Inqilab Logo

শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৮ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে রাসুল (সা.) আর্দশিক চেতনার বিকল্প নেই

পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সা.) জশ্নে জুলুছ মাহফিলে নেতৃবৃন্দ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ৪:১৪ পিএম

সিরিকোট দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লাম পীর সৈয়দ সাবির শাহ বলেছেন, আল্লাহ পাকের নিয়ামত সমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে রাসুল (সা.) আগমন। তাঁর সৃজনে ধন্য করেছেন সমগ্র সৃষ্টি জগৎকে। যাঁর সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ বলেন, আপনাকে সৃষ্টি না করলে কিছুই সৃষ্টি করতাম না (আল হাদিস)। আমি আপনাকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছি। আল্লাহর রহমত ও করুনা প্রাপ্তির কারণে খুশি উৎযাপন করা সকল সঞ্চিত এবাদত হতেও উত্তম। নবীজির শুভ জন্ম সংবাদে দাসীকে মুক্ত করে আনন্দ প্রকাশের বহি;প্রকাশ করায় আবু লাহাবের মত অভিশপ্ত কাফেরও প্রতি সোমবার ভয়াবহ শাস্তি হতে কিছুটা পরিত্রাণ পায়। একজন কাফের হয়েও মিলাদুন্নবী অর্থাৎ নবীর (সা.) জন্ম উপলক্ষে খুশি প্রকাশের কারণে আবু লাহাব যদি আল্লাহর এমন করুণা লাভ করে, তবে আমরা কেন এ মহান নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হবো। পবিত্র ঈদ এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহ্মদিয়া সুন্নিয়া ট্রাষ্ট ঢাকার উদ্যোগে আজ রোববার রাজধানীতে বর্ণাঢ্য বিশাল মিছিল (জুলুছ) শেষে মোহাম্মদপুরস্থ কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিয়া (কামিল) মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত মাহফিলে সভাপতিত্বের বক্তব্যে আল্লামা পীর সৈয়দ সাবির শাহ এসব কথা বলেন। মাহফিলে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সা.)’র তাৎপর্য্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিয়া (কামিল) মাদরাসার প্রিন্সিপাল কাজী আব্দুল আলিম রিজভী, মাওলানা মাহমুদুর রহমান চিশতী, মাওলানা মুনিরুজ্জামান ও মুফতী মাহমুদুল হাসান সহ দেশ বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম।
মুফতী আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক ও ড. মাওলানা নাছির উদ্দীনের পরিচালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পি.এইচ.পি গ্রুপের চেয়ারমান সূফি আলহাজ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আবু আহমেদ মন্নাফী, এ্যাডিশনাল সেক্রেটারী আলহাজ মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ মো. সিরাজুল হক, ঢাকা আঞ্জুমানের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. শহীদ উল্লাহ, সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ফজলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আলাহাজ মো. নুরুল ইসলাম রতন, আলহাজ মো. সিরাজুল হক, মো. মিজানুর রহমান, আলহাজ মো. আব্দুল মালেক বুলবুল, আলহাজ শোয়েবুজ্জামান চৌধুরী তুহিন, হাজী নুরুল আমিন, আলহাজ মো. সিরাজুল হক, প্রেসিডেন্ট আলহাজ মুহাম্মদ মহসিন ও সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় আঞ্জুমান, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ট্রাস্ট বোর্ডের নেতৃবৃন্দ। এর আগে র‌্যালীটি কাদেরিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গন হতে শুরু হয়ে শাহজাহান রোড, ইকবাল রোড, আসাদ এভিনিউ, আসাদগেইট, আসাদ এভিনিউ, নুরজাহান রোড, তাজমহল রোড, শিয়া মসজিদ, রিং রোড, শ্যামলী, খিলজী রোড, বাবর রোড হয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে কারেরিয়া মাদরাসা ময়দানে মাহফিলে মিলিত হয়। মাহফিলে নেতৃবৃন্দ বলেন, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনে রাসুল (সা.) এর আর্দশিক চেতনার বিকল্প নেই। যেখানে অশান্তি, জঙ্গিবাদ উপস্থিত তার বিপরীতে প্রিয় হাবিবের দর্শনই যথেষ্ট। সর্বত্র রাসুলের (সা.) দর্শন থেকে দূরে থাকার কারণে মানুষ পথভ্রষ্ট হচ্ছে। রাসুল (সা.)এর অনুসরণই সকল সমস্যার সমাধান নিহীত। জুলুছের যৌক্তিকতা তুলে ধরে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আমরা যদি রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির সম্মানে জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করি তাহলে অবশ্যই আমরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও নিয়ামত প্রাপ্ত হবো। পরিশেষে খতমে গাউসিয়া ও মিলাদ শরীফ সমাপান্তে বাংলাদেশসহ সমস্ত মুসলিম উম্মার শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন পীর সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ ।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ)


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ