Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৬ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

নগরকান্দায় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দাঙ্গায় আহত দুই

ডাঙ্গীতে নৌকার সমর্থকের লাঠি মিছিল

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ৮:৪৬ এএম

ফরিদপুরের নগরকান্দার তালমা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে চলছে থেমে থেমে নাটকীয় ট্যাটাযুদ্ব। দীর্ঘদিনের শত্রুতা পক্ষ ও বিপক্ষের চেয়ারম্যান প্রার্থিতা নিয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থীর লাঠিয়াল বাহিনী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ইটা বাহিনীর মধ্যকার সৃষ্ট দাঙ্গায় নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠছে।

দুই পক্ষ তথা জামাল মিয়া গ্রুপ ও নৌকার পক্ষীয় গ্রুপের মধ্যেকার বিবাদে বুধবার রাতে রইস ও আক্কাস নামের দুই যুবক আহত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে তালমা ইউনিয়নে সর্বক্ষেত্রে উওেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

, আগামী ১১ নভেম্বর তালমা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চান দলের একাধিক প্রার্থী। এদের মধ্যে রনজিত কুমার মন্ডলকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হন সাবেক চেয়ারম্যান আবু সহিদ মিয়ার ছেলে কামাল হোসেন মিয়া।
ফলে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী যুবলীগ কর্মী জাকির হোসেন গনমাধ্যম কে জানান, মোটরসাইকেল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়ার বিলনালিয়া নতুন বাজারের একটি অফিস আছে।

কয়েকজনের সাথে কথা বলছিলেন তালমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়বুর রহমান। ঐ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর দুই শতাধিক সমর্থক নৌকার মিছিল সহকারে যুবলীগ নেতা রইস ও আক্কাস নামের দুই যুবককে বেধরোক মারপিট করে।

এ সময় কামাল মিয়ার অফিসে হামলা চালায় মিছিল কারিরা। তারা চেয়ার-টেবিল সহ অফিসটিও ভাঙচুর করে।

কামাল মিয়ার অফিসে বসে থাকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়বুর রহমানকে ধাওয়া করলে তিনি একটি বাড়ীতে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়ে হামলাকারীরা ঐ বাড়ীও ভাঙচুর করে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়া বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আবার বাবা দীর্ঘদিন এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। আমার মা বর্তমান চেয়ারম্যান হিসাবে আছেন।

উল্লেখিত বিষয়ে কামাল মিয়া বলেন, আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করবো।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী রনজিত কুমার মন্ডলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে, ডাঙ্গী ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী কালাম কাজীর সমর্থকরা রাতের অন্ধকারে লাঠি মিছিল করায় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।

লোকমুখে শোনাযায়, তালমা ও ডাঙ্গীর সরকার দলীয় প্রার্থীর সমর্থকরা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থদের মধ্যে চলছে টান টান উওেজনাকর অবস্হা।

যে কেন সময় ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে বহু হতাহতের ঘটনা।

রক্ত জড়বে সাধারণ মানুষরে। খুন জখম হবে কর্মী সমর্থকরা বানিজ্য হবে নেতাদের। এমনটাই মনে করছেন শিক্ষিত সচেতন মহল।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সংঘর্ষ


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ