Inqilab Logo

শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮, ২৪ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

প্রশ্ন : নামাজের সময় সাধারণত একামত দেওয়া হয়। কিন্তু জুমআর নামাযের সময় আজান কেনো দেওয়া হয়?

কাউসার মোল্লা
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৭ নভেম্বর, ২০২১, ৭:২৭ পিএম

উত্তর : আসলে জুমার সময়েও ইকামত দেওয়া হয়। তবে, আপনি যা বোঝাতে চাচ্ছেন সেটি হলো, জুমার নামাজের জন্য দুইবার আজান দেওয়া হয় কেন। এটি সাহাবায়ে কেরামের ইজমা এবং খলিফা হযরত ওসমান (রা.) এর সুন্নাত। এটি উম্মতের সুবিধার জন্য সাহাবায়ে কেরামগণ নবী (সা.) হতে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে চালু করেছেন। এজন্যই জুমার দিনে মানুষকে মসজিদে আসার জন্য একবার আজান দেওয়া হয়, আরেকবার ব্যবসা বানিজ্য ও দুনিয়াবি কায়-কারবার বন্ধ করে খুতবা শোনা ও নামাজের জন্য আহবান জানানো হয়। দ্বিতীয় আজানের পর নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত দুনিয়াবি কাজকর্ম করা হারাম।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • হোসেন ২৮ নভেম্বর, ২০২১, ৯:৩২ পিএম says : 0
    ওয়াস ওয়াসা রোগ থেকে মুক্তির কি উপায়
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

২৮ জানুয়ারি, ২০২২
২১ জানুয়ারি, ২০২২
১৪ জানুয়ারি, ২০২২
১৭ ডিসেম্বর, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন

আমার এক নিকটাত্মীয় মদ-গাঁজা সেবন করত। স্বামী-স্ত্রী প্রায় সময়মই ঝগড়া হতো, স্বামী তার স্ত্রীর গায়ে অনেক সময় হাত তুলত। স্ত্রীও খুব বেশী একটা ছাড় দিত না। আবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অন্য পুরুষের সাথে দীর্ঘ দিন রাতে-বিরাতে গোপন ফোনালাপের অভিযোগ ছিল। তাদের দুই ছেলে আছে। স্বামী তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক একাউন্টে ১৫-১৮ লাখ টাকার সম্পদ রেখেছিল। স্ত্রী বাপের বাড়ি গিয়ে সেগুলো হাত করে নেয় এবং নেশাখোর স্বামীর সংসার করবেনা বলে জানায়। এ অবস্থায় কয়েকটি ব্যর্থ আলোচনা বা বৈঠক হয়। প্রায় এক বছরের বেশী সময় পর স্ত্রী ওই স্বামীকে এক উকিলের মাধ্যমে ডাকযোগে ডিভোর্সলেটার পাঠায়। স্বামী বলে সে ওই লেটার রিসিভ ও সাইন করেনি। এর প্রায় এক বছর পর তার স্ত্রী ওই গোপন ফোনালাপের অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই বিয়ে করে। প্রশ্ন হলো স্ত্রীর এ তালাক ও পরবর্তী বিয়ে ইসলামের বিধান মতে সঠিক ভাবে হয়েছে কি না? আর না হলে এখন করনীয় কি?

উত্তর : দেশের আইন অনুযায়ী এই তালাক হয়ে গেছে। পরবর্তী বিবাহও শুদ্ধ হয়েছে। আগে যেই ফোনালাপ বা দেখা সাক্ষাৎ করতো, একথাটি প্রমাণ করার জন্য শরীয়তসম্মত

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ