Inqilab Logo

সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৩ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

তিন মাস পর ইভ্যালির অনুসন্ধান থেকে সরে এলো দুদক

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ অক্টোবর, ২০২১, ১২:১১ এএম

ইভ্যালির অনুসন্ধান থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কথিত ‘ই-কমার্স’ প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর প্রায় ৩ মাস পর এ সিদ্ধান্ত নিলো কমিশন।
গতকাল মঙ্গলবার সংস্থার চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ইভ্যালির অর্থপাচারের বিষয়টি দুদকের শিডিউলভুক্ত নয়। অর্থপাচারসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য অপরাধের বিষয়টি অন্য কোনো সংস্থা দেখবে।
এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ইভ্যালির গ্রাহক ও মার্চেন্টের ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ পেয়ে গত ৮ জুলাই থেকে অনুসন্ধানে নামে দুদক। পরদিন ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক। এরপর ১৫ জুলাই তাদের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আদেশ জারি করে আদালত।
ইভ্যালির অর্থপাচারের বিষয়টি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইভ্যালির দুর্নীতির বিষয়টিকে যখন মানি লল্ডারিংয়ের কথা বলা হয়েছিল তখন আমরা তদন্তের জন্য নিয়েছিলাম। ইভ্যালির মানিলন্ডারিংয়ের বিষয়টি এখন আর দুদক দেখছে না। অন্য কোনো সংস্থা দেখছে।
রাজারবাগের পীর এবং তার মুরিদচক্রের দ্বারা অবৈধভাবে সাধারণ মানুষের সম্পদ দখলের অভিযোগে করা রিটের প্রেক্ষিতে আদালত বিষয়টি দুদককে অনুসন্ধান করতে যে আদেশ দিয়েছেন সেই অনুসন্ধান কতদূর-জানতে চাইলে মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ বলেন, দুদক যেকোনো অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। আদালতের রায় প্রতিপালনে আমাদের অনুসন্ধান করতেই হবে। আদালতের নির্দেশের বিকল্প কিছু নেই। এ সময় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক যে সিদ্ধান্ত নেয় সেটির অগ্রগতি জানতে চাওয়া হয় ।
জবাবে তিনি বলেন, এই তদন্ত চলছে। হেফাজতে ইসলামের বিষয়টি তো অর্থপাচারের। এটাতো খুব কঠিন কাজ, সময় সাপেক্ষ। এটা ধৈর্য্য ধরে করতে হয়। এটা সঠিক পথেই আছে। যখন প্রয়োজন হয় আমরা ডাকব। আমাদের তো বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। আমাদের কাছে তো কোনো তথ্য তৈরি থাকে না।
শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর দুর্নীতির বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, তার বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে। কোনটা কোন পর্যায়ে আছে সেটাতো হুট করে বলা যাবে না। চট করে একটা কাগজ পেলেই অনুসন্ধান হয় না। এটা যাচাইবাছাই করে দেখতে হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা নীরীক্ষা করতে হয়। তারপরই অনুসন্ধান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দুদক

৩১ অক্টোবর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ