Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৬ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

চীন-রাশিয়া সদয় হলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান

জাতীয় প্রেসক্লাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ অক্টোবর, ২০২১, ১২:০৪ এএম

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের আন্তরিকতার অভাবে রোহিঙ্গা ও ফিলিস্তিন সমস্যা ঝুলে আছে। চীন ও রাশিয়া সদয় হলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতিসংঘ দিবস-২০২১ উপলক্ষে এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সভাপতিপ্রার্থী হয়েছে বাংলাদেশ। আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করছি।
ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের এখানে আসছে। জাতিসংঘের যা যা করার দরকার করছে। তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের একজন যদি আপত্তি করে জাতিসংঘ সেখানে কিছুই করতে পারে না। তার ফলে রোহিঙ্গা সমস্যা ও ফিলিস্তিন সমস্যা ঝুলে যাচ্ছে। জাতিসংঘের নিজের কোনো শক্তি নেই। তার শক্তি হচ্ছে সদস্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে। সেই কারণে আমরা ঝুলে আছি। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং চীন। জাতিসংঘে কোনো বিষয়ে কোনো প্রস্তাব পাস করতে গেলে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রকে একমত হতে হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করি, যারা রোহিঙ্গা ইস্যুকে ঝুলিয়ে রেখেছে আগামীতে তারা আরও সদয় হবেন। বিশেষ করে রাশিয়া এবং চীন। তারা সদয় হলে অবস্থার পরিবর্তন হবে। আমরা আশাবাদী, আমাদের এ সমস্যা দূর হবে।



 

Show all comments
  • Md. Alamgir Alam ২৫ অক্টোবর, ২০২১, ৪:৩৩ পিএম says : 0
    বাংলাদেশের জনগন/নাগরিকগন - মৌলিক চাহিদা “অন্ন” উৎপাদন করত – ক্ষুদ্রা নিবারন করে জীবনধারন করিতে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র - বাংলাদেশ’ – ‘বর্ষা মৌসুমে অতি জলস্রোত নিয়ন্ত্রণ ও সংরক্ষণ’ এবং ‘শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনীয় জল/ পানি সরবরাহ’ পূর্বক চাষযোগ্য ভূমি - সর্বদা চাষাবাদের অনুকূলে রাখিতে, যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়াছে বারংবার। আবাদি জমি- উজানের ঢলে, বন্যা মুক্ত থাকিলে এবং শুষ্ক মৌসুমে উজানে কৃত্রিম বাধ নির্মান করত প্রাকৃতিক জলধারায় হস্তক্ষেপ না করিলে – ভাটিতে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ’ এর চাষযোগ্য ভূমি - সর্বদা চাষাবাদের অনুকূলে থাকিত। তাতে, বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদা - “অন্ন” সম্পর্কিয় খাদ্য শস্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ঘাটতি - দেশের জনগণ সম্মুখীন/ মুখাপেক্ষী হতেন না। 'তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশে নদীটির বিস্তৃত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুজ্জীবনে' এবং ‘শরণার্থী বা উদ্বাস্তু - রোহিঙ্গা সমস্যা’ বিষয়ে – ‘গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র ‘বাংলাদেশ’ – এর ‘জনগণ’ – 'রাষ্ট্রসংঘ/জাতিসংঘ' হতে – যদি ‘ন্যায়-সহযোগিতা/ ন্যায়-বিচার’ – বঞ্চিত হয় – ‘রাষ্ট্রসংঘ/জাতিসংঘ’ এর প্রয়োজনীতা/ভূমিকা বিষয়ে প্রশ্ন কেন উৎতাপিত হবে না?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ