Inqilab Logo

রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

আমাদের দেশে কৃষি জমিতে ফসল তোলার পরে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যখন জমিনগুলো কিছুদিনের জন্য খালি থাকে। আর ওই সময় জমিনগুলোতে কিছু আগাছা জন্মে, মাছ জন্মে এবং শামুক বা অন্যান্য জানা অজানা অনেক প্রানী জন্মে। যেগুলো সাধারণত গরু ছাগলের বা হাঁসের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা করা যায়, এই সময়ে যদি কোনো বানিজ্যিক হাঁসের খামারের মালিক ওইসব জমিনের মালিকের অনুমতি ব্যতীত তার হাঁসগুলোকে ওই জমিনে ছেড়ে দেয়, যেন হাঁসগুলো বাড়তি খাবার সংগ্রহ করতে পারে, যাতে তার খামারের খরচ কম হয়, লাভ্যাংশ বাড়ে। এটাকি ওই হাঁসের খামারের মালিকের জন্যে হালাল হবে?

সাইফুল ইসলাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:৩৪ পিএম

উত্তর : যদি জমির মালিক এতে সম্মত না থাকে, তাহলে কারো পক্ষেই এই জমি ব্যবহার বা এর থেকে কোনোরকম উপকৃত হওয়া জায়েজ নেই। এভাবে উপকৃত হলে তা হালাল হবে না। তবে, যদি অরক্ষিত জায়গায় মালিকের অনিচ্ছায় এবং যথাযথ সতর্কতার পরও পশু পাখিরা এই জমি থেকে কিছু খেয়ে নেয়, তাহলে সেটি হারামের পর্যায়ে পড়বে না। ইচ্ছা করে খাওয়ালে হারাম হবে। অনিচ্ছায় ভুলে হয়ে গেলে এর দায় ততটা কঠিন নয়। যেমনটি আমাদের দেশের পতিত জমি বা খোলা কাদামাটিতে হয়ে থাকে।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • সাইফুল ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৫০ পিএম says : 0
    অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ আপনাদেরকে এর উত্তম প্রতিদান অবশ্যই দেবেন.
    Total Reply(0) Reply
  • Hossain Mohammed Iftekharul Haque ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৫৪ পিএম says : 0
    মাশাআল্লাহ।ইনকিলাবের আগ্ৰযাত্রা অব্যাহত থাকবে-এই প্রত্যাশা।
    Total Reply(0) Reply
  • Hossain Mohammed Iftekharul Haque ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৫১ পিএম says : 0
    মাশাআল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • Md Abdul Malek ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬:১৯ এএম says : 0
    চরম বৈরী শাসন নীতির মধ্যে নিজেকে টিকিয়ে রাখা মুশকিল। ইনকিলাব পত্রিকা সেই বৈরী নীতির বিরুদ্ধে আজও টিকে আছে। তাদের তো বস্তু নিষ্ঠা পক্ষপাতমুক্ত সংবাদই প্রকাশ করতে হবে। সততা ও নির্মোহ সংবাদ প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কৃষি জমি

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন

আমার বান্ধবীর ৭ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। এখনো সে তার স্বামীর সাথেই আছে। তারা এখনো কোন সন্তান নেয়নি। আমার বান্ধবীর সাথে তার স্বামীর বনিবনা হয় না। তারা অধিকাংশ সময় দূরেই থাকে। এমতাবস্থায় ওর স্বামীও ওর প্রতি সন্তুষ্ট না। মাঝে মাঝে ওদের মধ্যে যখন ঝগড়া হয় তখন ওর স্বামী ওকে তালাক দেয় কিন্তু পরবর্তীতে ওর স্বামী তালাকের কথা উচ্চারণ করার জন্য ওর কাছে মাফ চায়। কিন্তু আমার বান্ধবী ওর স্বামীর সাথে আর থাকতে চায় না। ডিভোর্স চায়। কিন্তু ওর স্বামী ডিভোর্স দেয় না। এখন আমার বান্ধবী ওর স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারবে কি?

উত্তর : আপনার বান্ধবীকে যদি তার স্বামী মৌখিকভাবে তিন তালাক দিয়ে থাকে, তাহলে তারা এখন আর স্বামী স্ত্রী নয়। এখন একসাথে বসবাস জায়েজ হচ্ছে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ