Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯, ০৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৬ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

সম্পত্তি দখলে নিতে হামলা ভাঙচুর নির্যাতন দ্বারে দ্বারে ঘুরছে একটি অসহায় পরিবার

প্রকাশের সময় : ৩ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নের চরকাওনা মইষাকান্দা গ্রামের একটি অসহায় পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে ওঠে-পড়ে লেগেছে একটি প্রভাবশালী মহল। শুধু হামলা করেই ক্ষান্ত থাকেনি ওই প্রভাবশালী মহলটি। এ পরিবারের একটি বসত ঘর ভাঙচুর করে আগুন দিয়া পুড়িয়ে সেখানে একটি নতুন ঘর নির্মাণ করে জায়গাটি সম্পূর্ণ দখলে নিতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ওই মহলটি। সন্ত্রাসীদের কবল থেকে বাঁচতে এলাকায় দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন সমাধান করতে পারছে না বলে অভিযোগ করেন ওই অসহায় পরিবারটি। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরকাওনা মইষাকান্দা গ্রামের আবদুল নবীর ছেলে আবদুল লতিফ, বকুল মিয়া ও গোলাপ মিয়া। পৈতৃক সূত্রে তারা তাদের পিতার কাছ থেকে চরকাওনা মৌজার ৩৯৩২নং দাগে কয়েক শতাংশ জমি পান। ওই জমিটুকু তাদের চাচাত ভাই নূরুল ইসলাম গোপনে বিক্রি করে দেয় পাশের বাড়ির কানা শাহাব উদ্দিনের ছেলে কাঞ্চন মিয়া ও নূরুল ইসলামের ছেলে রহমত আলীর কাছে। ওই জমি দখলে নিতে কাঞ্চন মিয়া ও রহমত আলী কয়েক মাস ধরে ওঠে-পড়ে লেগেছে। বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়ে মারপিট করে আহত করা হয় পরিবারের সদস্যদের। জমি দখলে নিতে কাঞ্চন মিয়া ও রহমত আলীর দলবল লতিফ ও বকুলের পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করতে ওঠে-পড়ে লেগেছে। জমি না দিলে দেশ থেকে বিতারিত করার হুমকিও দেয়া হচ্ছে। লতিফ মিয়া ও বকুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমরা অসহায় একটি পরিবার। দিনমুজুরী করে সংসার চালাই। আমাদের বাড়িটা দখলে নিতে কাঞ্চন মিয়া ও রহমত আলীর দলবল আমাদের ওপর নানা রকম অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কাঞ্চন ও রহমতের ভয়ে আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমাদের পরিবারের ওপর বেশ কয়েকবার হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের পরিবারের মহিলাদেরকেও রেহাই দেয়নি ওই সন্ত্রাসীরা। তাদের পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা করে সুস্থ হয়েছি। বাড়িঘর ভাঙচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় ২৫ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার চুরিসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামালের ক্ষতি সাধন করেছে। এ ব্যাপারে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এর সুবিচার ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন