Inqilab Logo

রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২২ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

আরেকটি লজ্জার হার

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৭ অক্টোবর, ২০২১, ৭:০৪ পিএম | আপডেট : ৭:০৭ পিএম, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

বাংলাদেশকে পাত্তাই দিলো না ইংল্যান্ড। ওয়ানডে বিশ্বকাপে অ্যাডিলেড কিংবা চট্টগ্রামের সুখস্মৃতি যে আশার আলো জ্বালিয়েছিল, তা নিভে যায় মাঠের পারফরম্যান্সে। ব্যাটে-বলে হতাশা ছড়িয়েছেন মাহমুদউল্লাহ-সাকিবরা। কোনোরকমে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করার পর বল হাতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। জেসন রয়ের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৪.১ ওভারে ২ উইকেটে ১২৬ রান করে ইংল্যান্ড। টানা দ্বিতীয় জয়টি তারা পেল ৮ উইকেটে। বাংলাদেশের ভাগ্যে জুটল আরেকটি লজ্জার হার।

রয়কে ফেরালেন শরীফুল

জয় থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে আউট হলেন রয়। ৬১ রান করা এই ইংলিশ ওপেনার শরিফুলের বলে নাসুমের হাতে ক্যাচ দিলেন। বিশ্বকাপে প্রথম উইকেট পেলেন তরুন শরিফুল।

রয়-মালানের ব্যাটে জয়ের পথে ইংল্যান্ড

মালান আর রয়ের ব্যাটে ছুটছে ইংল্যান্ড। কোনো মিরাকল না ঘটলে এই ম্যাচে আর বাংলাদেশের ফেরার সুযোগ নেই। রয় ২৫ বলে ৪১ আর মালান ১১ বলে ১৫ রান নিয়ে উইকেটে আছেন। ম্যাচ জিততে ইংক্যান্ডের দরকার ৬৬ বলে ৪৪ রান।

বাটলারকে ফিরিয়ে দিলেন নাসুম

বাংলাদেশ ইনিংসের ১৯তম ওভারে প্রথম ছক্কা হাঁকিয়েছিল। আর সাকিবের করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ছয় মারলেন জস বাটলার। উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে দারুণ টাইমিংয়ে সাকিবকে উড়িয়ে মারলেন এই ইংলিশ বাটলার। নাসুমের পরের ওভারে পেছনের পায়ে ভর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে লং অফে এবার ক্যাচ দিলেন নাঈমের হাতে। ৫ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের রান ১ উইকেটে ৪০।

ইংল্যান্ডের সামনে মামুলি লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

টি–টোয়েন্টিতে দুই দলের তফাৎটা আকাশ–পাতাল। এরপরও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দারুণ কিছুর স্বপ্নই দেখছিল। কিন্তু খেলতে নেমে সেই স্বপ্নে বেশ ধাক্কা খেয়েছে মাহমুদউল্লাহর দল। আজ টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ৯ উইকেট হারিয়ে করেছে ১২৪ রান।

জিতলে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের লড়াইয়ে টিকে থাকবে। হারলে বিদায় প্রায় নিশ্চিত। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। প্রথম বল থেকেই বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল ফর্মের সঙ্গে লড়তে থাকা লিটন দাসকে। প্রথম ওভারের শেষ দুই বলে মঈন আলীকে দুই চার মেরে দর্শকদের দেখাচ্ছিলেন বড় আশা। তবে দর্শকদের ভুল প্রমাণ করতে দেরি করলেন না এই ওপেনার। ওই মঈনকেই উড়িয়ে মারতে গিয়ে ব্যাক ওয়ার্ড স্কয়ার লেগে লিভিংস্টোনের হাতে ধরা পড়েন লিটন (৯)। পরের বলে আবারও উইকেট। এবার মিড অনে ক্যাচ অনুশীলন করে ফিরলেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম (৫)।

সুসংবাদ নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন সাকিব আল হাসান। আবারও টি–টোয়েন্টি অলরাউন্ডারের শীর্ষে ওঠার দিনটি বড় কিছুতে উদ্যাপন হলো না। ক্রিস ওকসের বলে রশিদের দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরার আগে সাকিবের রান ৭ বলে ৪।

পাওয়ার প্লেতেই বলতে গেলে ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের। লিটন, নাঈম আর সাকিবকে হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তোলে কেবল ২৭ রান। অতীতের বহু ম্যাচের মতো আজও এরপর বাংলাদেশের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনে দেখেশুনে এগিয়ে নিচ্ছিলেন বাংলাদেশকে। ১০ ওভার শেষে বল আর রান সমান করতে পারে বাংলাদেশ। উইকেটে থিতু হওয়া মুশফিক যখন রান বাড়ানোর প্রচেষ্টায় তখনই বিপদ। অনিয়মিত লেগ স্পিনার লিভিংস্টোনকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে মিস করেন বল। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও রিভিউ নেন এউইন মরগান। আর তাতেই বিদায়ঘণ্টা বাজে মুশির (৩০ বলে ২৯)।

এরপর যেন একটু ছন্নছাড়া বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটে কাটা পড়েন আফিফ হোসেন। এরপর নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গেও মাহমুদউল্লাহর রান নেওয়া, না নেওয়া নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলো। অস্বস্তিতে থাকা মাহমুদউল্লাহও তেড়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন পয়েন্টে। মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের পর সোহান, মেহেদী চেষ্টা করছিলেন, তবে পারছিলেন না বড় শট খেলতে। মেহেদীর বিদায়ের পর ১৯ তম ওভারে দুই ছক্কা আর এক চারে ১৭ রান নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসটাকে সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যান বোলার হিসেবে খেলা নাসুম আহমেদই। ওই ওভারেই ইনিংসের প্রথম ওভার বাউন্ডারির দেখা পায় বাংলাদেশ। শেষ ওভারে কোথায় সোহান ঝড় তুলবেন উল্টো কয়েকটি ডট দেওয়ার পর পঞ্চম বলে হলেন আউট। শেষ বলে মোস্তাফিজও বোল্ড হলে বাংলাদেশ থামে ১২৪ রানে।

পুরো ইনিংসজুড়ে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কেবল চার মেরেছে ১০টি। ছক্কা নাসুমের ওই দুটোই। ৫২ বলে কোনো রানই বের করতে পারেননি ব্যাটাররা। এর প্রভাবই পড়েছে স্কোরবোর্ডে।

দুই ছয় এক চারের ওভার

স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ইনিংসের প্রথম ছক্কা হাঁকালেন নাসুম। দুই বলে পর আবারও জায়গা বানিয়ে নিয়ে রশিদকে তুলে মেরেছেন । এবারও ছক্কা। ওভারের শেষ বলে থার্ডম্যান দিয়ে মারলেন বাউন্ডারি। এই ওভারে সর্বোচ্চ ১৭ রান এল।

টিকতে পারলেন না মেহেদীও

টাইমাল মিলসকে স্কুপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে থাকা ক্রিস ওকসে হাতে ক্যাচ দিলেন মেহেদী। এক শর আগেই ৭ উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ১০ বলে ১১ করে ফিরলেন মেহেদী। ১৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ১০২।

দলকে বিপদে ফেললেন মাহমুদউল্লাহও

অনিয়মিত স্পিনার লিয়াম লিভিংস্টোনের স্পিনেই খাবি খাওয়া অবস্থা বাংলাদেশের। এবার তাকে উইকেট দিয়ে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশ অধিনায়ক পারলেন না দলকে উদ্ধার করতে।

লিভিংস্টোনের নিয়ন্ত্রিত স্পিনে রান বের করার পথই পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ তাই বেছে নেন বড় শটের পথ। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে শট খেলেন। কিন্তু যেতে পারেননি বলের পিচ পর্যন্ত। তেড়েফুঁড়ে খেললেও জোর পাননি মারে। পয়েন্টে ক্যাচ নেন ক্রিস ওকস।

মাহমুদউল্লাহ থামলেন ২৪ বলে ১৯ রানের হতাশাজনক ইনিংস খেলে। বাংলাদেশ ১৪.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৩। নতুন ব্যাটসম্যান শেখ মেহেদি হাসান।

ভুল বোঝবুঝিতে রান আউট আফিফ

রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে ভুল বোঝবুঝিতে রান আউটে কাটা পড়লেন আফিফ হোসেন। দুই রান নিতে নন স্ট্রাইক প্রান্তে থেকে মাহমুদউল্লাহ আফিফকে কল করলে আফিফ দৌড়ে আসে।

ইনিংস বড় করতে পারলেন না মুশফিক

চতুর্থ উইকেটে মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়ার পর আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। লিয়াম লিভিংস্টোনকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ১১তম ওভারের চতুর্থ বলে এলবিডব্লিউ হন মুশফিক। ৩০ বলে ২৯ করে আউট হন সাবেক অধিনায়ক। বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১ ওভার শেষে চার উইকেটে ৬৩।

সাকিবের বিদায়, বিপদে বাংলাদেশ

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আসলেন ওকস। সাকিবও টিকতে পারলেন না। ঘুরিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিলেন। পেছন থেকে ছুটে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিলেন আদিল রশিদ। ৭ বলে ৪ রান করে ফিরে গেলেন সাকিব। ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ২৭।

টানা দুই বলে ওপেনারদের বিদায়

পর পর দুই বলে দুই ওপেনারের বিদায়ে জোরেশোরে ধাক্কা খেল বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ২.৩ ওভারে ১৪/২ (সাকিব ০*, মুশফিক ১*; নাঈম, লিটন ৯)

দুটি চার মারার পর মঈনের শিকার লিটন

আগের ওভারের শেষ দুই বলে লিটন দাস টানা চার মারেন মঈন আলীকে। পরের ওভারে ইংল্যান্ড স্পিনারের খেলা প্রথম বলেই আউট তিনি। ৮ বলে ৯ রান করে আবারো ব্যর্থ ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

লিটনের দুই চারে উড়ন্ত সূচনা

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিটন দাস প্রথম ওভারের শেষ দুই বলে মঈন আলীকে টানা চার মেরেছেন। তাতে প্রথম ওভারেই উড়ন্ত সূচনা হয়েছে বাংলাদেশের।

শরিফুলের বিশ্বকাপ অভিষেক

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একাদশ নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে লম্বা সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। ইনজুরির কারণে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে বদল আনা হয়েছে। পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন খেলছেন না ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচে। তার জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম। এই ম্যাচ দিয়ে তার বিশ্বকাপে অভিষেক হচ্ছে।

আগের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও দুই পেসার ও তিন স্পিনার নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ।

ইনজুরিতে পড়া সাইফউদ্দিনের বিশ্বকাপ শেষ। আগের দিন অনুশীলনে ইনজুরিতে পড়েছিলেন উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানও। তবে সেই চোট সমস্যা কাটিয়ে এই ম্যাচে খেলছেন সোহান।

বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসুম আহমেদ।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতেছে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আবু ধাবির আজকের উইকেটকে ব্যাটিং উপযোগী মনে করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘ব্যাট করার জন্য ভালো উইকেট, ভালো একটা স্কোর সংগ্রহ করতে চাই।’ ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এউইন মর্গ্যান পরে ব্যাটিং পেয়ে খুশি, ‘আইপিএলে এখানে অনেক ম্যাচ খেলেছি, আগের মতোই উইকেট ভালো মনে হচ্ছে। নতুন খেলা, ভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং নতুন মাঠ।’

এখন পর্যন্ত দলটির বিপক্ষে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচই খেলেননি মাহমুদউল্লাহরা। চারটি ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল। তার মধ্যে চট্টগ্রাম ও অ্যাডিলেডে বাংলাদেশ জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। অ্যারাবিয়ান সাগরের দ্বীপ আবু ধাবিতে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায় মহারণে নামবে দুই দল। এবার আবু ধাবিতে চট্টগ্রাম-অ্যাডিলেড রূপকথার হাতছানি দিচ্ছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দারুণ সূচনা করেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশদের বিপক্ষে উইন্ডিজরা মাত্র ১৪.২ ওভারে অলআউট হয়ে যায় মাত্র ৫৫ রানে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যা তৃতীয় সর্বনিম্ন। টার্গেটে খেলতে নেমে ৮.২ বলে ইংল্যান্ড লক্ষ্যে পৌঁছে যায়, তবে তারা হারিয়ে ফেলে ৪টি উইকেট। ২১ থেকে ৩৯ রানের ব্যবধানে এই চারটি উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। এখানেই সুযোগ দেখছেন বাংলাদেশের বোলিং কোচ ওটিস গিবসন।

আবু ধাবিতে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটি ছিল লো-স্কোরিং। আগে ব্যাটিং করে ১১৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্যে পৌঁছাতে অস্ট্রেলিয়ার খেলতে হয় ১৯.৪ বল। উইকেট হারায় ৫টি। তুলোনামূলকভাবে এই মাঠের উইকেট একটু স্লো।

ইংল্যান্ডের ভয় সাকিব আল হাসান-নাসুম আহমেদদের বাঁহাতি স্পিন আর মোস্তাফিজুর রহমানের পেস নিয়ে। তবে বাংলাদেশকে ভাবতে হবে ইংলিশ স্পিন আক্রমণের দিকেও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মঈন আলী ও আদিল রশিদ নেন ৬ উইকেট। রশিদ ৪ উইকেট নেন মাত্র ২ রান দিয়ে।



 

Show all comments
  • Sabuj Ryhan ২৭ অক্টোবর, ২০২১, ৭:৩৯ পিএম says : 0
    Actually I am Sorry For Saying Bangladesh have no idea about T20 Cricket but We know always BD is good team on A One Day cricket!!!
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: টি২০ কাপ বাংলাদেশ

৫ নভেম্বর, ২০২১
৩১ অক্টোবর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন