Inqilab Logo

শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮, ২৪ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

আমার এক আত্মীয়-এর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে ডোনেশন সংগ্রহ করি। চিকিৎসা করার পর আলহামদুলিল্লাহ রোগী সুস্থ আছে এবং লাখ খানেক টাকা উদ্বৃত্ত রয়েছে। আমার প্রশ্ন টাকাগুলো কি করা যেতে পারে? রোগীর অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতির জন্য ব্যয় করা যাবে নাকি অন্য কোনো রোগীর চিকিৎসার জন্য কিংবা গরিবদের দান করে দিব?

রেজাউল করিম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৭ আগস্ট, ২০২১, ৭:১০ পিএম

উত্তর : সুস্থ হয়ে যাওয়া এই ব্যক্তির জন্যই এ টাকা নির্ধারিত। চিকিৎসা ব্যয়ের পর যা বেঁচে গেছে, তা সাবেক ওই রোগী ব্যাক্তিই পাবে। তিনি ইচ্ছামতো তা ব্যয় করতে পারবে।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • মোঃশাামীম মিয়া ১১ আগস্ট, ২০২১, ৯:২৭ পিএম says : 0
    আমি সানা জানি না সানা না জেনে কি নামাজ পড়লে নামাজ হবে। বারবার যদি একই সূরা পড়ে নামাজ পড়া হয় তাহলে কি নামাজ হবে?
    Total Reply(1) Reply
    • ১২ আগস্ট, ২০২১, ১২:৩৪ পিএম says : 0

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চিকিৎসা

৬ জানুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন

আমার এক নিকটাত্মীয় মদ-গাঁজা সেবন করত। স্বামী-স্ত্রী প্রায় সময়মই ঝগড়া হতো, স্বামী তার স্ত্রীর গায়ে অনেক সময় হাত তুলত। স্ত্রীও খুব বেশী একটা ছাড় দিত না। আবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অন্য পুরুষের সাথে দীর্ঘ দিন রাতে-বিরাতে গোপন ফোনালাপের অভিযোগ ছিল। তাদের দুই ছেলে আছে। স্বামী তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক একাউন্টে ১৫-১৮ লাখ টাকার সম্পদ রেখেছিল। স্ত্রী বাপের বাড়ি গিয়ে সেগুলো হাত করে নেয় এবং নেশাখোর স্বামীর সংসার করবেনা বলে জানায়। এ অবস্থায় কয়েকটি ব্যর্থ আলোচনা বা বৈঠক হয়। প্রায় এক বছরের বেশী সময় পর স্ত্রী ওই স্বামীকে এক উকিলের মাধ্যমে ডাকযোগে ডিভোর্সলেটার পাঠায়। স্বামী বলে সে ওই লেটার রিসিভ ও সাইন করেনি। এর প্রায় এক বছর পর তার স্ত্রী ওই গোপন ফোনালাপের অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই বিয়ে করে। প্রশ্ন হলো স্ত্রীর এ তালাক ও পরবর্তী বিয়ে ইসলামের বিধান মতে সঠিক ভাবে হয়েছে কি না? আর না হলে এখন করনীয় কি?

উত্তর : দেশের আইন অনুযায়ী এই তালাক হয়ে গেছে। পরবর্তী বিবাহও শুদ্ধ হয়েছে। আগে যেই ফোনালাপ বা দেখা সাক্ষাৎ করতো, একথাটি প্রমাণ করার জন্য শরীয়তসম্মত

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ