Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌
শিরোনাম

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটের কবলে

প্রকাশের সময় : ১৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

শামসুল ইসলাম : সম্ভাবনাময় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেট চক্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হচ্ছে। শ্রমিক সঙ্কটে পড়েছে মালয়েশিয়ার শিল্প কারখানাগুলো। অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হবার পরেও শ্রমবাজারের দুয়ার খুলছে না। এ নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো এবং মালয়েশিয়ায় জনশক্তি আমদানিকারক সংশ্লিষ্ট এজেন্টের মাঝে অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে। মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে ১৬তম জনশক্তি রফতানিকারক দেশ হিসেবে  (সোর্স কান্ট্রি) ঘোষণা দেয়ার দীর্ঘ দিন পরে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় (কেডিএন)-এর এসওপি মোঃ জামরিসহ তিনজন ডিরেক্টর বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগের অ্যাপ্রুভাল দিচ্ছেন দেদারসে। অভিবাসী কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা, স্বল্প ব্যয় ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে কেডিএন-এর অ্যাপ্রুভাল কমিটিও ঢেলে সাজানো হয়েছে। কিন্ত মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ সরকারি দিক-নিদের্শনা না পাওয়ায় নতুন কর্মী নিয়োগের অ্যাপ্রুভালের ফাইল জমা নিচ্ছে না। কর্মী নিয়োগের অ্যাপ্রুভালের ফাইল নিয়ে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা মালয়েশিয়ার দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এতে মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তারা চরমভাবে ক্ষুদ্ধ। সিন্ডিকেট চক্রের একটি বিতর্কিত আউট সোসির্ং কোম্পানীর কারসাজির দরুণ বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগের পর্দা উঠছে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হলে অভিবাসন ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাবে যা সরকার কোনো ভাবেই মেনে নিবে না। সম্প্রতি বিএমইটির মহাপরিচালক সেলিম রেজা বলেছেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে কোনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হবে না। কর্মী নিয়োগের জন্য ৭৪৫টি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির নামের তালিকা মালয়েশিয়া সরকারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় প্রচুর বাংলাদেশী কর্মীর চাহিদা রয়েছে। সম্প্রতি ঢাকায় পূর্বাণী হোটেলের বায়রার সাবেক সভাপতি আবুল বাশারের উদ্যোগে একাংশ সদস্যদের সিন্ডিকেট বিরোধী আহুত সভা বায়রার বাধার মুখে অনুষ্ঠিত হতে পারেনি।  সিন্ডিকেটের খপ্পর থেকে রক্ষা পাওয়া না গেলে দেশটির সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার হাত ছাড়া হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মালয়েশিয়ার নিয়োগকারীরা কোনো সিন্ডিকেট নয় ; সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে স্বল্প অভিবাসন ব্যয়েই বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগে বেশি আগ্রহী। কুয়ালালামপুর থেকে নির্ভরযোগ্য সূত্র এতথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশিয়া বাংলাদেশী কমিউনিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মালয়েশিয়া শাখার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মকবুল হোসেন মুকুলের নেতৃত্বে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল গত ১৩ অক্টোবর কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলামের সাথে তার দপ্তরে এক বৈঠকে মিলিত হয়। প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান, রাশেদ বাদল, তাসকিন, বিএনপি নেতা বাদেলুর রহমান খান, মোশাররফ হোসেন, তৌহিদ ও প্রবাসী ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বাবুল। এসময়ে কমিউনিটি’র নেতৃবৃন্দ ১০ সিন্ডিকেটের কবল থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উদ্ধার এবং সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী নিয়োগের সুযোগ দেয়ার জন্য হাই কমিশনার শহিদুল ইসলামকে অনুরোধ জানান। নেতৃবৃন্দ সিন্ডিকেটের মূল হোতা বিতর্কিত দ্বৈত্য নাগরিকের আউট সোর্সিং কোম্পানীর বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র হাই কমিশনারের কাছে তুলে ধরেন। হাই কমিশনার শহিদুল ইসলাম মালয়েশিয়া কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের কোনো সিন্ডিকেট চিনি না। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হলে সরকারের দিক নিদের্শনা অনুযায়ী ৭৪৫টি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিই কর্মী নিয়োগের সুযোগ পাবে। কথিত ১০ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সরকারী কোনো নিদের্শনা নেই।  
সরকারের উচ্চ মহল থেকে শুরু করে সকল স্তর থেকে দীর্ঘ দিনের বন্ধকৃত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারে ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্ত একটি সিন্ডিকেট চক্রের অশুভ তৎপরতায় বার বারই স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার হোঁচট খাচ্ছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মী নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞার মাত্র এক দিন আগে ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ও মালয়েশিয়ার হিউম্যান রিসোর্স ও মানব সম্পদ মন্ত্রীর মাঝে জনশক্তি রফতানি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। দীর্ঘ দিন কর্মী আমদানী বন্ধ থাকায় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে অভিবাসী কর্মীর মারাত্বক সংকট দেখা দিয়েছে। মালয়েশিয়ার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোও অভিবাসী কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো সিন্ডিকেটের পরিবর্তে সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিতে বেশি আগ্রহী। কারণ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশী কর্মী নেয়া শুরু হলে অভিবাসন ব্যয়ে জনপ্রতি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী গমন শুরু হলে একেক জন কর্মীর ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ থেকে  তিন লাখ টাকা দাঁড়াবে। এতে ভিটে-মাটি বিক্রি করে মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীরা ৪/৫ বছরেও অভিবাসন ব্যয় তুলতে পারবে না। ফলে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীরা নিরাপত্তা হীনতায় পড়বে। শুরু হবে জনশক্তি রফতানিরতে বিশৃঙ্খলা। অভিজ্ঞ মহল এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।      
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে বিদেশি শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবেলায় স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি নাজিব তুন রাজাক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার দফতর বিষয়কমন্ত্রী ড. উই কা সিউং। মালয়েশিয়ার সরকার প্রধানের এমন সিদ্ধান্তে দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানো দ্বার আবার খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টিকে খুব গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে এ সমস্যা সমাধান করবেন বলেও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়ান চায়নিজ অ্যাসোসিয়েশন এর উপ-পরিচালক লিম আহ লেক এর ফেসবুক পেজে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের মতামত শোনার পর, তিনি বিদেশি শ্রমিকদের ঘাটতির ব্যাপারটি নিজ দায়িত্বে সমাধানের পথ খুঁজে বের করবে বলে আশ্বাস দেন। তাইপেই ইনভেস্টরস অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া থেকে একটি প্রতিনিধি দল শ্রমিক সংকট সমাধানের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের কাছে স্মারকলিপি দেন। তারা অভিযোগ করেন- তাইওয়ানের বিনিয়োগে মালয়েশিয়ায় যে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেগুলোতে প্রায় ৯০% কোম্পানি বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।
গতকাল রাতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বাবুল টেলিফোনে ইনকিলাবকে বলেন, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে ১৬তম সোর্স কান্ট্রি হিসেবে ঘোষণা করেছে। ১৫টি সোর্স কান্ট্রির নিজ নিজ হাই কমিশনের লেবার উইং থেকে কলিং ও অ্যাপ্রুভালেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অনুমোদন দিচ্ছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়  (কেডিএন)-এর এসওপি মোঃ জামরিসহ তিনজন ডিরেক্টর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগে লেভী জমা দেয়ার অনুমোদন দিচ্ছে। কেডিএন কর্মী নিয়োগের অ্যাপ্রুভাল দিচ্ছে দেদারর্সে। কর্মী নিয়োগের ইস্যুকৃত এসব অ্যাপ্রুভাল-এর ফাইল কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে সত্যায়নের লক্ষ্যে জমা দেয়ার জন্য চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছে এজেন্টগুলো।  প্রবাসী ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ যদি সিন্ডিকেটের মূল হোতা সিনারফ্লাক্স-এর মাধ্যমে শুরু হয় তা’হলে মেডিকেল ফি, সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স ও ইনস্যুরেন্সের জন্য প্রত্যেক মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীর কাছ থেকে প্রায় ৩৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিবে। এতে অভিবাসন ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, বিতর্কিত সিনারফ্লাক্সের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী আসা শুরু হলে অধিকাংশ কর্মীই মালয়েশিয়ায় এসে প্রতারিত হবে। কথিত সিনারফ্লাক্স-এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী গেলে  কর্মীদের প্রতি দিনের সেলারি থেকে তারা চড়া কমিশন কেটে নিয়ে যাবে। এতে কর্মীরা কয়েক বছরেও অভিবাসন ব্যয় তুলতে পারবে না। এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী ব্যবসায়ী বাবুল বলেন, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ মন্ত্রীর মাঝে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত জি টু জি প্লাস প্রক্রিয়ায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পরের দিনেই মালয়েশিয়া সরকার সকল কর্মী নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বর্তমানে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর কেডিএন-এর অ্যাপ্রুভালের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বেসরকারী পর্যায়ে কর্মী নিয়োগের পথ সুগম হচ্ছে। জনশক্তি রফতানির দ্বার সহসা উন্মোচিত না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারো হাত ছাড়া হতে পারে বলে প্রবাসী ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বাবুল আশংকা প্রকাশ করেন।
এদিকে, বায়রার মালয়েশিয়া জনশক্তি রফতানি সংক্রান্ত  স্ট্যান্ডিং কমিটি’র চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন  বে-বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি’র স্বত্বাধিকারী  আলহাজ মোঃ গিয়াস উদ্দিন বাবুল গতকাল শনিবার রাতে ইনকিলাবকে বলেন, মালয়েশিয়ায় প্রচুর বাংলাদেশী কর্মীর চাহিদা রয়েছে। মালয়েশিয়ার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও বাংলাদেশী কর্মীদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগের অনুমতি পেয়ে লেভীও জমা দিয়েছে। তিনি বলেন, গত ১ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন বে-বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি বাংলাদেশী রিক্রুটিং এজেন্সিকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে দেশটির ইমিগ্রেশনে লেভী জমা দেয়ার অনুমতি দিয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে আলহাজ গিয়াস উদ্দিন বাবুল বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের দ্বার উন্মুক্ত হবার পথে তার পরেও সিন্ডিকেট চক্র শ্রমবাজার নিয়ে বাধার সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের উপর  সিন্ডিকেটের কালো থাবা পড়েছে। আলহাজ গিয়াস উদ্দিন বাবুল বলেন, কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন কর্তৃপক্ষ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের ভবিষ্যৎ সর্ম্পকে সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারছে না। জনশক্তি রফতানিকারকরা মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের নতুন অ্যাপ্রুভাল নিয়ে হাই কমিশনে জমা দিতে না পেরে কুয়ালালামপুরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। এতে মালয়েশিয়ার নিয়োগকারীরা বাংলাদেশী নীতি নির্ধারক কর্তৃপক্ষের উপর ক্ষুদ্ধ হচ্ছে। তিনি অনতিবিলম্বে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট মুক্তকরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ