries. Answer to that question.
    Total Reply(0) Reply
  • Mehedi Hasan ২ আগস্ট, ২০২১, ১১:০৩ পিএম says : 0
    ব্যবসায়ী ডাক্তারদের পকেটে মাল কম যাচ্ছে। এই কারণে জাহাঙ্গীর কবীরের পিছে লাগছে। এদেশের ডাক্তার রা হল পুলিশের চেয়েও খারাপ।
    Total Reply(0) Reply
  • Ismail ৩ আগস্ট, ২০২১, ১:৪৬ এএম says : 0
    কসাইদের পকেটে মাল কম যাচ্ছে তাই নারাজ,,
    Total Reply(0) Reply
  • shahin ৩ আগস্ট, ২০২১, ১০:২৩ এএম says : 0
    ডক্টর জাহাঙ্গীর স্যারের পরামর্শ নিয়ে ডায়েট করে আমি এখন অনেক সুস্থ আছি যারা ব্যবসায়ী ডাক্তার তাদের পকেটে এখন টাকা কমে যাচ্ছে তো এর জন্য তারা তার পিছে লেগেছে। কিছু কোম্পানির ওষুধ ব্যবসায়ী বারোটা বাজতেছে এর জন্য জাহাঙ্গীর স্যারের পিছে লেগেছে
    Total Reply(0) Reply
  • Md Ratul ৩ আগস্ট, ২০২১, ৯:২৭ এএম says : 0
    আসলে ডা.জাহাঙ্গীর এর পিছনে লেগেছে তারা, তার এই সাফল্যে এফডিএআর এর ডাক্তারদের ব্যাবসা ভালো হচ্ছিলো না।তাই যতো সমস্যা। ????????
    Total Reply(0) Reply
  • MD ANWAR HOSSAIN ৩ আগস্ট, ২০২১, ২:৩১ পিএম says : 0
    আল্লাহর রহমতে ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবির লক্ষ লক্ষ রোগী সুস্থ করে তুলেছেন অনলাইনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে। আর এতেই ............ ডাক্তার ও তাদের সংগঠন (এফডিএসআর) এর ইনকামে ধস নেমেছে। তাদের অর্জন বলতে কিছুই নেই। তাই তারা ডাক্তার জাহাঙ্গীর স্যারের পিছনে লেগেছে। কিন্তু তারা জানেনা ডাক্তার জাহাঙ্গীর স্যারের লাখ লাখ ভক্ত আছে এবং তারা (এফডিএসআর) মত ............ প্রতিষ্ঠানকে পরোয়া করে না? সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি জাহাঙ্গীর স্যার কে দেশের রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করে দেশের তরে কাজ করে যাবার অনুপ্রেরণা দেওয়া হোক
    Total Reply(0) Reply
  • আবুল কালাম ৩ আগস্ট, ২০২১, ৬:১৬ পিএম says : 0
    ধান্ধাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে তাই আইনি ব্যবস্থা
    Total Reply(0) Reply
  • ইলিয়াস আহমদ ৩ আগস্ট, ২০২১, ১২:০৬ পিএম says : 0
    ডা.জাহাঙ্গীর কবির স্যারের পরামর্শ হাজার ডায়াবেটিস, কিডনি রোগী সুস্থ জীবন ফিরে পেয়েছে। মুলত এসব .................. ডাক্তারদের ব্যবসায় ধ্বস নামার কারণে জাহাঙ্গীর কবির স্যারের মতো একজন এক্সপার্ট জনকল্যাণকামী ডাক্তারের বিরুদ্ধে আবুলতাবল বকছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Rafiul karim ৪ আগস্ট, ২০২১, ৭:১৩ এএম says : 0
    চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতিবিরোধী*( apnader personal niti public er jonno noy)ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর*( apnara konta valo korte perechen khoti chara) Apnarato shudu takar gondho pan.
    Total Reply(0) Reply
  • Rafiul karim ৪ আগস্ট, ২০২১, ৭:১৬ এএম says : 0
    Dear FDSR parle apnara o onar moto hoye jaan. public apnader o valobashbe , shudu tai noy puro dunia apnader salut korbe.
    Total Reply(0) Reply
  • মহিউদ্দিন তালুকদার ৫ আগস্ট, ২০২১, ১১:০৭ পিএম says : 0
    Dr. Muhammad Jahangir Kabir বাংলাদেশের মানুষের জন্য আল্লাহ তায়ালার রহমত। তাঁর প্রচারিত ৭৯৯টি ভিডিওর মধ্যে অধিকাংশ ভিডিও আমি দেখেছি। আমি জেনে-বুঝে তাঁর অধিকাংশ বক্তব্য সঠিক বলে মনে করি। তিনি একজন মেডিক্যাল প্রেকটিশনার। তিনি স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের সত্যের সন্ধান পেয়ে তা জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নিরলস ও আন্তরিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, গত দেড় বছর ধরে। আমি নিজে এই সত্যের সন্ধান পাই Dr Eric Berg DC এবং Dr B. M. Hegde এর মাধ্যমে আজ থেকে অন্তত ৫ বছর পূর্বে। প্রথম জন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রথিতযশা ডাক্তার আর দ্বিতীয় জন ভারতের একজন স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী যিনি MBBS [Madras], MD [Lucknow], MRCP [U.K.], FRCP [London], FRCP [Edinburgh], FRCP [Glasgow], FRCPI [Dublin], FRCPG, FAMS এবং FACC [USA] এবং ভারত সরকারের পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ পদক ছাড়াও আরো অনেক পদক প্রাপ্তি ঘটেছে তাঁর জীবনে। তিনি বহুগ্রন্থপ্রণেতাও। এছাড়া আমি আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত চিকিৎসক Prof. Tim Noakes, MBChB, MD, DSc, Dr Jason Fung, Dr Mindy Pelz, Dr Siim Land, Dr Pradip Jamnadas MD, Dr Mujibur Rahman MD, Dr M. Mojibul Haque, ND, PhD, Dr Ferdous, Dr Rajsree Nambudripad, MD প্রমুখ ডাক্তারগণের নিকট থেকেও এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করি এবং তা আমার মায়ের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্য্যকরভাবে প্রয়োগ করি। প্রচলিত মেডিক্যাল সাইন্স আমাকে ১৯৯৫ সাল থেকে স্ট্যাটিন ড্রাগস খাইয়ে আসছে, রক্তে কোলেস্টোরেল আধিক্যের অজুহাতে। আর তারা আমাকে ডিম, রেড-মিট, চর্বি ও ঘি থেকে দূরে রাখে এই দীর্ঘ সময় ধরে। তারা এই খাদ্যগুলো সম্পর্কে আমার মধ্যে এমন এক ভিতিকর অবস্থার সৃষ্টি করে দেয় যে, এই খাবারগুলো খাওয়াতো দূরের কথা দেখলেই আমার ভয় লাগতো। মনে হতো চোখে দেখলেও এই খাবারগুলো আমার রক্তে ক্লট তৈরি করে দিবে এবং আমার হার্টে ব্লক তৈরি হবে। আলহামদুলিল্লাহ, উল্লেখিত প্রকৃত চিকিৎসগণের নিকট থেকে জ্ঞান পেয়ে আমি গত ৫ বছর ধরে দিনে কমপক্ষে ৪টি করে ডিম খাই এবং স্ট্যাটিন ড্রাগস গ্রহণও বন্ধ করে দেই। এছাড় বেছে বেছে চর্বি খাই আর রেড-মিট, ঘি, চামড়াসহ চিকেন সবই খাই। প্রথম প্রথম খুব ভয় লাগতো এবং বামদিকে চিন চিন ব্যাথার অনুভব হলে দুই দুইবার হার্টের সকল টেস্ট করাই; কিন্তু কোন সমস্যাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ এবং প্রচলিত যন্ত্রগুলো আমার হার্টে বা শরীরে খুঁজে পায় নি। আমার হার্ট সম্পূর্ণ সুস্থ ও সবল আলহামদুলিল্লাহ। 'চিন চিন ব্যাথা'র ব্যাখ্যা হলো হয় তা সাময়িক গ্যাস্ট্রোলজিকেল সমস্যা ছিল অথবা মনের উদিত কোন বিষয়। একসময় আমার ভয় কেটে যায় এবং আজ ৫ বছর গত হলেও আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে আছি সম্পূর্ণ সুস্থ হার্ট ও শরীর নিয়ে। আমার ভাই প্রায় ২০ বছর যাবৎ ডায়াবেটিস, উচ্চ-রক্তচাপ, কোলেস্ট্ররেল, ওবেসিটি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিল। প্রতিমাসে তার ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার ঔষধ লাগতো। একসময় তার বিষয়টি বুঝে আসলে সে তার লাইফস্টাইল সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন করে ফেলে। ফলশ্রুতিতে সে গত দেড়বছর হলো কোন ঔষধই খায় না। আর ভাল আছে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে এবং সে ওবেসিটি থেকেও মুক্তি পেয়েছে। সে এমন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল যে, কয়েক মিনিট হাটলেই বা ২য় তলার সিড়ি বাইলেই তাঁর বুক ধরফর শুরু হয়ে যেত আর মৃত্যুভয় তাকে পেয়ে বসতো। আর আজ সে কয়েক কিলোমিটার দৌড়ায়, ২০ তলা পর্যন্ত হেঁটে উঠতে পারে এবং ২ ঘন্টা জীম করে। আল্লাহর রহমতে সে ভাল আছে। আজ আমি নিশ্চিত ডিম, ঘি, রেড-মিট, চামড়াসহ চিকেন ইত্যাদি খাবারগুলোর পরিমিত ব্যবহার উচ্চ কোলস্টরেল, উচ্চ রক্তচাপ, ইত্যাদি সমস্যার জন্য কোন সমস্যা নয় বরং চিকিৎসা। যত তাড়াতাড়ি বাঙ্গালী বিষয়গুলে Dr. Jahangir kabir ও Dr Sayeed Uddin Helal, MBBS, MPH, MS (Neurosurgery), Senior Consultant Neurosurgeon & Head, Medical Services Wing, Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP) (https://www.youtube.com/c/DrSayeedUddinHelal/videos) প্রমুখ ডাক্তার সাহেবদের নিকট থেকে শিখবে তত তাড়াতাড়ি তারা সকলপ্রকার মেটাবলিক ডিজিজ থেকে রেহাই পাবে ইন-শা-আল্লাহ। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ফ্যাটি লিভার, ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশন, হার্টের রোগ, স্ট্রোক ও প্যারালাইসিস, কিডনির রোগ, ওবেসিটি (মেদ-ভূূড়ি), অর্থাইটিস ও বাত-ব্যাথা, ক্যানসার, থাইরয়েড ইস্যু, দীর্ঘ্যমেয়াদী ইনফেকশন, মন্দ-বার্ধক্য, ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার্স, ইত্যাদি হলো প্রধান প্রধান কয়েকটি মেটাবলিক ডিজিজের নাম।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ