Inqilab Logo

রোববার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

অবশেষে আর্থিক প্রতারণার মামলায় জেরার মুখোমুখি জ্যাকলিন

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ অক্টোবর, ২০২১, ১১:০৫ এএম | আপডেট : ১১:৪৩ এএম, ২১ অক্টোবর, ২০২১

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে আর্থিক প্রতারণার মামলায় ইডির জেরার মুখোমুখি জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। এর আগে চার বার তাকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু প্রতি বারই তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন। বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ইডির দিল্লির অফিসে জ্যাকলিন গিয়েছিলেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের আন্ডারে জ্যাকলিনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবরই ইডি অফিসে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল জ্যাকলিনের। কিন্তু জ্যাকলিন সেদিন জেরার মুখোমুখি হননি। ফের ইডির পক্ষ থেকে গত ১৬ অক্টোবর তলব করা হয় জ্যাকলিনকে যার ভিত্তিতে বুধবার (২০ অক্টোবর) হাজিরা দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সুন্দরি। এদিন টানা সাত ঘণ্টা জ্যাকলিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা। যা সাধারণত কোনও রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রে করে থাকে।

এরআগে, গত ৩০ আগস্ট প্রথমবার এই মামলায় তলব করা হয় জ্যাকলিনকে। সেদিন ইডি-র দিল্লির দফতরে গিয়েছিলেন নায়িকা। ওইদিন তাকে পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু তখনই জ্যাকলিন জানান তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। কিন্তু ফের জ্যাকলিনকে ডেকে পাঠানোতে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বলিউডের ডিভা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত জনৈক সুকেশ চন্দ্রশেখরের কাছে নাকি বিদেশে টাকা পাঠাতেন জ্যাকলিন। সেই সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ ইডি কর্তাদের হাতে এসেছে বলে খবর। এর আগে সুকেশ এবং তার স্ত্রীর বাড়ি তল্লাশিও হয়েছে। এই গোটা মামলায় বলিউডের বেশ কিছু সেলেব প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত বলে সন্দেহ ইডির।

জানা গেছে, বর্তমানে দিল্লির রোহিণী জেলে রয়েছেন ব্যবসায়ী সুকেশ চন্দ্রশেখর। তার বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। বিগত এক বছর ধরে চলছে ওই মামলাটি। এছাড়াও আরও ২০টি তোলাবাজির মামলা রয়েছে অভিযুক্তের নামে। ইডির কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন জ্যাকলিনের সঙ্গে সুকেশের স্ত্রী অভিনেত্রী লীনা পালের যোগাযোগ ছিল। লীনা নিজেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়ে আপাতত জেলে বন্দি। তার সঙ্গে জ্যাকলিনের কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কিনা জানার চেষ্টা করছে ইডি।

উল্লেখ্য, এই একই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির দেন নোরা ফাতেহি। কিন্তু নোরার বিরুদ্ধে কোনও তথ্য পায়নি গোয়েন্দারা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন