Inqilab Logo

সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৩ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

যদি কোনো সমিতি এই শর্ত দিয়ে চালু করে যে, এর মেয়াদ হবে ৫ বছর। তবে যদি কেউ তার আগে চলে যেতে চায় তাহলে তার মূল টাকা ফেরত দেওয়া হবে। লাভ দেওয়া হবে না। তাহলে কী এই লাভের টাকা সমিতির জন্য হালাল হবে?

সাইদুল ইসলাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ৭:৩১ পিএম

উত্তর : এরকম শর্ত করা একজন বিনিয়োগকারী অংশীদারের ওপর জুলুম। তবে, যদি কেউ জেনেশুনে এমন শর্তে রাজী হয়, আর একে নিজের ওপর জুলুম মনে না করে, তাহলে লভ্যাংশের এই টাকা রেখে দেওয়া জায়েজ হবে।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • N Islam ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ১০:৪৮ পিএম says : 0
    এখানে যে লভ্যাংশের কথা বলা হচ্ছে, সেটা সমিতি কিভাবে দিবে ? সমিতি কি ব্যবসা করবে ? প্রচলিত সাধারন ব্যবসা, নাকি সুদের উপরে টাকা ঋণ দিয়ে আয় করবে ? বিষয়টি পরিষ্কার হলোনা । বাংলাদেশে বিভিন্ন নামের যত সমিতি আছে, দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় শতভাগ সমিতির কাজই হলো সুদের উপরে টাকা ধার দিয়ে আয় করা । সুদ নিতে তাদের খারাপ লাগেনা, তবে সুদ কথাটা শুনতে খারাপ লাগে । তাই সুদটাকেই তারা লাভ বা লভ্যাংশ নাম দিয়েছে । এখানে প্রশ্নকারী কিভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন যে, ৫ বছর পরে ওই সমিতি লাভ পাবেই ? ব্যবসায়তো লসও হতে পারে । একমাত্র সুদের লেনদেনেই এমনটা চিন্তা করা যায় ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সমিতি


আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন : এক ব্যক্তি আমার বেশ কিছু টাকা আত্মসাৎ করেছিল। প্রায় ১৬ বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের মাধ্যমে সে টাকা আমি ফেরত পেয়েছি। উক্ত টাকা ছাড়াই আমার নিসাব পরিমান সম্পদ শুরু থেকেই ছিল এবং উক্ত টাকা বাদ দিয়ে আমি আমার সম্পদের যাকাত দিয়ে আসছি। এখন প্রশ্ন এই যে, আত্মসাৎকারীর টাকা ফেরত পাওয়ার এক বছর পর কী এই টাকার উপর যাকাত দিতে হবে নাকি বিগত সব বছরের জন্য যাকাত দিতে হবে। এ আইনি লড়াইয়ে আমার যে পরিমান টাকা ব্যয় হয়েছে তা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট টাকার, নাকি ফেরত পাওয়া সম্পূর্ণ টাকার ওপর যাকাত দেব ?

উত্তর : ফেরত পাওয়া সম্পূর্ণ টাকার যাকাত দিতে হবে। ফেরত না পেলে যাকাত দিতে হতো না। ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও যাকাত দিতে হত না।

আমরা জানি যে, রাতের বেলা ঘুমানোর আগে ৪ বার সূরা ফাতিহা, ৩ বার সূরা ইখলাস, ৩ বার দুরুদে ইব্রাহীম, ৪ বার কালেমা তামজিদ ও ১০ বার ইস্তেগফার পড়লে যথাক্রমে ৪০০০ দিনার দান, ১ বার কুরআন খতম করা, জান্নাতের মূল্য দেওয়া, ১ বার হজ্ব করা ও দ্বন্দ্ব মিটিয়ে দেওয়ার নেকী পাওয়া যায়। এখন আমার প্রশ্ন হল, সোয়াবের আশায় বা পরকালে লাভবান হওয়ার জন্য কোন নফল ইবাদত বা এই আমলগুলো পরিমাণে বেশি করলে (যেমন ৩ বারের জায়গায় ৬ বার, ৪ বারের জায়গায় ৮ বার, ৩৩ বারের জায়গায় ৫০ বার পড়লে) বিদাআত হবে কি?

উত্তর : হাদীসে বর্ণিত নিয়ম পালন করাই ঘোষিত সওয়াব পাওয়ার জন্য যথেষ্ট। সুন্নাত নিয়ম সুন্নাতের মতোই করা উচিত। এরপর আপনার ইচ্ছা হলে আরও বেশি নেকীর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ