Inqilab Logo

রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

মৃত্যুপথযাত্রীদের জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অক্সিজেন সেবা

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৪ আগস্ট, ২০২১, ১২:৪১ পিএম

করোনা মহামারি চলছে বিশ্বব্যাপি। বৈশ্বিক এই মহামারিতে গ্রামের মানুষের জন্য বিনামূল্যে অক্সিজেনের সিলিন্ডার সেবা পৌঁছে দেয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক দায়বদ্ধতার মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে এসব ব্যক্তি বা তাদের প্রতিষ্ঠান করোনাকালে পাশে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিশন, বাংলাদেশ আইইবি ও ম্যাক্স গ্রুপের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ১৫০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। যার সিংহভাগ উপকারভোগী হলো করোনায় অক্সিজেনের কারণে মৃত্যুপথযাত্রী। এবিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিশন, বাংলাদেশ আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শাহাদৎ হোসেন শিবলু ইনকিলাবকে বলেন, দেশের মানুষ যখন কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে, তখন আমরাও প্রফেসর ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীসহ অনেক প্রকৌশলীকে হারিয়েছি। কেনো এমন উদ্যোগ নিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও আইইবির সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী আবদুস সবুরের পরামর্শক্রমে আমরা সারাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিই। আইইবি ও ম্যাক্স গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চেষ্টা করি। ১৮ জুলাই উদ্বোধন হয় এটি। এখনও চলমান আছে। আমাদের এই সেবায় যদি একজন মানুষও বেঁচে যান, আমরা মনে করি এটাই আমাদের সাফল্য। তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার মূল্যবোধ থেকেই আমরা এমন উদ্যোগ নিয়েছি। একই কথা বললেন সংগঠনটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম হাজারী।

এই প্রকল্প থেকে কুমিল্লার বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০টি সিলিন্ডার বরাদ্দে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন কাজ করেছেন প্রত্যক্ষভাবে। বাসস’র এই সিনিয়র রিপোর্টার ইনকিলাবকে বলেন, করোনা মহামারিতে এই অদৃশ্য ভাইরাসের কাছে আমরা সবাই অসহায়। এই সময়ে মানুষের মানবিকতাকে জাগ্রত করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পূর্বসূরিরা দেশের প্রয়োজনে যদি জীবন উৎসর্গ করতে পারেন, তাহলে আমরা কেনো এই মহামারিতে মানুষের পাশে থাকতে পারবো না? তিনি প্রকৌশলী আবদুস সবুরসহ প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতে যারা কাজ করছেন, তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা যে, তারা মানবতার সেবা করে যাচ্ছেন।

উপকারভোগী এলাকা কুমিল্লা-৫ এর জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান এই প্রতিবেদককে বলেন, যারা অক্সিজেন সিলিন্ডার অনুদান দিয়েছেন এবং যারা তাদের নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের দ্বারে দ্বারে এই সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, তাদেরকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষ করে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুরসহ আইইবি’র সকল প্রকৌশল ও ম্যাক্স গ্রুপের সকল কর্মকর্তাকে আমি বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগ ও আমার এলাকার সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, যারা এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে অধিকাংশই অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। যারা নিজেরা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয় না করে এমন মহৎ কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন, তারাই প্রকৃতপক্ষে সমাজসেবক। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই মহৎ কাজ করায় মহান আল্লাহর কাছে তাদের জন্য আমি দোয়া করি।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মীর হোসেন মিঠু ইনকিলাবকে জানান, করোনাকালে আমরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে ৪২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার পেয়েছি। যার মধ্যে জিহান গ্রুপের কর্ণধার শাহজাদা আহমেদ রনি ১০টি, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিশন, বাংলাদেশ ও ম্যাক্স গ্রুপ থেকে সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন ও সাংবাদিক আবদুল অদুদের মাধ্যমে ১০টি, আনন্দ পাইলটিয়ান্সের পক্ষে ডা. এম এ হাশেমের মাধ্যমে ৯টি, বুড়িচং উপজেলা সমিতি, ঢাকার পক্ষ থেকে সভাপতি এমএ মতিন এমবিএর মাধ্যমে ৬টি, উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দারের মাধ্যমে ৫টি ও এম এ গনি ব্রিকসের পক্ষ থেকে কামাল হোসেনের মাধ্যমে ২টি সিলিন্ডার পেয়েছি। তিনি বলেন, এসব সিলিন্ডার না পেলে আমরা করোনায় হিমসিম খেতে হতো। বেসামাল হয়ে পড়তো স্বাস্থ্যসেবা। তিনিও সকলকে এজন্য ধন্যবাদ জানান।

কেনো এমন কাজে সম্পৃক্ত হলেন প্রশ্ন করলে বুড়িচং উপজেলা সমিতির সভাপতি এমএ মতিন এমবিএ ইনকিলাবকে বলেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের মধ্যে যাদের শাঁস কষ্ট হয়, তাদের জন্য অক্সিজেন সাপোর্ট খুবই জরুরি | সময়মতো অক্সিজেনের অভাবে যে কোনো রোগী মারা যেতে পারে | তাই নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমিতির সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় আমরা এমন কাজে সম্পৃক্ত হয়েছি। তিনি বলেন, আপনার আমার দেয়া একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার এই ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষটির জীবন বাঁচাতে পারে।

জিহান গ্রুপের কর্ণধার শাহজাদা আহমেদ রনি ইনকিলাবকে বলেন, এলাকার মানুষের সেবায় সামাজিক দায়বদ্ধতা উপলব্ধি করে আমি এমন মহৎ কাজে অংশগ্রহণ করি। এই সেবার মাধ্যমে যদি ১০টা লোক প্রাণে বেঁচে যান, নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়াও বিভিন্ন গ্রামভিত্তিক নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে অক্সিজেন সেবা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে অনেক সামাজিক মানুষ ও সংগঠন। কেউবা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে এই সেবা। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতি অব্যাহত থাকুক, এমনটাই আশা করছে দেশের আপামর জনগণ।



 

Show all comments
  • Mohammad Alamgir ২৪ আগস্ট, ২০২১, ৫:৩৪ পিএম says : 0
    It's a great initiative.I hope all people should appreciate this work & should stand beside them.May Allah (SW) accept this great work.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

ঘরে বসেই হবে আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ

img_img-1635067497

ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ এখন অনলাইনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ  করা যাবে। ঘরে বসেই করা যাবে আয়কর পরিশোধ এবং রিটার্ন ফাইল দাখিল। বাসায় বসেই নেয়া যাবে আয়কর সংক্রান্ত যেকোনো সেবাও। আয়কর রিটার্ন দাখিল সহজতর করতে ডিজিট্যাক্স নামক এমন একটি ওয়েব অ্যাপলিকেশন নিয়ে এসেছে দেশ ইউনিভার্সেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান। শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর কার্যালয়ে ডিজিট্যাক্সের এ অনলাইন ট্যাক্স অ্যাপলিকেশনটি উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) মো. আলমগীর হোসেন। এ সময় পেশাধার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু ও ইআরএফ সেক্রেটারি এসএম রাশিদুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ডিজিট্যাক্সের মূল ফিচার বর্ননা করে প্রতিষ্ঠানটির টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন লেভেলের টেক্স পেয়ার রয়েছে, এর মধ্যে অধিকাংশই আয়কর ক্যালকুলেশন এর নিয়মাবলী ও আইন কানুন যথাযথভাবে জানেন না। ফলে সুচারুভাবে রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাতে ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন সে ব্যবস্থা নিয়ে এসেছি। আমাদের সিস্টেমে রয়েছে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি যাতে করে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে, বাংলা ভাষায়ও সফটওয়ারটি ব্যবহারের পদ্ধতি রাখা হয়েছে। করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন অথবা গ্রাহক যদি চান, তবে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। ডিজিট্যাক্সের সিস্টেমটি এনবিআরের সাথে ইন্টিগ্রেট করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদের মাধ্যমেই করদাতারা অনলাইনে তার রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। এতে করে মেনুয়াল পেপার বেইজ সাবমিশন প্রয়োজন হবে না এবং সরকারও ডাটা এন্ট্রি ছাড়াই রিয়েল টাইম আপডেট পাবে বলে জানান তিনি। করদাতার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক করদাতার ব্যক্তিগত আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে। তিনি ছাড়া আর কেউ এ তথ্য দেখতে পাবেন না। করদাতা তার তথ্য সেইভ করে রেখে যেকোনো সময় তা আবার লকইন করে এডিট করতে পারবেন। তিনি বলেন, সরকার একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আয়করের আওতায় আনার জন্য এরইমধ্যে অনেক ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের সাথে ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা কাজ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে আমরা এই সফটওয়্যার টি ডেভলপ করেছি। ভবিষ্যতে সরকারের সাথে ইন্টিগ্রেটেড হয়ে একসাথে কাজ করতে পারবো এটাই আমাদের লক্ষ। আয়কর আইনজীবিরাও এর মাধ্যমে তাদের ক্লায়েন্টদের কর সেবা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। অ্যাপলিকেশনটি উদ্ভোধন করে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে কর দেয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। করদাতার সংখ্যাও বাড়ছে। এতো বিপুল সংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে করসেবা দেয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইন করা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি করার বিকল্প নেই। এনবিআর অনেক আগেই এ উদ্যোগটি নিয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু করছি। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্সের এগিয়ে আসা কর সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরো সহজতর হবে। তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিল অনলাইন করার পাশাপাশি ১ নভেম্বর থেকে আমরা আয়কর মাস পালন করছি। করাঞ্চলগুলোতে মেলার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। করদাতারা স্বাচ্ছন্দে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু বলেন, আয়কর আইন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম একটি আইন। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। এ আইন নিয়ে এতো বড় ‍উদ্যোগ নেয়ায় ডিজিট্যাক্স প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি বলেন, ডিজিট্যাক্সের এ উদ্যোগটি করদাতাদের সহায়তা করবে। এর ফলে বিপুল মানুষকে রিটার্ন দাখিলে আগ্রহী করা যাবে। সরকারও রাজস্ব পাবে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিজিট্যাক্সের এডভাইজার ও দেশ ইউনিভা্র্সেল নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা বলেন, ডিজিট্যাক্স একটি স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিটার্ন ফরম পূরণের ওয়েব অ্যাপলিকেশন। রেজিট্রেশন করার পর করদাতা তার আয়ের তথ্য দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর গণনা হয়ে যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ