Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৩ কার্তিক ১৪২৮, ১১ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

খাগড়াছড়িতে ভাঙনের মুখে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন

মো. ইব্রাহিম শেখ, খাগড়াছড়ি থেকে : | প্রকাশের সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০০ এএম

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ২ নং চেঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি পাহাড়ি ছড়ার তীর ভাঙনের সাথে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। ব্যাপক ভাঙনে ইতোমধ্যেই ভবনটির একাংশ ছড়ায় চলে গেছে। জানা যায়, আশি দশকের ইউপি ভবনটির পুর্বাংশ পুজগাং ছড়ার খর স্রোতে তীর ভেঙে এক অংশ ছড়ায় বিলীন হয়ে পড়েছে। সড়িয়ে নেয়া হয়েছে মালামাল। ঝুঁকি নিয়েই বাকি অংশে কোন রকমে নিত্যদিনের কাজ চালাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
চেঙ্গী ইউপি চেয়ারম্যান কাঁলা চাদ চাকমা জানান, গত তিন বছরে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পুর্বাংশ আস্তে আস্তে ভেঙে পড়ছে। ভবন না থাকায় ভাঙা পুরাতন ভবনেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালাচ্ছি। আমি উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএন ও এলজিইডিসহ বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেছি। বরাদ্দও এসেছে। ভ‚মি সমস্যা দেখিয়ে নতুন ভবনের কাজ করে নাই। স্থানীয় বাসিন্দা বিনোদ বরণ চাকমা ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের জন্য ৪০ শতক ভ‚মি কাগজপত্রে দান করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আমিও তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে বুঝিয়ে দিয়েছি। তারপরও কোন অদৃশ্য কারণে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কাজ হচ্ছে না জানা নাই। ২ নং চেঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি পাহাড়ি ছড়ার তীর ভাঙনের সাথে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে ইউপি ভবন বিষয়ে পানছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী অরুন কুমার দাশ বলেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, চেঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ আছে। ভ‚মি সংক্রান্ত কাগজপত্র দিয়েছে আমি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মারফত পাঠিয়েছি। তারপরও ভ‚মি সংক্রান্ত ঝামেলাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেষ করে দিলেই ভবন হয়ে যাবে।
পুজগাং মুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শান্তি ময় চাকমা, মধুমঙ্গল পাড়ার নুতন ধন চাকমা সহ বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপকালে জানান, সারাদেশে স্থানীয় সরকার বিভাগ আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করলেও পার্বত্য খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ২ নং চেঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি ভেঙে পড়ার পরও আজো নির্মাণ করে নাই।
অপরদিকে পাহাড়ি খরস্রোতা পুজগাং ছড়ার পানির ধাক্কায় ইউনিয়ন পরিষদটি বিলীন হয়ে পড়ছে। এতে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।ইউনিয়ন পরিষদের সাথেই ইউনিয়ন কমিউনিটি স্বাস্থ্যক্লিনিকসহ পুজগাং বাজার। অল্পতে ছড়ার তীর রক্ষা বাঁধ দেয়া না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি নতুন জায়গায় ইউপি ভবন নির্মাণ করে নাগরিক সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়েছেন এলাকাবাসী।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইউনিয়ন পরিষদ

১৬ অক্টোবর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ