Inqilab Logo

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

নদী থেকে না সরলে পরিস্থিতি কঠিন হবে: খালিদ মাহমুদ

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৪:৩১ পিএম

নদীর সীমানায় গড়ে ওঠা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সরিয়ে নিতে সরকারের দেওয়া সুযোগ সঠিকভাবে মূল্যায়িত না হলে আগামী দিনে অনেক কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নদীর সীমানায় গড়ে তোলা শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহের মালিকদের প্রতি এ ইঙ্গিত করেন। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

নদী দখলকারীরা অনেক ক্ষমতাশালী, এসব দখলদার উচ্ছেদে কোনো প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন কি না- এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নদী দখল করেন তারা সবাই রাঘব বোয়াল না, সাধারণ মানুষও আছেন। সাধারণ মানুষ জায়গা না থাকায় একটা ঘর বেঁধে ফেলে, সে তো জানে না যে এতে নদী দখলে হয়ে গেল। এক্ষেত্রে অসাবধানতাও কাজ করে।

তিনি বলেন, আগে ছিল জোর যার মুলুক তার। কাজেই সে অবস্থা এখন নেই। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন আবেদন করলে আমরা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছি।

‘শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রণোদনা দেওয়ার সুযোগ নেই। শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মানা দরকার, সেগুলো তারা মানেনি। বরং তারা জরিমানার আওতায় আসার কথা। আমরা তাদের (নদীর সীমানা থেকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান অপসারণের) সুযোগ দিয়েছি। এ সুযোগের যদি সঠিক মূল্যায়ন না করা হয়, তবে অনেক কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হতে পারে’ -খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নদীতীরে গড়ে ওঠা শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আমরা কিছুটা সময় দিতে চাই। কারণ, এতে শিল্প মালিকদের অনেক বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশে কেউ কখনও ভাবেইনি- নদীরও নিজস্ব জায়গা আছে। এ ভবনাটা তৈরি করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, দীর্ঘদিন রাষ্ট্র সেটা করেনি।

তিনি বলেন, আমরা সীমানা পিলার দিয়েছি। দখলকারী জেনে গেছে, তার স্থাপনা নদীর সীমানায় পড়েছে। তাকে এ নিয়ে বার্তাও দেয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দখলদার উচ্ছেদের কাজ পুরোপুরি বা শতভাগ সম্পন্ন করতে পারিনি। কিছু মামলা-মোকদ্দমা আছে। সেগুলোর ব্যাপারে আমাদের আইনজীবী প্যানেল কাজ করছে। আমরা বলতে পারি, এগুলোতে আমরা সফলতা দেখাতে পারবো।

নদীর সীমানা পিলার স্থাপন ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ করার ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে জানিয়ে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেগুলোর বিষয়ে আমরা হেয়ারিং নিচ্ছি। অনেকগুলো বিষয়ে আমরা সমাধান করেছি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ