Inqilab Logo

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৭ মাঘ ১৪২৮, ১৭ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

করোনা সংকট সামলাতে জার্মানির শীর্ষ বৈঠক আজ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২১, ৩:২৬ পিএম

করোনা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবারই বৈঠকে বসছেন ম্যার্কেল, শলৎস ও জার্মানির সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। মঙ্গলবারই সাংবিধানিক আদালতের রায়ের ভিত্তিতে তারা আরও কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

জার্মানিতে করোনা সংক্রমণের হার গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে একটানা বেড়ে চলার পর মঙ্গলবার এই প্রথম সামান্য হলেও কমেছে। প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে সাপ্তাহিক গড় সংক্রমণের হার এ দিন ৪৫২.২, যা আগের দিনের তুলনায় শূন্য দশমিক দুই ইউনিট কম।

তবে জার্মানির সার্বিক করোনা সংকট কমার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা না যাওয়ায় এবং করোনার ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের তাণ্ডবের আশঙ্কায় রাজনৈতিক নেতাদের উপর দ্রুত আরও কড়া পদক্ষেপ নেবার জন্য চাপ বাড়ছে। সেইসঙ্গে এতকাল কড়া সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্যও তারা প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ছেন। ফলে বাধ্য হয়ে মঙ্গলবারই বিদায়ী ও ভবিষ্যৎ চ্যান্সেলর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বর চ্যান্সেলর ও মুখ্যমন্ত্রীদের আলোচনায় বসার কথা ছিল।

মঙ্গলবারই জার্মানির সাংবিধানিক আদালতের এক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিতে চলেছে। করোনা মহামারি পরিস্থিতি সামলাতে সরকার যে জরুরি পদক্ষেপের মাধ্যমে লকডাউন ও স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেটি সংবিধানের পরিপন্থি কিনা সেই প্রশ্নের মীমাংসা করবে আদালত। সকালে ‘এমারজেন্সি ব্রেক' সংক্রান্ত এই রায়ের পরেই দুপুরে চ্যান্সেলর ও মুখ্যমন্ত্রীরা বৈঠকে বসছেন। সংবিধান মেনে কতটা কড়া পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

উল্লেখ্য, ওলাফ শলৎসের নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ সরকারি জোট সংক্রমণ সুরক্ষা আইনের মধ্যে লকডাউনের মতো পদক্ষেপ অন্তর্গত করে নি। আদালত লকডাউনের পক্ষে রায় দিলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংসদের জরুরি অধিবেশন ডেকে আবার মহামারিকালীন জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করা যেতে পারে। মোটকথা একাধিক উপায় আইনি ভিত্তি প্রস্তুত করলেই আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জার্মানির গণস্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ার উপক্রম হওয়ায় কমপক্ষে দেশের দক্ষিণ ও পূর্বের কিছু অংশে লকডাউন ঘোষণা করার জন্য চাপ বাড়ছে। এই সিদ্ধান্তে বিলম্বের ফলে পরিস্থিতির আরও দ্রুত অবনতির আশঙ্কা করছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিক। গোটা দেশজুড়ে একই নিয়ম চালু করার ডাকও বাড়ছে।

সপ্তাহান্তে কোলন শহরে এক ফুটবল ম্যাচে ৫০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটেছিল। অন্যদিকে লাইপসিশ শহরে দর্শক ছাড়াই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় মানুষের সমাবেশ সংক্রান্ত বিধিনিয়মের ফারাকের বিরুদ্ধে প্রবল সমালোচনার ঝড় উঠছে। কোলনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থন করে জানিয়েছে, যে স্টেডিয়ামে একমাত্র টিকাপ্রাপ্ত ও করোনাজয়ীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছিল। সূত্র: ডিপিএ, এএফপি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ