Inqilab Logo

বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৪ কার্তিক ১৪২৮, ১২ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

আপনজন নামে আমাদের একটি সামাজিক সংগঠন আছে। এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকি। সে হিসাবে পূজার সময় বিভিন্ন পূজামন্ডপের জন্য আমরা চাঁদা তুলে থাকি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এসব পূজার জন্য চাঁদা উঠানো, চাঁদা দেয়া বা এ কাজে সহযোগিতা করা আমাদের জন্য ঠিক হচ্ছে কি না?

আলী হাসান ইমরান
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ৭:২৬ পিএম

উত্তর : আপনাদের সংগঠনের সবাই কি মুসলিম? যদি মুসলিম হয়ে থাকেন, তাহলে পূজার জন্য চাঁদা তোলা ও এসব মন্ডপে দেয়া জায়েজ হবে না। যদি সংগঠনে অমুসলিম সদস্যও থেকে থাকে, তা হলে শুধু তারা এ কাজ করতে পারে। তবে শর্ত হলো, কোনো মুসলমান পূজার চাঁদা দিতে পারবে না। চাঁদাদাতাও হিন্দু হতে হবে। অবশ্য পূজা অর্চনা ছাড়া অন্য কারণে অমুসলিমদেরকেও সাধারণ দান বা সহযোগিতা করা যায়। মানবিক ও সামাজিক পর্যায়ে, ধর্মীয় পর্যায়ে নয়। কারণ, এতে ইসলামে নিষিদ্ধ শিরকের সাথে নিজেকে যুক্ত করা হয়।

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলী ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ৫:৩৪ পিএম says : 0
    শিরক মানে আল্লাহ রববুল আলামীনের নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া বা তাকে অপমান করা। এ কারণে আল্লাহ রববুল আলামীন মুশরিক (প্রধানত মুর্তিপুজারী) এবং তাদের সাহায্যকারীদের কখনও মাফ করবেন না, কখনোই না। পবিত্র কোরআনে পরিষ্কার ভাষায় এসেছে, শিরক একমাত্র গুনাহ যা আল্লাহ রববুল আলামীন কখনোই মাফ করবেন না। এমনকি পবিত্র কোরআনে এসেছে, কিয়ামতের দিন ইব্রাহীমের (আ:) শাফায়েত তার মুর্তিপুজারী বাবার জন্যও কবুল করা হবে না। মুর্তিপুজা প্রধান বা সবচেয়ে বড় #1 শিরক। এ কারণে মুর্তিপুজারীদের বিরুদ্ধে আল্লাহ রববুল আলামীন সবচেয়ে বড় রসুলদের পাঠিয়েছেন, বিশেষ করে মুহাম্মদুর রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম এবং ইব্রাহীমকে (আ)। যে এলাকায় মুর্তিপুজা করা হয়, সে পুরো এলাকার সবার এবং সবকিছুর উপর আল্লাহ পাকের গযব ও লানত নাযিল হতে থাকে। মুর্তিপুজার সাথে জড়িত সবাই, এমনকি মৌন সমর্থকরা এবং সবকিছু এমনকি ফুলও চিরকাল জাহান্নামে থাকবে। কিয়ামতের দিন মুর্তিপুজারী ও তাদের সাহায্যকারীদের জন্য নবী-রসুলদের শাফায়েতও কবুল করা হবে না।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমার বান্ধবীর ৭ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। এখনো সে তার স্বামীর সাথেই আছে। তারা এখনো কোন সন্তান নেয়নি। আমার বান্ধবীর সাথে তার স্বামীর বনিবনা হয় না। তারা অধিকাংশ সময় দূরেই থাকে। এমতাবস্থায় ওর স্বামীও ওর প্রতি সন্তুষ্ট না। মাঝে মাঝে ওদের মধ্যে যখন ঝগড়া হয় তখন ওর স্বামী ওকে তালাক দেয় কিন্তু পরবর্তীতে ওর স্বামী তালাকের কথা উচ্চারণ করার জন্য ওর কাছে মাফ চায়। কিন্তু আমার বান্ধবী ওর স্বামীর সাথে আর থাকতে চায় না। ডিভোর্স চায়। কিন্তু ওর স্বামী ডিভোর্স দেয় না। এখন আমার বান্ধবী ওর স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারবে কি?

উত্তর : আপনার বান্ধবীকে যদি তার স্বামী মৌখিকভাবে তিন তালাক দিয়ে থাকে, তাহলে তারা এখন আর স্বামী স্ত্রী নয়। এখন একসাথে বসবাস জায়েজ হচ্ছে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ