Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯, ০৫ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেক জালিয়াতি চেয়ারম্যান-সচিবের গ্রেপ্তারের দাবি বামজোটের

যশোর ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০২১, ১০:১১ পিএম

যশোর শিক্ষা বোর্ডের ৩৬টি চেকের মাধ্যমে সাত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অপসারিত বোর্ড চেয়ারম্যান-সচিবসহ দুর্নীতির সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ আল্টিমেটাম দেন তারা। ৭ দিনের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আগামী ৭ ডিসেম্বর নবনিযুক্ত বোর্ড চেয়ারম্যানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান এবং ১৩ ডিসেম্বর শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোটের সমন্বয়ক তসলিম-উর রহমান। এসময় তিনি দুর্নীতির সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন ।
সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই দুর্নীতির সাথে আরো অনেকেই জড়িত বলে ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। অনেকে দুর্নীতির সাথে জড়িতদের রক্ষার জন্য স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। এই দুর্নীতির টাকা ঠিকাদারসহ অনেকের ব্যাংক একাউন্টে ঢুকেছে। সারাদেশে এই লুটপাট ও দুর্নীতির খতিয়ান ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা, কর্মচারী, ঠিকাদার, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ যারাই জড়িত হোক না কেন, তদন্তের মাধ্যমে দোষিদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
তারা আরও বলেন, তদন্ত কাজকে প্রভাবিত করার জন্যে দুর্নীতির সাথে জড়িতরা তৎপর রয়েছে। যা তদন্ত কাজকে বিঘিœত করছে। তদন্তের স্বার্থে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের তদন্তকালীন গ্রেফতার ও সাময়িক বরখান্ত করতে হবে। এছাড়া কি কারণে বোর্ডে দীর্ঘদিন অডিট করা হয়নি সে রহস্য উদঘাটন করতে হবে।
বাম জোটের ৬ দফা দাবির ভেতর রয়েছে, অবিলম্বে শিক্ষাবোর্ডের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, দুর্নীতির সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারে সোপার্দ করতে হবে, অসাধু ব্যবসায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার, যারা দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের চাকরি থেকে বরখান্ত ও গ্রেপ্তার করতে হবে, দীর্ঘদিন না হওয়া অডিট কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অডিট না হওয়ার জন্য যুক্ত ব্যক্তিদেরকে আইনামলে আনতে হবে, প্রশাসনের সর্বস্তরের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সভাপতি নাজিমউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি আবুল হোসেন, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক হাচিনুর রহমান, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) জেলা সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ভিটু, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সদস্য কামাল হাসান পলাশ প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ