Inqilab Logo

বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৪ কার্তিক ১৪২৮, ১২ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সিএসইর ২৩ ট্রেক অনুমোদন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৪ এএম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ২৩টি ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সিএসইর ট্রেক অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ, এমটিবি সিকিউরিটিজ, পদ্মা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এনআরবিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এনএলআই সিকিউরিটিজ, বেক্সিমকো সিকিউরিটিজ, শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোং, হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজ, ডেয়টন সিকিউরিটিজ, মার্চেন্ট সিকিউরিটিজ, এসবিএসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এসএফআইএল সিকিউরিটিজ, ব্রিজ স্টক অ্যান্ড ব্রোকারেজ, কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, বিপ্লব হোল্ডিংস, রহমান ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট, বিনিময় সিকিউরিটিজ, মোনার্ক হোল্ডিংস, ডায়নেস্টি সিকিউরিটিজ, এএনসি সিকিউরিটিজ, বি অ্যান্ড বিএসএস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, ম্যাট্রিক্স সিকিউরিটিজ ও ডিপি৭।

এর আগে ডিএসইর ৫৫টি ট্রেক অনুমোদন দেয় বিএসইসি। যার মধ্যে গত ৪ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫২টির ট্রেক সনদ বিতরণ করা হয়। ট্রেক হলো শেয়ারবাজারে লেনদেনের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারের লেনদেন করবেন। এ হিসেবে ট্রেক অনেকটাই ব্রোকার হাউজের মতো। তবে ট্রেকের মালিকরা ব্রোকারেজ হাউজের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার পাবে না। গত বছরের ২৪ মার্চ ‘ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বিধিমালা ২০২০’ খসড়া করে তা জনমত যাচাইয়ের জন্য মতামত চায় বিএসইসি। এ খসড়া চূড়ান্ত করতে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে মতামত চাওয়া হয়।

পরবর্তীতে ১২ নভেম্বর ট্রেক বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এ বিধিমালা অনুযায়ী, এক্সচেঞ্জের প্রত্যেক প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডার ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইনের আওতায় একটি করে ট্রেক (ব্রোকারেজ হাউজ) পাওয়ার অধিকার রাখেন। প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের বাহিরে ট্রেক পাওয়ার যোগ্যতার শর্তে রয়েছে, কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশন থেকে অনুমোদিত যেসব প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূল্যধন কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা থাকলে তবেই ট্রেক পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। তবে দেশি-বিদেশি শেয়ারহোল্ডারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত কোনো কোম্পানি আবেদন করলে তার ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন আট কোটি টাকা হতে হবে।

আর সম্পূর্ণ বিদেশি শেয়ারহোল্ডারের মালিকানাধীন কোনো কোম্পানি আবেদন করলে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হতে হবে ১০ কোটি টাকা। গেজেটে তিন ক্ষেত্রেই আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের নীট সম্পদের পরিমাণ সব সময় পরিশোধিত মূলধনের ৭৫ শতাংশের বেশি থাকতে হবে বলে শর্ত রাখা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: অনুমোদন

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ