Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে দেশে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে

প্রকাশের সময় : ২০ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম | আপডেট : ১১:৩২ পিএম, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬

বাঙলা ভাইও তাদের সৃষ্টি : প্রধানমন্ত্রী
বিশেষ সংবাদদাতা : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে দেশে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে। বাংলা ভাইও তাদের সৃষ্টি। তিনি বলেন, আমরা টেররিজমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। যারা তাদের মদদ দেয়, তাদেরও রেহাই দেব না। গতকাল বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকার সময়ে দেশের উন্নয়ন করেনি। তবে আগুন-সন্ত্রাস, মানুষ হত্যা, হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারা, শিশু ধর্ষণ, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা কোনোভাবেই জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেব না। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যখনই কোনো পদক্ষেপ নেয়, যখনই কোথাও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কেউ মারা যায়, তখন তারা হাহাকার করে ওঠে। আমি বুঝি না, তাদের (জঙ্গি) জন্য এত হাহাকার কেন? তারা ক্ষমতায় থাকতে বাংলা ভাইকে পাহারা দিয়ে মিছিল করিয়েছে। এখন যখনই কোনো খবর পাওয়া যায়, আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেয়, তখন তারা এর বিরুদ্ধে হাহাকার তোলে। সারা বিশ্বেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে এমন অ্যাকশন নেয়া হয়ে থাকে।
তিনি বলেন, এ সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেখতে পাচ্ছি, সারা দেশে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। কারণ মানুষ জানে, আওয়ামী লীগই পারবে দেশকে উন্নত করতে। দারিদ্র্যবিমোচন করতে। আজকে বাংলাদেশের দারিদ্র্যবিমোচন যে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে, তা কিন্তু আওয়ামী লীগের গৃহীত নীতির কারণেই।
শেখ হাসিনা বলেন, দলের নেতা-কর্মীদের সবার মনে রাখতে হবে, আমরা সংগঠন করি মানুষের কল্যাণে। দেশে হত্যা-ক্যুর রাজনীতি হয়েছে, মানুষ খুন হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপরে নির্যাতন হয়েছে। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় আছে বলেই উন্নয়ন হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের আজকের সভা ২০তম কাউন্সিলের দিন পর্যন্ত চলবে বলে জানান আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সিলের পূর্বে মিটিং বসে। এ মিটিং কিন্তু কাউন্সিল পর্যন্ত চলবে। কাউন্সিল অধিবেশনে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতির বক্তব্য শেষে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। বৈঠকের শুরুতেই আওয়ামী লীগের ৭৮ সাংগঠনিক জেলার কাউন্সিলর তালিকা উপস্থাপন করা হয় এবং সেগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। এরপরে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, ঘোষণাপত্র পরিবর্তন নিয়ে নেতারা মতামত দেন।
বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জানান, আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই রাশিয়া, কানাডাসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশে এসেছেন। আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি আসবেন। বৈঠকে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের প্রায় সব সদস্যই উপস্থিত রয়েছেন।



 

Show all comments
  • সাব্বির ২০ অক্টোবর, ২০১৬, ১১:৫৮ এএম says : 0
    সেই এক কথা আর কত বলবেন ?
    Total Reply(0) Reply
  • আশরাফ ২০ অক্টোবর, ২০১৬, ১১:৫৯ এএম says : 1
    এদেশের মানুষ ভালো করে জানে কারা কোনটা সৃষ্টি করেছে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন