Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭, ১১ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

চিঠিপত্র : রাস্তা সংস্কার

প্রকাশের সময় : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

আমাদের দেশের অনেক রাস্তা-ঘাটই সীমাহীন অবহেলার শিকার। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাগুলোর খুবই করুণদশা। যানবাহনে চলতে গিয়ে কখনো মনে হয় যে, রাস্তা অসমতল হওয়ায় গাড়ি শুধু উপরে যাচ্ছে আর নিচু হচ্ছে। অনেক সময় এতে ঘটে যায় নানা দুর্ঘটনা। অপেক্ষাকৃত দুর্বলরা ঝাঁকুনি খেয়ে কখনো ছিটকে পড়ে গাড়ি থেকে। গর্তে পড়ে যায় পথিকের পা।
মেরামতহীন রাস্তায় এ ধরনের নানা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অনেকের জীবন হয়ে উঠেছে চরম বিষাদময়। দ্রুত রাস্তা সংস্কার বিষয়ে উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
গাজী আব্দুর রহমান
শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা।

প্রসঙ্গ “অতিথি পাখি”
সম্প্রতি একটি দৈনিকে “সাইবেরীয় অতিথি” নামে সংবাদ ছাপা হয়েছে। সংবাদটিতে দেশে আগত “অতিথি পাখি” নামে সমগ্র পৃথিবীতে পরিচিত মাইগ্রেটরিবার্ড বা যাযাবর পাখির বাস্তব কর্মকা- তুলে ধরা হয়েছে। যেমন খাদ্য তালিকায় মাছ, ধান, শামুক, কাঁকড়া ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদের ভক্ষণের বর্ণনা আছে। এখন প্রশ্ন হলো, যে যাযাবর পাখিরা শত সহস্র সংখ্যায় কৃষকের রক্ত-ঘাম ঝরানো ধান উদরস্ত করে দেশের অমূল্য সম্পদ মাছ, শামুক, কাঁকড়া, উদরস্ত করে নিজ দেশে চলে যায় তারা অতিথি হয় কি করে? তারাতো লুটেরা, ডাকাত। এইজন্য সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান এই যাযাবর পাখিদের টেবিলবার্ড হিসেবে গ্রহণ করতে বলেন। তাই বলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই যাযাবর পাখিদের প্রয়োজন নেই এটা মানতে পারছি না। জাল দিয়ে ধরা অথবা নিষ্ঠুরভাবে বিষপ্রয়োগে অসংখ্য পাখি হত্যা করা আইনত দ-নীয় অপরাধ। পক্ষান্তরে সীমিত সংখ্যক পাখি বন্দুক দিয়ে শিকার করা গেম অর্থাৎ খেলা হিসেবে পৃথিবীর বহুদেশে সমাদৃত। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্বের ন্যায় পারমিট ইস্যু করেন অর্থাৎ সীমিত সংখ্যক পাখি শিকারের অনুমতি দিলে অবৈধ শিকার বন্ধ হয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গভীরভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিলে সবার জন্য ভালো হবে।
মো. মতিউর রহমান খোকন
১নং শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ঢাকা।

ধূমপান রোধে গৃহীত ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়
সাধারণ জনগণের মাঝে ধূমপান নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় যথেষ্ট প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হলেও দিনে দিনে ধূমপান যেন বেড়েই চলেছে। পথে-ঘাটে ধূমপান এক অতি সাধারণ ব্যাপার। তরুণরা এ ব্যাপারে আরও বেপরোয়া। সন্তান বা নাতির বয়সী অনেক তরুণকে মুরব্বীদের সামনে অবজ্ঞাভরে ধূমপান করতে দেখা যায়। আবার বয়স্কদের অনেকে একে পানি পানের মতই সাধারণ ব্যাপার মনে করেন।
কিন্তু এ ব্যাপারে প্রশাসনিক তৎপরতা অতি সীমিত। প্রকাশ্যে ধূমপান রোধে আইন থাকলেও এর প্রয়োগ নেই। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অনেককেই প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেয়া যায়। এ ধরনের গর্হিত ক্রিয়াকর্ম রোধে সহজ একটি ব্যবস্থা মাঝে মধ্যে গ্রহণ করলে প্রকাশ্যে ধূমপান বহুলাংশে হ্রাস পেতে পারে। যে কোন দিন সারা বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র- বিশেষত শহরগুলোতে একই সময়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী পথেঘাটে প্রশাসনিক ঝটিকা অভিযান অর্থাৎ জরিমানা আদায় এবং আটক করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। লক্ষণীয়, সর্বত্র এই সময়ে তা করতে হবে, আগে-পরে করা যাবে না। তা না হলে জানাজানি হয়ে গেলে অনেকে সতর্কতা অবলম্বন করায় অভিযান তেমন সফল হবে না। বর্ণিত কর্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে অন্তত কয়েক লক্ষ টাকা জমা হবে।
তরুণ ও অন্যদের মধ্যে ধূমপান নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে স্কুল-কলেজে তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফর্মে প্রার্থী ‘ধূমপায়ী’ কিনা তা উল্লেখে কলাম বা স্থান থাকা দরকার। একই সাথে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ফর্মেও অনুরূপ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন চাকরিলাভেচ্ছুদের আবেদনপত্র বা ফর্মেও একইরূপ ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক। তবে, ব্যবস্থাটি বাধ্যতামূলক করতে হবে। এতে ধূমপান বাহুলাংশে নিরুৎসাহিত হবে মর্মে আশা করা যায়।
খালিক মাশরেকী
শ্রীপুর, গাজীপুর।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চিঠিপত্র : রাস্তা সংস্কার

১৯ জানুয়ারি, ২০১৬
আরও পড়ুন