Inqilab Logo

শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩ কার্তিক ১৪২৮, ২১ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সখিপুরের সাঈদ ৫ বছরের সাজা এড়াতে পালিয়ে ছিলেন ১৪ বছর

সখিপুর(টাঙ্গাইল)উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১:৪৭ পিএম

সখিপুরের আলোচিত সেই আবু সাঈদ ১৪বছর পর গ্রেফতার।

টাঙ্গাইলের সখিপুর থানার পুলিশ ১৪ বছর পর ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর নাম আবু সাঈদ তালুকদার (৪২)। তিনি উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার(২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর গ্রাম থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার(২৮সেপ্টেম্বর) সকালে সাঈদকে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।আবু সাঈদ ১৪ বছর ধরে গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে থেকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন।পুলিশ জানায়, আবু সাঈদ সখিপুর পৌর শহরের কচুয়া সড়কে গাউজ ভান্ডারি কাগজ বিতান নামে একটি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে প্রবাসীদের ব্যাংক ড্রাফটের ব্যবসা করতেন। তাঁর বাবা সখিপুর পিএম পাইলট মডেল গভর্নমেন্ট স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। আবু সাঈদ সখিপুর বাজার বণিক সমিতির বিভিন্ন সদস্যের কাছ থেকে মাসিক হারে লভ্যাংশ দেওয়ার কথা বলে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে হঠাৎ গা ঢাকা দেন। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ওই বাজারের বণিক সমিতির সদস্য মামুন মিয়া টাঙ্গাইল আদালতে আবু সাঈদকে আসামি করে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার ব্যাংক চেক ডিজঅনার মামলা করেন। ওই বছরই তাঁর নামে আদালত থেকে থানায় গ্রেফতারি পরোয়ানা আসে। ২০০৮ সালে আবু সাঈদের ৫ বছরের সাজা হয়।সখিপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সানিউল আলম বলেন, আবু সাঈদ ২০০৭ সালে পালিয়ে পাবনার ভাঙ্গুড়া চলে যান। সেখানে শরৎনগর গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। ওই সংসারে তাঁর আট ও দুই বছরের দুটি মেয়ে আছে। ১৪ বছর ধরে তিনি সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন।

এএসআই সানিউল আরও বলেন, ‘এক মাস আগে আবু সাঈদকে ধরতে আমি ছদ্মবেশে তাঁর গ্রামের বাড়িতে ভাড়া থাকার জন্য যাই। পরে ঢাকায় থাকা সাঈদের মায়ের মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করি। সেই নম্বরের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করি। আবু সাঈদকে ধরতে এএসআই এনামুল হক সার্বিক সহযোগিতা করেন।’সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে সাইদুল হক ভুঁইয়া বলেন, আবু সাঈদের ৫ বছরের সাজা হয়েছিল। তিনি সখিপুর থানার সবচেয়ে পুরোনো পলাতক আসামি ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: গ্রেফতার


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ