Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২৩ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

গাইবান্ধায় মা ও মেয়েকে ডেকে এনে গণধর্ষণ ৩ জনের যাবজ্জীবন

গাইবান্ধা থেকে স্টাফ রির্পোটার | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২১, ৪:৪৮ পিএম

গাইবান্ধায় মোবাইল ফোনে ডেকে এনে গুপ্তধন পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে মা ও মেয়েকে গণ ধর্ষণের মামলায় গতকাল মঙ্গলবার তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড- ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাইবান্ধার নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো.আব্দুর রহমান এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে পাঁচ আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন, একই গ্রামের বদিউজ্জামান মিয়ার ছেলে এমদাদুল হক ও পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর পার্বর্তীপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া। এছাড়া দুই আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। তারা হলো- একই উপজেলার সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আজিজুল ইসলাম ও সুন্দাইল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আসাদুল ইসলাম।
মামলার সুত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১২মে আসামিরা জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা মা ও মেয়েকে ফোন করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনেন। তারা জ্বিনের বাদশাহ পরিচয়ে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখান। লোভে পড়ে ভুক্তভোগী মা ও মেয়ে ওই রাতেই গোবিন্দগঞ্জে চলে আসে। পরে প্রতারক চক্রটি মা ও মেয়েকে উপজেলার আমনাথপুর বালুয়ার নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ সেসময় ৫ জনকে গ্রেফতার করে। মামলার দীর্ঘদিন সাক্ষ্য গ্রহণের পর মঙ্গলবার বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
এব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. ফারুক আহমেদ প্রিন্স জানান, ২০১৮ সালের ১২মে মা ও মেয়েকে গুপ্তধন দেয়ার কথা বলে জামালপুর জেলা থেকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডেকে আনে আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তারা।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ধর্ষণ


আরও
আরও পড়ুন