Inqilab Logo

রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০১ কার্তিক ১৪২৮, ০৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৩ এএম

দীর্ঘ করোনা ছুটির পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ১১৬নং দক্ষিণ পূর্ব মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে প্রায় দেড়শ’ শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাশ করছে। ছাদ ও ওয়ালের প্লাস্টার ধসে পড়ায় ব্যবহার অযোগ্য ভবনে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যে কোন সময় দুর্ঘটনায় পতিতি হতে পারে। খবর পেয়ে গতকাল দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস বিদ্যালয় পরিদর্শণ করে বিকল্পভাবে ক্লাশ চালু রাখার আশ^াস দেন।
জানা যায়, উপজেলার ১১৬নং দক্ষিণ পূর্ব মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিগত ১৯৯৫ইং সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে একতলা ভবন নির্মাণ করে। স্থানীয়দের অভিযোগ ভবন নির্মাণের শুরুতেই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ভবনে নিন্নমানের কাজ করার অভিযোগ করেও কোন ফল পায়নি।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ২৫ বছর আগে নির্মিত একতলা ভবনের বেহাল দশা। হাটু পানি-কাঁদা ভেঙ্গে বিদ্যালয় প্রবেশ করতেই খো যায় নাজুক ২ কক্ষের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর ৩০/৩৫ ছাত্রী ক্লাশে বসা। হঠাৎ বৃষ্ঠি শুরু হলে কোমলমতিদের মধ্যে উৎকন্ঠা অরোও বেড়ে যায়। ছাদের ও দেয়ালের প্লাস্টার ধসে পড়ছে, দরজা জানালার গ্রিল খসে পড়ায় কোমল মতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. ইউনুচ আলী হাওলাদার জানান, ভবন সংস্কারণ/বিকল্প পাঠের ব্যবস্থা করার জন্য ২০২০-২১ অর্থ বছরে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে অর্থ বরাদ্ধ চেয়ে তালিকা তৈরী করে প্রেরণ করলেও কোন অর্থ বরাদ্ধ পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা সুলতানা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাশ করার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি গত ১১ জুলাই-২০১৮ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। ওই সময়েই বিদ্যালয়ের অবস্থা নাজুক ও জরাজীর্ণ ছিল। আমি যথাসময়ে উর্ধŸতন কতৃপক্ষের নিকট বিষয়টি অবহিত করি। দীর্ঘ সময়েও নতুন ভবন কিংম্বা বর্তমান ভবনটি সংস্কার হয়নি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতা নন্দ দাস জানান, দীর্ঘ ছুটির পর সরকারের নির্দেশে ক্লাশ চালু হলেও বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে প্রায় দেড়শ শিক্ষাথীর ক্লাশ নিতে বাধ্য হচ্ছি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ